মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলার মসলিন পরে প্যারিস মাতালেন জাহ্নবী

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫২ পিএম
বাংলার মসলিন পরে প্যারিস মাতালেন জাহ্নবী

ভারতীয় ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধনে তৈরি অনন্য বাংলার মসলিনের শাড়ি পরে বিশ্বমঞ্চে বাংলার তাঁতশিল্প ও কারুকার্যকে তুলে ধরলেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। প্যারিসের আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার মসলিন ও অপ্সরা রূপে দেখা গেল এ অভিনেত্রীকে। তিনি রিয়া কাপুরের স্টাইলিং ও পোশাকের সমন্বয়ে ফ্যাশনে নিয়ে আসেন এক বৈচিত্র্য উপস্থাপনা।

 

প্যারিসে অনুষ্ঠিত বিশ্বখ্যাত ‘বিজনেস অব ফ্যাশন’ ইভেন্টে উপস্থিত ছিলেন তরুণ প্রজন্মের অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। সেই অনুষ্ঠানে দেবীতুল্য ও মোহময়ী অবতারে ধরা দিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন অভিনেত্রী। ফ্যাশন দুনিয়ার বিশ্ব সেরা ৫০০ প্রভাবশালী মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিত্বের তালিকায় এবার স্থান পেয়েছেন তিনি। আর সেই উদযাপনের মঞ্চেই ভারতীয় ঐতিহ্য আর আধুনিকতার মেলবন্ধনে তৈরি করে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান নিজেকে। বাংলার মসলিনের শাড়ি পরে বিশ্বমঞ্চে তাঁতশিল্প ও কারুকার্যকে তুলে ধরেন জাহ্নবী কাপুর।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

 

অভিনেত্রীর এই রাজকীয় স্টাইলিংয়ের নেপথ্যে ছিলেন কাপুর পরিবারের আরও এক কন্যা ডিজাইনার ও স্টাইলিস্ট রিয়া কাপুর। বিখ্যাত ব্র্যান্ড ‘পঙ্কজ এস হেরিটেজ’-এর কাস্টম ডিজাইনে নির্মিত এই পোশাকটিতে ঐতিহ্যবাহী শাড়ির আধুনিক রূপায়ণ ঘটানো হয়েছে।

 

শাড়িটি তৈরি করা হয়েছে ৪৬০ কাউন্টের সুতা দিয়ে, যার মধ্যে ফুটে উঠেছে মসলিনের সূক্ষ্ম কারুকাজ আর ঐতিহ্যগতভাবে ‘বাফ-ই-হাওয়া’, ‘শবনমী’ বা ‘চাঁদনি’ নামে পরিচিত। আইভরি ক্যানভাসের ওপর পোখরাজ, পান্না, গার্নেট, মুক্তা ও সোনার পুঁতির চমৎকার কারুকাজ কাঁধ থেকে হাত পর্যন্ত ছড়ানো গহনার কাজ পোশাকটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

 

২০২৬ সালের ‘বিজনেস অব ফ্যাশন’ তালিকায় বিশ্বজুড়ে আটটি ক্যাটাগরিতে ১০০ জন নতুন ব্যক্তিত্বকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ তালিকায় জাহ্নবী কাপুরের পাশাপাশি স্থান করে নিয়েছেন আরও দুই ভারতীয় মডেল ভাবিতা মান্ডভা ও প্রীতিশা স্বরূপ।

 

‘শানেল’-এর শো ওপেন করা প্রথম ভারতীয় নারী শানেলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ভাবিতা মান্ডভা। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মডেল, অপারেশন্স স্মাইলের গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ও আয়ুর্বেদিক বিউটি ব্র্যান্ড ‘প্রাক্তি’র প্রতিষ্ঠাতা প্রীতিশা স্বরূপ।

আল-আযহার থেকে সর্বোচ্চ ফলাফলে এমফিল ডিগ্রি পেলেন প্রথম বাংলাদেশি নারী গবেষক

আফছার হোসাইন, মিশর প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৪ পিএম
আল-আযহার থেকে সর্বোচ্চ ফলাফলে এমফিল ডিগ্রি পেলেন প্রথম বাংলাদেশি নারী গবেষক

<span;><span;>মিশরের ঐতিহ্যবাহী ও বিশ্বখ্যাত আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশের প্রথম নারী গবেষক হিসেবে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেছেন মুনিরা তাহের। একই সঙ্গে তিনি তাঁর গবেষণাকর্মের জন্য সর্বোচ্চ ফলাফল ‘মুমতাজ’ (Excellent) গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

সোমবার (৫ অক্টোবর) আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব ইসলামিক সায়েন্স ফর ফরেইনার স্টুডেন্টস-এর অধীনে ইমাম আহমদ আত-তাইয়্যিব মিলনায়তনে তাঁর এমফিল থিসিস ডিসকাশন সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের উপস্থিতিতে দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে সংশ্লিষ্ট সুপারভাইজাররা তাঁকে সর্বোচ্চ ফলাফল ‘মুমতাজ’ গ্রেডে উত্তীর্ণ ঘোষণা করেন।মুনিরা তাহের আবু তাহেরের গবেষণার বিষয় তাফসির ও উলুমুল কুরআন। তাঁর গবেষণাপত্রের আরবি শিরোনাম— “مِنْ حُرُوفِ الْمَعَانِي «عَسَى – عِنْدَ – كَأَنَّ» وَأَثَرُهَا فِي التَّفْسِيرِ فِي النِّصْفِ الثَّانِي مِنَ الْقُرْآنِ الْكَرِيمِ: جَمْعًا وَدِرَاسَةً”। বাংলায় এর অর্থ— ‘হুরূফুল মাআনি (عسى, عند, كأنّ) এবং পবিত্র কুরআনের দ্বিতীয়ার্ধের তাফসিরে এর প্রভাব—সংকলন ও পর্যালোচনা।
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার এক শিক্ষানুরাগী পরিবারে জন্ম নেওয়া মুনিরা তাহের আবু তাহেরের বাবা মাওলানা মোহাম্মদ আবু তাহের দুর্গাপুর জামিউল উলূম কাচারি মাদরাসা ও ফাতিমা (রা.) মহিলা মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা।

মুনিরার শিক্ষাজীবনের সূচনা হয় দুর্গাপুর জামিউল উলূম কাচারি মাদরাসায় হিফজুল কুরআন সম্পন্ন করার মধ্য দিয়ে। পরে দুর্গাপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি সম্পন্ন করেন। উচ্চতর ইসলামী শিক্ষা অর্জনের লক্ষ্যে ২০১০ সালে মিশরে এসে মাআহাদ দিরাসা আল-খাসসাহর মাধ্যমে আল-আযহারে তাঁর একাডেমিক পথচলা শুরু হয়।দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে তিনি ২০১৮ সালে অনার্স, ২০২১ সালে দশ কিরাআত এবং ২০২২ সালে মাস্টার্স (তামহিদি) সম্পন্ন করেন। ২০২৩ সালে এমফিল গবেষণার জন্য থিসিস নিবন্ধন করেন। দীর্ঘ গবেষণা ও অধ্যবসায়ের পর ২০২৬ সালে তাঁর গবেষণাকর্ম সম্পন্ন হয়। আল-আযহারে অধ্যয়ন ও গবেষণার পাশাপাশি মুনিরা তাহের আবু তাহের বর্তমানে মিশরের জামিয়া সুফারা আল-হিদায়া-তে কুরআন শিক্ষিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

আল-আযহারের মতো বিশ্বখ্যাত ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একজন বাংলাদেশি নারী গবেষকের সর্বোচ্চ ফলাফলে এমফিল ডিগ্রি অর্জনকে বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও গবেষক সমাজের জন্য গৌরবজনক অর্জন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁর এই সাফল্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নারী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় আরও উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।এদিকে মুনিরা তাহেরের এই কৃতিত্বে তাঁকে অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে আযহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বাংলাদেশ, মিশর। তাঁর পক্ষ থেকে তাঁর ছেলে মুহাম্মাদ হুজাইফা সংগঠনটির সভাপতি আবদুর রহমান মুহাম্মাদ নওয়াব ও সদস্য প্রতিনিধি আবু আদনান মহিবুর রহমানের কাছ থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন এবং পরে তা তাঁর মায়ের হাতে তুলে দেন।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে মুনিরা তাহের আবু তাহেরের এ অর্জনে আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর ইলম, গবেষণা ও কর্মজীবনে আরও বরকত এবং জ্ঞান ও গবেষণার মাধ্যমে দ্বীন, দেশ ও মানবতার কল্যাণে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি আমদানিতে সহযোগিতা চান রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২২ পিএম
অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি আমদানিতে সহযোগিতা চান রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন, কারিগরি শিক্ষা, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও জোরদারে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

সাক্ষাৎকালে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার দেশটির গভর্নর জেনারেল মিজ স্যাম মস্টিন এসির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান এবং আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছাপত্র হস্তান্তর করেন। শুভেচ্ছার জন্য রাষ্ট্রপতি গভর্নর জেনারেলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এ সময় রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন। একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি আমদানির সুযোগ তৈরির প্রস্তাব দেন তিনি।

এ ছাড়া অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি অনুসন্ধান, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, চিকিৎসা কৌশল, লজিস্টিকস ও উৎপাদন খাতে অস্ট্রেলিয়ার আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

আগামী নভেম্বরে ক্যানবেরায় অনুষ্ঠেয় সিনিয়র কর্মকর্তাদের বৈঠক ও টিআইএফএ বৈঠক দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশি পেশাজীবীদের জন্য বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল ও অন্যান্য কারিগরি ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ জনশক্তি অভিবাসনের সুযোগকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি বৃত্তি ও অ্যাকাডেমিক বিনিময় কর্মসূচিতে অস্ট্রেলিয়ার অব্যাহত সহযোগিতা এবং ঢাকায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরার একটি ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কর্মশক্তির জন্য কর্মোপযোগী দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার টেকনিক্যাল অ্যান্ড ফার্দার এডুকেশন (টিএএফই) প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর (টিটিসি) সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রপতি। এ ক্ষেত্রে কেয়ারগিভার প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রপতি দীর্ঘস্থায়ী এ সংকটে অস্ট্রেলিয়ার অব্যাহত মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে সংকটের টেকসই সমাধানে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া অংশীদারত্ব ভবিষ্যতে বাস্তব অর্থনৈতিক সুযোগ, দক্ষতা উন্নয়ন, বিনিয়োগ এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও চলাচল বৃদ্ধির ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেবে।

সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার অস্ট্রেলীয় ব্যবসায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, কর সংস্কার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ইতিবাচক রেগুলেটরি ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশে ব্যাংকিং সংস্কারের প্রশংসা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে তার দেশের আগ্রহের কথা জানান।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার ক্লিনটন পবকে।

 

সংবিধানে জুলাই ঘোষণাপত্র স্থায়ীভাবে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৩ পিএম
সংবিধানে জুলাই ঘোষণাপত্র স্থায়ীভাবে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও ঘোষণাপত্রকে সংবিধানে স্থায়ীভাবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব উঠেছে। একই সঙ্গে জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা, গণঅভ্যুত্থানকালে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দ্রুত বিচার এবং আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের দাবিও জানিয়েছেন শহিদ পরিবারের প্রতিনিধি ও আহত জুলাই যোদ্ধারা।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির ষষ্ঠ বৈঠকে এসব প্রস্তাব উঠে আসে। কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অবদান রাখা শহিদ পরিবারের প্রতিনিধি ও আহত জুলাই যোদ্ধারা অংশ নেন। তারা সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

অংশগ্রহণকারীরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি জুলাই ঘোষণাপত্রকে সংবিধানের উপযুক্ত অংশে স্থায়ীভাবে ধারণ করার প্রস্তাব দেন। জুলাই যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও আইনগত জটিলতা নিরসনের পাশাপাশি তাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়েও মতামত দেওয়া হয়।

এ ছাড়া গণঅভ্যুত্থানকালে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানানো হয়। আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বৈঠকে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব উঠে আসে। সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ বিধান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান রাখার বিষয়েও মতামত দেওয়া হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রাজনীতিতে নারীদের জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

আমন্ত্রিত অতিথিদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো কমিটির বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। বৈঠকের আলোচনার বাইরে কারও লিখিত প্রস্তাব থাকলে তা কমিটির কাছে পাঠানোর জন্যও অনুরোধ জানানো হয়।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নূরুল হক এবং সাকিলা ফারজানাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক