শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ওষুধের বাজারে অস্থিরতা, নেপথ্যে কি অদৃশ্য সিন্ডিকেট?

প্রবাহ বাংলা ডেস্ক ঢাকা, বাংলাদেশ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫৫ এম
ওষুধের বাজারে অস্থিরতা, নেপথ্যে কি অদৃশ্য সিন্ডিকেট?

ক্যানসার, ডায়াবেটিস কিংবা উচ্চ রক্তচাপ—যে রোগই হোক, সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসা এখন দিন দিন ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। বিশেষ করে গত কয়েক মাসে জীবনরক্ষাকারী বিভিন্ন ওষুধের দাম ৩০ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বাজারে একদিকে ওষুধের সংকট, অন্যদিকে অতিরিক্ত দাম—এই দুই সমস্যার চাপে ভুগছেন রোগী ও তাদের পরিবার। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, গত এক বছরে ওষুধের দাম বাড়েনি।

সরকারি দাবি ও বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে এই বড় ব্যবধান ওষুধের বাজার নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি করেছে। অনেকেই মনে করছেন, ডলার সংকট ও কাঁচামালের ঘাটতির পাশাপাশি কিছু অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত মুনাফা করছে।

বাজারে সংকট ও ভোগান্তি

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকার ওষুধের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, অ্যান্টিবায়োটিক, ইনসুলিন ও হৃদরোগের ওষুধের জন্য রোগীদের এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরতে হচ্ছে।

২৩ বছর বয়সী নাফি নামের এক তরুণ জানান, ‘মিথাইফেনটেন’ নামের একটি ওষুধের দাম আগে ১৭০ টাকা ছিল। পরে সরবরাহ কমে যাওয়ার পর বাজারে এর কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়। বর্তমানে ১৫ থেকে ২০ পিসের একটি স্টকের জন্য প্রায় ২ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে।

শুধু নাফি নন, প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনতে গিয়ে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন। অনেক সময় খুচরা বিক্রেতারা এক বা দুই পিস ওষুধ দিতে না চেয়ে পুরো বক্স কিনতে বাধ্য করছেন। ফলে পাইকারি দামের চেয়ে খুচরা বাজারে বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষের দাবি

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. আকতার হোসেন বলেন, গত এক বছরে কোনো ওষুধের দাম বাড়েনি। নির্ধারিত নিয়ম মেনেই ওষুধের দাম ঠিক করা হয় এবং কোনো কোম্পানি ইচ্ছামতো দাম বাড়াতে পারে না।

বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব মো. জাকির হোসেনও একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন। তার মতে, বাজারে প্রায় ২৬ থেকে ২৮ হাজার ব্র্যান্ডের ওষুধ রয়েছে। এর মধ্যে বছরে মাত্র ৫০ থেকে ১০০টির দাম সামান্য সমন্বয় করা হয়, বাকি ওষুধগুলোর দাম অপরিবর্তিত থাকে।

বিক্রেতা ও বিশেষজ্ঞদের মতামত

খুচরা ওষুধ বিক্রেতাদের অভিযোগ, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোই সরবরাহ কমিয়ে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে ইনসুলিন ও নবমিক্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের দাম গত কয়েক মাসে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী মনে করেন, সমস্যার মূল কারণ পর্যাপ্ত তদারকির অভাব। তিনি বলেন, বাজারে দাম বাড়ার বাস্তবতা থাকলেও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো তা অস্বীকার করছে। ওষুধ প্রশাসনের পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে যুক্ত করে কঠোর নজরদারি চালালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

সুবিধা থাকা সত্ত্বেও দাম বেশি কেন?

বাংলাদেশ বর্তমানে ওষুধ উৎপাদনে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নীতিমালার কারণে কাঁচামাল আমদানিতে বিশেষ সুবিধাও পায় দেশটি। এছাড়া উন্নত দেশের তুলনায় এখানে উৎপাদন ব্যয়ও কম। তারপরও কেন জীবনরক্ষাকারী ওষুধের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে—এ প্রশ্নে জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে।

সরকার ইতোমধ্যে ২৯৫টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় তালিকাভুক্ত করে দাম নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দিলেও বাস্তবে বাজারে তার প্রভাব খুব একটা দেখা যাচ্ছে না।

সমাধানের উপায়

বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল আলোচনা নয়, কার্যকর পদক্ষেপই পারে এই অস্থিরতা কমাতে। এজন্য কয়েকটি উদ্যোগ জরুরি—

১. ওষুধের দাম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণে একটি স্বাধীন মূল্য নির্ধারণ কর্তৃপক্ষ গঠন করা।
২. পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।
৩. ওষুধের উৎপাদন ও মজুত সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরি করা।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ওষুধ কোনো সাধারণ পণ্য নয়; এটি মানুষের বেঁচে থাকার মৌলিক প্রয়োজন। তাই এই খাতে অনিয়ম ও অতিমুনাফা বন্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। না হলে চিকিৎসা সেবা ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক