শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার শ্রদ্ধাঞ্জলি

ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৪ এম
একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার শ্রদ্ধাঞ্জলি

মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ শ্রদ্ধা ও আবেগে ভরে ওঠে। রাত ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন। তাঁর পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় মাইকে বেজে ওঠে অমর একুশের কালজয়ী সংগীত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান তাঁদের স্বাগত জানান।

প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ভাষাশহীদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। দোয়া পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ–এর খতিব নাজির মাহমুদ। পরে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে আবারও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলের প্রধান হিসেবে দলীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নিয়েও শ্রদ্ধা জানান। এ সময় তাঁর পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

প্রধানমন্ত্রীর পর পর্যায়ক্রমে তিন বাহিনীর প্রধানরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন—সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান।

এরপর বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির শফিকুর রহমান ১১–দলীয় জোটের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। তাঁর সঙ্গে দলের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম ও মুজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। একই সময় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)–এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহও শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নেন। পরে তাঁরাও শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া করেন।

এ ছাড়া ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনীতিকেরা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। নির্বাচন কমিশন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–এর শিক্ষক সমিতি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও পর্যায়ক্রমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।

একুশের প্রথম প্রহরে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক ব্যবস্থা গ্রহণ করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। শহীদ মিনার এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয় এবং পুরো এলাকা ৬৪টি সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রাখা হয়। নিয়মিত পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সোয়াট, ডগ স্কোয়াড, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল ও ক্রাইম সিন ইউনিট দায়িত্ব পালন করে। গোয়েন্দা নজরদারি ও সাইবার মনিটরিংও জোরদার করা হয়।

যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে শাহবাগ, নীলক্ষেত, শহীদুল্লাহ হল, হাইকোর্ট, চাঁনখারপুল, পলাশী ও বকশীবাজার ক্রসিংসহ সাতটি পয়েন্টে ডাইভারশন দেওয়া হয়। নগরবাসীকে পলাশীর মোড় ও জগন্নাথ হল ক্রসিং হয়ে শহীদ মিনারে প্রবেশ এবং শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রমনা ক্রসিং হয়ে দোয়েল চত্বর বা চাঁনখারপুল দিয়ে বের হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অজস্র শহীদের স্মৃতিকে ধারণ করে প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত হয় অমর একুশে। ১৯৯৯ সালে ইউনেসকো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে; ২০০০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হচ্ছে।

উন্নত জীবনের আশায় মৃত্যুর ঝুঁকি

ভূমধ্যসাগর থেকে আবারও ১৬০ বাংলাদেশিকে উদ্ধার করল মিশর

আফছার হোসাইন, মিশর প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫৭ এম
ভূমধ্যসাগর থেকে আবারও ১৬০ বাংলাদেশিকে উদ্ধার করল মিশর

উন্নত জীবনের আশায় ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপ পৌঁছানোর ভয়ংকর চেষ্টা আবারও ব্যর্থ হলো। মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে অনিরাপদ রাবারের নৌকায় সাগর পাড়ি দেওয়ার সময় গত এক সপ্তাহে মিশরের বিভিন্ন উপকূল থেকে অন্তত ১৬০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে উদ্ধার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাঁরা বর্তমানে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রয়েছেন।

​মিশরে বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া ১৬০ বাংলাদেশির মধ্যে মাতরুহ উপকূল থেকে ৪৬ জন, পোর্ট সাইদ থেকে ৫৮ জন এবং দামিয়েত থেকে ৫৬ জন রয়েছেন। এসব অভিযানে বাংলাদেশিদের পাশাপাশি সুদান ও মিশরসহ অন্যান্য দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীদেরও উদ্ধার করা হয়।

​ভূমধ্যসাগরের উত্তাল ঢেউ আর অনিশ্চিত গন্তব্য—সব মিলিয়ে এসব যাত্রা চরম জীবনঝুঁকিতে পরিণত হচ্ছে। ভাগ্য বদলের স্বপ্নে ঘর ছাড়লেও বহু মানুষের পথ থেমে যাচ্ছে সমুদ্রের মাঝপথেই।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

​ব্যস্ততা বেড়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস মিশর

এদিকে টানা কয়েক দিনের উদ্ধার অভিযানের পর মিশরে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইংকে আইনি ও কনস্যুলার সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

​দূতাবাস সূত্রে জানানো হয়েছে, কোনো বাংলাদেশি উদ্ধারের খবর পাওয়ার পরপরই প্রথম কাজ হয় তাঁদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা। এরপর প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা ও দেশে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এ লক্ষ্যে মিশরের পুলিশ, কারা কর্তৃপক্ষ, ইমিগ্রেশন, আদালত ও হাসপাতালের সঙ্গে সার্বিক যোগাযোগ রক্ষা করছেন কনস্যুলার কর্মকর্তারা।

​উদ্ধারকৃত নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাঁদের দ্রুত ও নিরাপদে দেশে ফেরত পাঠাতে দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। স্বল্প সময়ে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি আটক ও উদ্ধার হওয়ার কারণে দূতাবাসের ওপর কাজের চাপ কয়েক গুণ বেড়েছে। তবে সব ঝুঁকি সামলে দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে মিশরীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশি কূটনীতিকরা।

​একের পর এক এ ধরনের ঘটনা ভূমধ্যসাগর দিয়ে অবৈধ অভিবাসনের ভয়ংকর রূপ এবং ‘নিরাপদ অভিবাসনে’র গুরুত্ব আবারও স্পষ্ট করে তুলল।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক