শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

 ৩০ এপ্রিল শেষ হচ্ছে অভিবাসী প্রত্যাবাসন কর্মসূচি

মালয়েশিয়া থেকে নিজ দেশে ফিরতে ইমিগ্রেশন দপ্তরে প্রবাসীদের ভিড়

আহমাদুল কবির মালয়েশিয়া প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৮ পিএম
মালয়েশিয়া থেকে নিজ দেশে ফিরতে ইমিগ্রেশন দপ্তরে প্রবাসীদের ভিড়

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে অবস্থানকারী বিদেশি নাগরিকদের নিজ দেশে বৈধভাবে ফিরে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে চালু করা মাইগ্র্যান্ট রিপ্যাট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২.০ আগামী ৩০ এপ্রিল শেষ হবে। কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ।

ইমিগ্রেশন বিভাগের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, অবৈধ অভিবাসীদের স্বেচ্ছায় ও সুশৃঙ্খলভাবে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে চালু করা এই কর্মসূচিতে ইতোমধ্যে বিদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থানকারী বিদেশিরা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে গিয়ে তাদের অবস্থানের বিষয়টি আইনগতভাবে নিষ্পত্তির সুযোগ পাচ্ছেন। ফলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা ছাড়াই তারা স্বদেশে ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন।

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান বলেছেন: যারা এখনো এই কর্মসূচির আওতায় আসেননি, তাদের দ্রুত সুযোগটি গ্রহণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন না করলে পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান ইমিগ্রেশন আইনের আওতায় কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। বিভাগটি আরও জানিয়েছে, কর্মসূচির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সারা দেশে ইমিগ্রেশন আইনের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে অভিযান ও নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

মালয়েশিয়া সরকারের মতে, এই কর্মসূচি দেশের অভিবাসন ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করার একটি কৌশলগত উদ্যোগ। এটি মালয়েশিয়া মাদানি ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যকে এগিয়ে নিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, কর্মসূচি শেষ হওয়ার আগেই আরও অনেক অবৈধ অভিবাসী এই সুযোগ গ্রহণ করে স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরে যাবেন এবং এতে দেশের অভিবাসন ব্যবস্থাপনা আরও সুশৃঙ্খল হবে।

এ কর্মসূচীর আওতায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে সমস্যাগ্রস্ত বিদেশি শ্রমিকরা মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন দপ্তরে ভিড় করছেন। বিশেষ করে ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশ থেকে আসা অনেক অভিবাসী শ্রমিক ২.০ কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে ঈদের আগে নিজ দেশে ফিরে যেতে চাইছেন। শুক্রবার সেনাওয়াংয়ে অবস্থিত মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ অফিসে দেখা যায়, সকাল ৮টায় অফিস খোলার কথা থাকলেও বিদেশি নাগরিকরা সকাল ৭টা থেকেই লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন।

এই ‘পেমুতিহান’ বা বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে যেসব বিদেশি শ্রমিকের কাগজপত্র সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে—যেমন বৈধ পাস না থাকা বা নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করা—তাদের কিছু শর্ত পূরণ সাপেক্ষে কোনো মামলা ছাড়াই স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। একজন বিদেশি শ্রমিক জানান, তার কাজের পাস নিয়ে সমস্যা রয়েছে। পিআরএম কর্মসূচির কথা জানার পর তিনি ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এদিকে নেগেরি সেম্বিলান রাজ্যের ইমিগ্রেশন পরিচালক কেনিথ থান আই কিয়াং জানান, এই কর্মসূচি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, পিআরএম ১.০ চালু ছিল মার্চ ২০২৪ থেকে মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত, আর পিআরএম ২.০ চলবে মে ২০২৫ থেকে এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত।

তিনি আরও বলেন, আমাদের ধারণা অনুযায়ী, বিশেষ করে ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশের অনেক বিদেশি নাগরিক ঈদের আগে দেশে ফেরার জন্য এই সুযোগটি ব্যবহার করবেন। ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে আমাদের অফিসে আগত মানুষের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে এবং গত দুই সপ্তাহে তা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি জানান, সেনাওয়াংয়ের ইমিগ্রেশন অফিসে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কাউন্টার খোলা থাকে এবং প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৫০ জন গ্রাহককে সেবা দেওয়া হয়।

তবে গত দুই সপ্তাহে প্রতিদিন প্রায় ১৮০ জন পর্যন্ত ‘ওয়াক-ইন’ গ্রাহক আসছেন পিআরএম কর্মসূচিতে অংশ নিতে। ফলে কর্মীদের রাত ১০টা পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে। এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে বিদেশি নাগরিকদের কিছু শর্ত মানতে হবে। তাদের অবশ্যই বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে এবং আবেদন করার ১৪ দিনের মধ্যে নিজ দেশে ফেরার টিকিট থাকতে হবে।

এছাড়া বিভিন্ন ধরনের জরিমানাও নির্ধারণ করা হয়েছে: বৈধ পাস না থাকা বা অতিরিক্ত সময় অবস্থান করলে, ৫০০ রিংঙ্গিত, পাসের শর্ত ভঙ্গ করলে ৩০০ রিঙ্গিত, বিশেষ পাসের জন্য রিঙ্গিত। তিনি আরও জানান, শুধু নেগেরি সেম্বিলান নয়, অন্যান্য রাজ্য থেকেও অনেক বিদেশি শ্রমিক সরাসরি (‘ওয়াক-ইন’) এই অফিসে আসছেন। তাদের অধিকাংশই সেলাঙ্গর ও কুয়ালালামপুর থেকে এসেছেন।

মালয়েশিয়ার রাস্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বারনামার এক তথ্যে জানা গেছে, চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ কর্মসূচির আওতায়, দেশে ফিরতে নিবন্ধন করেছেন, প্রায় ১,৭৭,০০০ জন অভিবাসী। এর মধ্যে নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন, ১,০০,০০০-এর বেশি অভিবাসী। সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বাংলাদেশিরাই সবচেয়ে বেশি।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক