রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

একজনের হাতেই একাধিক পাসপোর্ট

মিশরে ২২০ বাংলাদেশি শ্রমিকের আকুতি: বকেয়া বেতন ও পাসপোর্ট জব্দের অভিযোগ

আফছার হোসাইন, মিশর প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৭ পিএম
মিশরে ২২০ বাংলাদেশি শ্রমিকের আকুতি: বকেয়া বেতন ও পাসপোর্ট জব্দের অভিযোগ

মিশরের বন্দরনগরী আলেকজান্দ্রিয়ার একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত প্রায় ২২০ জন বাংলাদেশি শ্রমিক চরম আর্থিক সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। টানা তিন মাস ধরে তাদের বেতন বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি অন্তত ১৬০ জন শ্রমিকের পাসপোর্ট আটকে রাখার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

শ্রমিকদের দাবি, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (পাসপোর্ট নম্বর: A20851591) নামে এক বাংলাদেশি সাব-কন্ট্রাক্টরের মাধ্যমে তারা ‘শাইনলার ইজিপ্ট’ নামের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করছেন। দীর্ঘদিন ধরে বেতন না দেওয়া, পাসপোর্ট ফেরত না দেওয়া, ওয়ার্ক পারমিট করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং পাওনা চাইলে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ রয়েছে ওই সাব-কন্ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে।

​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বকেয়া বেতন ও পাসপোর্ট ফেরত চাইতে গিয়ে কয়েকজন শ্রমিক পুলিশি হয়রানি ও গ্রেপ্তারের হুমকির মুখে পড়েছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

কারখানাটিতে অপারেটর হিসেবে কর্মরত শুভ নামে এক শ্রমিক বলেন, “আমি আব্দুল্লাহর কন্ট্রাক্ট লাইনে সাত মাস ধরে কাজ করছি। প্রথম চার মাসের বেতন পেলেও গত তিন মাসের টাকা বকেয়া রয়েছে। বকেয়া ও পাসপোর্ট ফেরত চাইলে তিনি ভয়ভীতি দেখান এবং পুলিশে ধরিয়ে দিয়ে শারীরিক নির্যাতনের হুমকি দেন।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের অন্তত ১৬০ জনের পাসপোর্ট তাঁর কাছে রয়েছে। তিন মাস ধরে বেতন না থাকায় দেশে পরিবারকে টাকা পাঠানো তো দূরের কথা, এখানে নিজেদের খাবার ও বাসাভাড়ার খরচ চালানোই অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
​আরেক ভুক্তভোগী জানান, গত সপ্তাহে বকেয়া বেতন ও পাসপোর্টের বিষয়ে কথা বলতে ২৫-৩০ জন শ্রমিক কারখানার অফিসে কোয়ালিটি ম্যানেজার মোহাম্মদ সালাহর সঙ্গে দেখা করেন। সালাহ তাদের জানান, অফিসে ৭৫টি পাসপোর্ট রয়েছে এবং তাদের নামে ভিসা হয়েছে। তবে সেই ভিসা দেখাতে তিনি অস্বীকৃতি জানান। বকেয়া বেতনের বিষয়ে সালাহর দাবি, কারখানার পক্ষ থেকে আব্দুল্লাহর সমস্ত পাওনা মেটানো হয়েছে এবং কারখানার কাছে শ্রমিকদের কোনো বকেয়া নেই।

রাদোয়ন উল্লাহ নামের অপর এক শ্রমিক অভিযোগ করে বলেন, “কুমিল্লার বাসিন্দা আব্দুল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে মিশরে বাংলাদেশি শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করছেন। শুরুতে নিয়মিত বেতন দিলেও পরে একসঙ্গে ৫০ থেকে ১০০ জন শ্রমিকের বেতন আটকে দেওয়া তাঁর পুরোনো কৌশল। তিনি শ্রমিকদের পাওনা না দিয়ে আটকে রাখেন এবং পাসপোর্ট জব্দ করেন।”
​অভিযোগ রয়েছে, অধিকার দাবি করলে স্থানীয় পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেওয়া বা কক্ষে আটকে রেখে মারধর করার হুমকি দেওয়া হয়। সাহেব খান নামে এক শ্রমিক বলেন, “আব্দুল্লাহ মিশরে বিয়ে করেছেন। বেতন ও পাসপোর্ট ফেরত চাইলে তিনি স্থানীয় আত্মীয়স্বজনদের দিয়ে আমাদের মারধরের হুমকি দেন। নতুন হওয়ার কারণে অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতে পারছেন না।
এ বিষয়ে ​দূতাবাসের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি
এমতাবস্থায় আটকে থাকা পাসপোর্ট উদ্ধার, বকেয়া বেতন আদায় এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কায়রোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের আকুল আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। প্রবাসীরা জানান, বিদেশের মাটিতে তাদের আইনগত সুরক্ষা ও ন্যায্যতা পেতে দূতাবাসই এখন একমাত্র ভরসা।
​দূতাবাস ও কারখানা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য,যোগাযোগ করা হলে মিশরে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তা জানান, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। সংশ্লিষ্ট সাব-কন্ট্রাক্টর আব্দুল্লাহকে বেশ কয়েকবার ফোন করে দূতাবাসে আসতে বলা হলেও তিনি আসেননি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহায্য নিয়ে পাসপোর্ট উদ্ধার ও সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।

দূতাবাস সূত্রে আরও জানা যায়, ভুক্তভোগী কর্মীরা প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেছেন। আবেদনের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিষয়টি মিশরের প্রচলিত আইন অনুযায়ী কারখানা কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে নিষ্পত্তির আওতায় পড়ে। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
​এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে সাব-কন্ট্রাক্টর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

প্রেক্ষাপট উল্লেখ্য, কিছু বাংলাদেশি নাগরিকের বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়া এবং স্থানীয় বেকারত্ব বৃদ্ধির কারণে ২০১৬ সাল থেকে মিশরে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নবায়ন করা হয়নি। ফলে বাংলাদেশিদের জন্য সরাসরি ওয়ার্ক পারমিট ভিসা মূলত বন্ধ রয়েছে।

​তবে চাহিদা থাকায় অনেকে ভিজিট ভিসায় মিশরে এসে পরবর্তীতে বিভিন্ন কারখানায় কাজ নেন। নির্ধারিত সময়ে ভিসা নবায়ন না করলে তারা অবৈধ হয়ে পড়েন। অবশ্য নিয়োগকর্তার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বাংলাদেশ দূতাবাসের ‘নোট ভারবাল’ সহ আবেদন করলে যাচাই-বাছাই শেষে ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার সুযোগ রয়েছে

স্পেন

বার্সেলোনায় এক সপ্তাহে তৃতীয় ছুরি হামলা, আহত ৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৮ এম
বার্সেলোনায় এক সপ্তাহে তৃতীয় ছুরি হামলা, আহত ৩

বার্সেলোনার সান্ত আন্দ্রেউ এলাকায় পাঁচজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ছুরিকাঘাতে দুইজন আহত হয়েছেন। শনিবার দুপুরে কন্সেপসিও আরেনাল ও সক্রাতেস সড়কের মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত দুজনের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত। তাদের চিকিৎসার জন্য ভাল দে হেব্রন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। তাকে ঘটনাস্থলেই চিকিৎসা দেওয়া হয়।

স্থানীয় সময় দুপুর ৩টার কিছু আগে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। হামলার পর জড়িত ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ঘটনাটি তদন্তে নেমেছে কাতালোনিয়ার পুলিশ মোসোস দেসকাদ্রা।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এই ঘটনা নিয়ে চলতি সপ্তাহান্তে বার্সেলোনায় ছুরি হামলার তিনটি ঘটনা ঘটল।

এর আগে শনিবার সকালে আভেনিদা মেরিদিয়ানায় ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। তার আগের দিন শুক্রবার লা বোরদেতা এলাকায়ও একই ধরনের ঘটনা ঘটে।

এর আগে ২৮ সেপ্টেম্বর গ্রাসিয়ার একটি বিলাসবহুল হোটেলে ছুরিকাঘাতে একজন আহত হন। দিয়া দে লা দিয়াদার সপ্তাহান্তে বার্সেলোনায় ছুরি হামলায় পাঁচজন আহত হয়েছিলেন, যাদের মধ্যে দুজন ছিলেন অপ্রাপ্তবয়স্ক।

এছাড়া ৬ সেপ্টেম্বর গ্রান ভিয়ার একটি অ্যাপার্টমেন্টে এক ব্যক্তি তিনজনকে ছুরিকাঘাত করার পর ভবনের চতুর্থ তলা থেকে নিচে ঝাঁপ দেন। এতে তিনিও গুরুতর আহত হন।

বার্সেলোনায় সর্বশেষ প্রাণঘাতী ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে ২১ জুলাই। সিউতাত ভেয়া এলাকায় সোমোরোস্ত্রো সমুদ্রসৈকতে ছুরিকাঘাতে এক ব্যক্তি নিহত হন। তিনি তার সঙ্গীর বিরুদ্ধে জারি করা আদালতের নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করার পর ওই এলাকায় গিয়েছিলেন।

১০ বছরের সম্পর্কের ইতি, প্রীতম ও শাহতাজের বিচ্ছেদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৫ এম
১০ বছরের সম্পর্কের ইতি, প্রীতম ও শাহতাজের বিচ্ছেদ

প্রীতম ও শাহতাজ। সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ ১০ বছরের সম্পর্ক ও দাম্পত্য জীবনের পর আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রীতম ও শাহতাজ। পারস্পরিক আলোচনা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতেই তারা বৈবাহিক সম্পর্ক শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানিয়েছেন তারা।

বিবৃতিতে প্রীতম ও শাহতাজ জানান, একসঙ্গে কাটানো দীর্ঘ সময়, স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার জন্য তারা দুজনই কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও একে অপরের প্রতি সম্মান ও শুভকামনা থাকবে বলে জানিয়েছেন।

তারা বলেন, সময়ের সঙ্গে তারা বুঝতে পেরেছেন, পারস্পরিক বোঝাপড়ার কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যের কারণে আলাদা পথে এগিয়ে যাওয়াই দুজনের জন্য ভালো হবে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তাদের ভাষ্য, বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তটি হঠাৎ করে নেওয়া হয়নি। নিজেদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা, অনেক চিন্তাভাবনা এবং পরিবারের সমর্থন ও সম্মতির পরই তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। বর্তমানে বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকা প্রীতম ও শাহতাজ জীবনের নতুন অধ্যায় আলাদাভাবে শুরু করতে চান।

এই সময়ে তাদের ব্যক্তিগত জীবন, গোপনীয়তা ও অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখাতে বন্ধু, সহকর্মী ও গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি বিষয়টি সহমর্মিতা ও সম্মানের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন। সবশেষে দীর্ঘদিন পাশে থাকা এবং ভালোবাসা ও সমর্থন দেওয়ার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২৯ অক্টোবর শ্রীমঙ্গলে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে বিয়ে করেন প্রীতম ও শাহতাজ। এর আগে থেকেই তাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের পরও বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একসঙ্গে কাটানো মুহূর্তের ছবি ও স্মৃতি শেয়ার করতে দেখা গেছে তাদের।

‎রাবিতে ছাত্রদলের হামলায় ১০ সাংবাদিক আহত, গুরুতর ৪

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪১ পিএম
‎রাবিতে ছাত্রদলের হামলায় ১০ সাংবাদিক আহত, গুরুতর ৪

সন্ত্রাসী কায়দায় সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের উপর রামদা, চাপাতি, হকি স্টিক, পাইপ, বেজবল ব্যাটসহ দেশীয় অস্ত্র দ্বারা হামলা চালিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল। এতে ৪ সাংবাদিক গুরুতর আহতসহ অন্তত আরও ৬ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন।

‎রোববার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়াউর রহমান হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

‎গুরুতর আহতদের মধ্যে হলেন, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান, আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল ও দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু। এছাড়া আরও ৬ জন সাংবাদিক আহত হন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

‎হামলাকারীরা রাবি ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আহসান হাবীব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম, ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম ও সহ-দপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার আলম অথিসহ ছাত্রদলের প্রায় দশজন নেতাকর্মী হামলা চালায়।

‎সরেজমিনে ও প্রত্যক্ষদর্শীসূত্রে জানা যায়, রোববার রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট থেকে মিছিল নিয়ে হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলামকে মারার উদ্দেশ্যে জিয়াউর রহমান হল গেইটে আসেন ছাত্রদল নেতারা। এসময় তাদের হাতে বস্তা ভর্তি দেশীয় অস্ত্র রামদা, চাপাতি, হকি স্টিক, পাইপ, বেজবল ব্যাটসহ অন্যান্য বিভিন্ন অস্ত্র দেখা যায়।

খবর পেয়ে প্রক্টর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তারা অস্ত্র লুকিয়ে ফেলে। পরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হল গেটে অস্ত্র হাতে দেখতে পেয়ে দৈনিক সমকাল ও আজকের পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ভিডিও করার জন্য এগিয়ে গেলে প্রক্টরের উপস্থিতিতে তারা সমকালের প্রতিনিধিকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটানো শুরু করে; পরে আজকের পত্রিকা প্রতিনিধির মোবাইল কেড়ে নিতে তেড়ে আসে। এক পর্যায়ে সেখানে বিডিনিউজের প্রতিনিধিকেও পেটানো শুরু করে। পরে প্রক্টর সাংবাদিকদের হলের ভিতরে ঢুকিয়ে তালা দেন।

‎সাংবাদিকদের উপর হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সাংবাদিকরা উপস্থিত হলে সেখানে দ্য ডেইলি স্টারের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি, আগামীর সময়ের প্রতিনিধিকে বেধড়ক মারধর করেন। এতে আগামীর সময় প্রতিনিধির মাথা ফেটে যায়। এছাড়াও অন্যান্য সাংবাদিকরা রক্ষা করার জন্য এগিয়ে আসলে তাদের পুঁতে ফেলার হুমকি দেন।

‎বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মাহবুবুর রহমান বলেন, আমরা ব্যর্থ, আমাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। আমরা পুলিশকে ফোন দিয়েছি, কিন্তু পুলিশও ভয়ে পালিয়ে গেছে।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক