ইতালিতে আজ বুধবার প্রথম রোজা
দীর্ঘ এক বছর পরে আবারও বাঙালি জাতিকে সজাগ করতে পবিত্র রোজা ফিরে এলো ইতালিসহ ইউরোপে আজ বুধবার(১৮ ফেব্রুয়ারী) ইতালিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রোজা শুরু হয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর সিয়াম সাধনায় এই মাসটি অত্যান্ত বরকতময় এবং তাৎপর্যপূর্ণ মুসলিম উম্মার জন্যে এ বছরও সৌদির সাথে মিল রেখে ইতালিতে রোজা শুরু হয়।
গতকাল সৌদিতে চাঁদ দেখার পর ইতালির ধর্মীয় কয়েকটি সংগঠন মসজিদে রোজা রাখার নিশ্চিত ঘোষনা দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার থেকে ইতালিতে রোজা রাখবে মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা। এদিকে রোমের অদূরে ভেনিসের নিকটে পালভো শহরে রমজানকে ঘিরে কিছু কিছু রাস্তায় আলোক সজ্জা দিয়ে সাজানো হয়েছে। প্রবাসীরা বলছেন যদিও রমজানকে ঘিরে রাস্তার যে আলোক সজ্জা দেওয়া হয়েছে তা শুধু মাত্র স্থানীয়দের নয় পর্যটকদের মুগ্ধ করেছে।
মঙ্গলবার রাতে তারাবির নামাজের মাধ্যমে ইতালিতে প্রথম রমজান শুরু হল। সরেজমিনে দেখা যায় রোমের প্রতিটি মসজিদে মুসল্লীদের ভীড় কোনকোন মসজিদে জায়গা সংকুচিত হওয়ায় আশেপাশের মসজিদে গিয়ে তারাবি আদায় করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। তারাবি নামাজ দিয়ে বুধবার ইতালিতে প্রথম রোজা রাখেন প্রবাসী বাংলাদেশিসহ অন্যান্য দেশের মুসলিম অভিবাসীরা। প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলেন, কর্ম ব্যস্ততার মাঝেও ইসলামের নীতি মেনে প্রবাসেও মুসলমানরা রোজা-নামাজ সঠিক ভাবে রাখার চেষ্টা করে।
নবী কারিম (সা.) বলেন-যে ব্যক্তি ইমানসহ সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখবে, তার অতীতের সব গুনাহ ক্ষমা করা হবে। আর যে ব্যক্তি ইমানসহ সওয়াবের আশায় কিয়ামে রমজান অর্থাৎ তারাবির নামাজ আদায় করবে, তার পূর্ববর্তী গোনাহগুলো মাফ করে দেওয়া হবে। আর যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় শবেকদরে রাত জেগে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করবে তারও পূর্ববর্তী গুনাহগুলো মাফ করে দেওয়া হবে। (বুখারি শরিফ ১/২৫৫, মুসলিম শরিফ ১/২৫৯, মেশকাত শরিফ ১/১৭৩)।
তাই হাদিসের আলোকে বাড়তি সওয়াবের আশায় ক্লান্ত শরীর এবং ব্যস্ততার মাঝে রোজা এবং তারাবি পড়তে প্রস্তুত বাংলাদেশিরাও। রমজান নিয়ে ইতালির হিলাল কমিটির সভাপতি মুফতী ওয়ালি উল্লাহ খান জানিয়েছেন, সৌদি আরব, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের অন্যান্য দেশে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান মাস শুরু ।













