শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

পর্তুগালে আবাসন সংকট, পথে নেমেছেন হাজারো মানুষ

পর্তুগাল প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৪:২৯ এম
পর্তুগালে আবাসন সংকট, পথে নেমেছেন হাজারো মানুষ

শনিবার বিকেলে লিসবন, পোর্তো, কইম্ব্রা, ব্রাগা, ফারোসহ কমপক্ষে ১৬টি শহরে একযোগে বিক্ষোভ হয়েছে, যার আয়োজন করেছে আবাসনের অধিকার নিয়ে কাজ করা প্ল্যাটফর্ম ‘Casa para Viver’ ও সহযোগী নেটওয়ার্ক ‘Porta a Porta’। “Já não dá” (আর চলছে না) স্লোগানে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ৮০–৯০টির বেশি সংগঠন ও নেটওয়ার্ক সমর্থন জানিয়েছে; আয়োজকদের ভাষ্য, বর্তমান আবাসন নীতি সংকট সমাধান না করে বরং আরও গভীর করছে। লিসবনে মিছিল শুরু হয় মেরকেশ দ্য পম্বাল ও অ্যাভেনিদা দা লিবার্দাদে ’ এবং দেশটির বিভিন্ন সহর হাজার হাজার নাগরিক বিক্ষোভে অংশ নেন।

‘বেঁচে থাকা খুব কঠিন’: ভাড়াটিয়াদের কণ্ঠ

৪৫ বছর বয়সী আনা মারিয়া জানান, ভাড়া বাড়তে বাড়তে এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে তাঁকে বাধ্য হয়ে লিসবনের এনকার্নাসাঁও এলাকায় একটি এক কামরার ছোট ঘরে উঠতে হয়েছে, যার ভাড়া মাসে ৫০০ ইউরো; আয় ও ব্যয়ের ফারাকে মাসের শেষে তাঁর হাতে প্রায় কোনো টাকা থাকে না। তাঁর কথায়, বারবার বাড়ি ছাড়ার হুমকি আসছে মালিকের কাছ থেকে এবং খাদ্য পেতে ‘Refood’–এর মতো সামাজিক উদ্যোগের সাহায্য ছাড়া তিনি চলতে পারতেন না।​

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

অন্য এক বিক্ষোভকারী জানান, তিনি প্রায় ৩০ বর্গমিটারের স্যাঁতসেঁতে একটি বাসায় থাকেন; ১১ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে লিসবনে আসার পর থেকে যতটুকু সঞ্চয় হয়েছে, তা দিয়ে বাড়ি কেনা কল্পনাতীত হয়ে পড়েছে। ২৩ বছর বয়সী মার্টা কোয়েলহো বলেন, চাকরি এবং স্নাতক–স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকা সত্ত্বেও উচ্চ ভাড়ার কারণে এখনো বাবা–মায়ের সঙ্গে একই বাসায় থাকতে বাধ্য তিনি, নিজের মতো করে শহরে থাকার সুযোগ তৈরি হচ্ছে না।

​

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ক্যাটরিনা সিল্ভা অভিযোগ করেন, সরকারের নতুন আবাসন নীতিতে ২৩০০ ইউরো মাসিক আয়কে ‘পরিমিত’ বলে ধরায় বাস্তবে তরুণ তরুণীদের অধিকাংশই ৩০ বছর বা তার বেশি বয়স পর্যন্ত বাবা–মায়ের বাসা ছেড়ে বেরোতে পারছেন না। আনাবেলা নামের আরেক প্রতিবাদকারী বলেন, “বেঁচে থাকা খুব কঠিন। বাড়ি ভাড়া অনেক বেশি, আমি বেকার; এই আয়ে ভাড়া ও খাবারের খরচ মেটানো প্রায় অসম্ভব।”

রাকেল পেরেইরা মতো অনেকেই জানাচ্ছেন, আয় কমে যাওয়া আর ভাড়া বেড়ে যাওয়ার চাপ সামলে তারা আর বর্তমান বাসায় টিকে থাকতে পারছেন না; তিনি জানিয়েছেন, সামাজিক আবাসনের জন্য আবেদন করলেও কবে অনুমোদন পাবেন এ বিষয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন এবং নির্ধারিত সময়সীমার (৩১ অক্টোবর) মধ্যেই হয়তো নতুন থাকার জায়গা খুঁজতে হবে।

সরকারের ৩০ দফা প্যাকেজ ও অভিযোগ

পর্তুগিজ সরকার আবাসন সংকট মোকাবিলায় নির্মাণ ও ভাড়াবাজারে প্রণোদনা, কর ছাড়, ভাড়া সহায়তাসহ প্রায় ৩০টি পদক্ষেপের প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, যাকে সরকার ‘নীতিগত ধাক্কা’ হিসেবে উপস্থাপন করেছিল। এর মধ্যে আছে মাঝারি ভাড়ার বাড়ির মালিকদের কর ছাড়, ভাড়া ব্যয়ের ওপর বাড়তি আয়কর ছাড় এবং নির্দিষ্ট মূল্যসীমার মধ্যে থাকা আবাসন নির্মাণে কম হারে ভ্যাট আরোপের মতো ব্যবস্থা।

তবে বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, এসব পদক্ষেপ আসলে বাজারে বিনিয়োগকারীদের মুনাফা বাড়াচ্ছে, কিন্তু ভাড়াটিয়াদের চাপ কমাচ্ছে না; বরং বাসাভাড়া ও বাড়ির দাম আরও দ্রুত বাড়ছে। বামপন্থি ও নাগরিক সংগঠনগুলো বলছে, সরকার যে নীতিগুলোকে সমাধান হিসেবে তুলে ধরছে, সেগুলোই আগের বছরগুলোতে সংকটকে ত্বরান্বিত করেছে; তাদের দাবি, শক্তভাবে ভাড়া নিয়ন্ত্রণ, দীর্ঘমেয়াদি ভাড়াচুক্তি (কমপক্ষে ১০ বছর) এবং ২০১৩ সালের ‘Lei dos Despejos’ (উচ্ছেদ আইন) বাতিল না করলে বাস্তব পরিবর্তন সম্ভব নয়।

বাড়ির দাম ১৮%–২৭% পর্যন্ত বেড়েছে

সরকারি প্যাকেজের পরও গত এক বছরে আবাসন বাজারে মূল্যবৃদ্ধি থামেনি; পর্তুগালের জাতীয় পরিসংখ্যান দফতর এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ত্রৈমাসিক তুলনায় দেশে বাড়ির গড় দাম প্রায় ১৮ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে বলে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। কিছু প্ল্যাটফর্ম, বিশেষ করে ‘Casa para Viver’ এর প্রচারসামগ্রীতে দাবি করা হয়েছে, প্রথম বড় প্যাকেজ ঘোষণার পর থেকে মোটামুটি ২৭ শতাংশ পর্যন্ত দাম বেড়েছে এবং লিসবনে প্রতি বর্গমিটারের গড় মূল্য ৫ হাজার ইউরোর বেশি পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে ভাড়ার বাজারেও উচ্চচাপ বজায় আছে; বিশ্লেষকেরা আশঙ্কা করছেন, কর–প্রণোদনার বেশির ভাগই শেষ পর্যন্ত মালিক ও বিনিয়োগকারীদের অতিরিক্ত আয় হিসেবে থেকে যাবে, ভাড়া বা বিক্রিমূল্য কমার বদলে।

বিক্ষোভকারীদের দাবি ও পরবর্তী পদক্ষেপ

শনিবারের বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সংগঠনগুলো পরিষ্কারভাবে কয়েকটি দাবি তুলে ধরেছে—প্রথম আবাসনের মর্টগেজ কিস্তি নির্দিষ্ট সীমার (আয়–এর সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ) বেশি না রাখা, বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভাড়া নিয়ন্ত্রণ, অন্তত ১০ বছরের স্থিতিশীল ভাড়াচুক্তি এবং দ্রুত সামাজিক আবাসনের সংখ্যা বাড়ানো। আন্দোলনকারীরা বলছেন, পর্তুগালে প্রায় সাত লক্ষাধিক বাসা খালি থাকলেও সরকার এখনো মূল সমাধান হিসেবে বাজার–নির্ভর নীতিকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে, যা বাস্তবে সংকট আরও বাড়িয়ে তুলছে। ‘Casa para Viver’ প্ল্যাটফর্ম জানিয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত কার্যকর প্রতিক্রিয়া না এলে এই বছর জুড়েই তারা ধারাবাহিক কর্মসূচি ও নতুন বিক্ষোভের ডাক দিতে পারে

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক