বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

মুসলিমদের পূজায় যাওয়ার বিধান কী? কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৫ পিএম
মুসলিমদের পূজায় যাওয়ার বিধান কী? কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সামাজিক সহাবস্থান যুগ যুগ ধরে বজায় রয়েছে। ভিন্ন ধর্মের মানুষের পাশাপাশি বসবাস এবং উৎসবে সামাজিক সৌজন্য বিনিময়ের চিত্র প্রতিনিয়ত দেখা গেলেও অন্য ধর্মের উপাসনালয়ে যাওয়া বা পূজার আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গি কী, তা নিয়ে প্রায়শই নানা প্রশ্ন ওঠে। ইসলামি ফিকহ ও কোরআন-হাদিসের আলোকে আলেমরা বিষয়টি বিশ্লেষণে সামাজিক সম্পর্ক এবং ধর্মীয় উপাসনার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য তুলে ধরেন।

ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে সদাচরণ, ন্যায়বিচার ও সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখা ইসলামের মৌলিক নির্দেশনার অন্তর্ভুক্ত। সুরা আল-মুমতাহিনার ৮ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, যারা মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি বা গৃহহীন করেনি, তাদের প্রতি সদাচরণ ও ন্যায়বিচার করতে মহান আল্লাহ নিষেধ করেন না। এছাড়া সহিহ বুখারি ও মুসলিমে বর্ণিত হাদিস থেকে জানা যায়, অমুসলিম মায়ের সঙ্গেও ভালো আচরণ ও সম্পর্ক বজায় রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। ফলে সামাজিক সৌজন্য ও প্রতিবেশীর অধিকার রক্ষার বিষয়টি ইসলামে স্বীকৃত।

তবে সামাজিক সম্পর্কের পাশাপাশি ধর্মীয় বিশ্বাসের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখাকে ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুরা আল-কাফিরুনের ৬ নম্বর আয়াতের “তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন এবং আমার জন্য আমার দ্বীন”—এই মূলনীতির ভিত্তিতে একত্ববাদের পরিপন্থী কোনো আচারে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকার তাগিদ দেওয়া হয়। সুরা আল-ফুরকানের ৭২ নম্বর আয়াতে ‘অনর্থক বা অসত্য কাজ’ এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা তাফসিরকারকদের মতে শিরক বা বাতিল ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতাকেও নির্দেশ করে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

পূজামণ্ডপে যাওয়া বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিতির বিষয়ে আলেমরা বলছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করে উপস্থিতির উদ্দেশ্য ও সেখানে পরিচালিত কর্মকাণ্ডের ওপর। পূজার ধর্মীয় আচার পালন, দেবদেবীর উদ্দেশ্যে প্রার্থনা কিংবা উপাসনামূলক কোনো কাজে অংশ নেওয়া মুসলিমদের জন্য কোনোভাবেই বৈধ নয়। অন্যদিকে, কেবল সামাজিক সৌজন্য, প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন, শৃঙ্খলা রক্ষা কিংবা নিরাপত্তার প্রয়োজনে উপস্থিত থাকার বিষয়টি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে বিবেচিত হয়। তাই সব ধরনের উপস্থিতিকে ঢালাওভাবে একই বিধানের অন্তর্ভুক্ত না করে পরিস্থিতি অনুযায়ী নির্ভরযোগ্য আলেমদের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পর্তুগালে নাগরিকত্বের আবেদন ৬ লাখ ৯০ হাজার ছাড়াল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:০৯ এম
পর্তুগালে নাগরিকত্বের আবেদন ৬ লাখ ৯০ হাজার ছাড়াল

পর্তুগালে নাগরিকত্ব পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। দেশটির রেজিস্ট্রি ও নোটারি ইনস্টিটিউটের (আইআরএন) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নাগরিকত্বের জন্য মোট ৬ লাখ ৯০ হাজার ৪৮০টি আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। এক বছরের ব্যবধানে এই সংখ্যা বেড়েছে ৩৮ শতাংশ। আবেদন জমে থাকার এই পরিস্থিতিতে নাগরিকত্বপ্রত্যাশীদের অপেক্ষার সময় এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

এক বছরে আবেদন বেড়েছে ৩৮ শতাংশ

পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম পাবলিকো প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের একই সময়ে নাগরিকত্বের জন্য প্রায় পাঁচ লাখ আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। ২০২৬ সালের জুনের শেষ নাগাদ সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৪৮০টিতে। অর্থাৎ, এক বছরে আবেদন জমে থাকার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

পর্তুগালের বিচার মন্ত্রণালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত এই পরিসংখ্যান দেশটির নাগরিকত্ব-সংক্রান্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থার ওপর ক্রমবর্ধমান চাপের চিত্র তুলে ধরেছে।

আবেদনের কত অংশ অভিবাসীদের?

জমে থাকা আবেদনগুলোর মধ্যে মাত্র ২৬ শতাংশ পর্তুগালে বসবাসরত অভিবাসীদের, যারা বৈধভাবে বসবাসের নির্ধারিত সময় পূরণ করে নাগরিকত্বের আবেদন করেছেন। বাকি আবেদনগুলোর মধ্যে রয়েছে বিদেশে জন্ম নেওয়া পর্তুগিজ বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের আবেদন, সেফারদি ইহুদি বংশোদ্ভূতদের আবেদন এবং পর্তুগিজ নাগরিকদের স্বামী বা স্ত্রীর মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়ার আবেদন।

অর্থাৎ, নাগরিকত্বের জন্য অপেক্ষমাণ সব আবেদনকে পর্তুগালে বসবাসরত অভিবাসীদের আবেদন হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। বিভিন্ন আইনি ভিত্তিতে জমা দেওয়া আবেদনগুলো মিলিয়েই এই বিপুল সংখ্যা তৈরি হয়েছে।

নাগরিকত্ব আইনে পরিবর্তন

২০২৬ সালের মে মাসে পর্তুগালের জাতীয়তা আইনে পরিবর্তন আনা হয়। নতুন বিধানে বসবাসের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে ন্যূনতম বৈধ বসবাসের সময় পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে আবেদনকারীর উৎসভেদে সাত বা দশ বছর করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিদেশে জন্ম নেওয়া পর্তুগিজ বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের মধ্যে প্রপিতামহ বা প্রমাতামহের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগও সম্প্রসারিত হয়েছে।

তবে নতুন আইন কার্যকর হওয়ার পরপরই জমে থাকা আবেদনগুলোর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি দিয়ে পুরো পরিস্থিতির ব্যাখ্যা করা যায় না। কারণ, ৩০ জুনের পরিসংখ্যানটি মূলত ওই তারিখ পর্যন্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকা সব আবেদনকে অন্তর্ভুক্ত করে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইন পরিবর্তনের পর প্রায় ছয় সপ্তাহের সময়ের তথ্যও এই পরিসংখ্যানে প্রতিফলিত হয়েছে।

এ ছাড়া, পর্তুগালের রেজিস্ট্রি ও নোটারি ইনস্টিটিউট (আইআরএন) জানিয়েছে, অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার তারিখের ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট আবেদনে জাতীয়তা আইনের পরিবর্তিত বিধান প্রযোজ্য হবে কি না, তা নির্ধারণ করা হবে

আবেদন নিষ্পত্তিতে জনবল বাড়ানোর উদ্যোগ

দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকত্বের আবেদন ঝুলে থাকা এবং প্রশাসনিক সেবায় বিলম্বের বিষয়টি নিয়ে রেজিস্ট্রি ও নোটারি খাতের শ্রমিক সংগঠনও সমালোচনা করে আসছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিচার মন্ত্রণালয় ও আইআরএন যৌথভাবে আবেদন নিষ্পত্তির গতি বাড়ানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

বিচার মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের ২০ আগস্ট প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন রেজিস্ট্রি সেবার জমে থাকা কাজ কমাতে মোট ৭৮ জন পেশাজীবীকে বিশেষ দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৪১ জনকে নাগরিকত্বের আবেদন নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত বিশেষ দলে রাখা হয়েছে। এই দলগুলো ১ জুলাই থেকে কাজ শুরু করে।

নাগরিকত্বপ্রত্যাশীদের জন্য কী অর্থ বহন করছে এই পরিস্থিতি?

প্রায় সাত লাখ আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকার পরিসংখ্যান নাগরিকত্বপ্রত্যাশীদের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। তবে শুধু এই সংখ্যা দেখে কোনো নির্দিষ্ট আবেদন কত দিনে নিষ্পত্তি হবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। আবেদন জমা দেওয়ার সময়, আবেদনের ধরন, নথিপত্র যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের মতো বিষয়গুলো প্রক্রিয়ার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

আফগানিস্তানকে ১১৯ রানে থামাতে পারলেই ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১১ পিএম
আফগানিস্তানকে ১১৯ রানে থামাতে পারলেই ফাইনালে বাংলাদেশ

ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার সমীকরণে কেবল জয়ই যথেষ্ট ছিল না বাংলাদেশের জন্য; দরকার ছিল অন্তত ৪১ রানের ব্যবধানে নিশ্চিত জয়। এমন কঠিন সমীকরণ সামনে রেখে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে তাওহীদ হৃদয়ের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। তবে পারভেজ হোসেন ইমনের দায়িত্বশীল অর্ধশতকে ভর করে অলআউট হওয়ার আগে দলীয় সংগ্রহ ১৬০ রানে পৌঁছায়। ফলে ফাইনালে স্থান করে নিতে হলে আফগানদের ১১৯ রানের মধ্যে অলআউট করতে হবে লাল-সবুজ প্রতিনিধিদের।

নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস চোটের কারণে ছিটকে যাওয়ায় দলে সুযোগ পাওয়া ইমনই ম্যাচের একমাত্র স্বস্তি উপহার দেন। ওপেনিংয়ে নেমে শেষ পর্যন্ত লড়ে ৯৬ বলে ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭০ রান সংগ্রহ করেন তিনি।

মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ভয়াবহ বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। মাত্র ২৮ রানে প্রথম সারির ৪ ব্যাটার বিদায় নেন। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। এরপর সপ্তম ওভারে পরপর দুই বলে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত (১৫) ও অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। চারজন ব্যাটারই কোনো রান না করে ‘ডায়মন্ড’ ও ‘ডাক’ মেরে আউট হন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

প্রাথমিক বিপর্যয় সামলে পঞ্চম উইকেটে আশা জাগান পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইফ হাসান। এ দুজন মিলে গড়া ৯৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি দলকে একশ পার করায়। সাইফ ৮২ বলে ৪১ রান করে আউট হলে ভেঙে যায় এই প্রতিরোধ। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজও দ্রুত ফিরে যান।

দলীয় সংগ্রহ বাড়ানোর চেষ্টা চালালেও আফগান স্পিনার রশিদ খানের শিকার হয়ে এলবিডব্লিউ হন সেট ব্যাটার ইমন। এরপর আর কেউ প্রতিরোধ গড়তে না পারলে ৪২তম ওভারে অলআউট হয় বাংলাদেশ।

আফগানিস্তানের পক্ষে সর্বাধিক ৪টি উইকেট শিকার করেন লেগস্পিনার রশিদ খান। এছাড়া ইয়ামিন আহমদজাই ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই ২টি করে উইকেট নেন।

বন্ধ হচ্ছে ফেসবুকের জনপ্রিয় ফিচার ‘রিচ’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম
বন্ধ হচ্ছে ফেসবুকের জনপ্রিয় ফিচার ‘রিচ’

ফেসবুকের কনটেন্টের পারফরম্যান্স মূল্যায়নের পরিচিত সূচক ‘রিচ’ বন্ধ হচ্ছে। আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে এর পরিবর্তে দর্শকসংখ্যা পরিমাপে ‘ভিউয়ারস’ মেট্রিক চালু করবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি।

 

এক বিজ্ঞপ্তিতে ফেসবুক জানিয়েছে, এত দিন নির্দিষ্ট সময়ে কতটি আলাদা অ্যাকাউন্টের কাছে কোনো কনটেন্ট পৌঁছেছে, তা পরিমাপ করা হতো ‘রিচ’ দিয়ে। তবে ২০২৬ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে এ সুবিধা আর পাওয়া যাবে না।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

নতুন ‘ভিউয়ারস’ মেট্রিকের মাধ্যমে কনটেন্টের দর্শকসংখ্যা নির্ধারণ করা হবে। এ পরিবর্তনের প্রভাব পড়তে পারে বাণিজ্যিক পেজ পরিচালনা, প্রচারণা তদারকি এবং প্রমোশনাল কনটেন্টের সফলতা মূল্যায়নে।

থাকছে না ‘রিচ’, ফেসবুকে আসছে নতুন মেট্রিক ‘ভিউয়ার্স’
থাকছে না ‘রিচ’, ফেসবুকে আসছে নতুন মেট্রিক ‘ভিউয়ার্স’

সংবাদমাধ্যম, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্বাধীন কনটেন্ট নির্মাতা ও ডিজিটাল বিপণনকর্মীদের নতুন ব্যবস্থার সঙ্গে নিজেদের বিশ্লেষণ কৌশল সমন্বয় করতে হবে।

 

‘রিচ’ ও ‘ভিউয়ারস’ মেট্রিকের হিসাবের পদ্ধতি এক না হলে পুরোনো পরিসংখ্যানের সঙ্গে নতুন তথ্যের তুলনা জটিল হতে পারে।

 

তাই পুরোনো প্রতিবেদন সংরক্ষণ এবং নতুন মেট্রিকের হিসাবপদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নেওয়া জরুরি। ফেসবুকে কনটেন্টের কার্যকারিতা মূল্যায়নে দর্শকসংক্রান্ত তথ্য গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এই পরিবর্তন সংশ্লিষ্টদের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক