মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

‘যার সঙ্গেই থাকুক, সুখে থাকুক’; গোবিন্দকে নিয়ে স্ত্রীর মন্তব্য

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৭ এম
‘যার সঙ্গেই থাকুক, সুখে থাকুক’; গোবিন্দকে নিয়ে স্ত্রীর মন্তব্য

বলিউড অভিনেতা গোবিন্দের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই নানা আলোচনা চলছে। সম্প্রতি অভিনেত্রী কোমল রানি স্বর্ণকারের সঙ্গে মুম্বাইয়ের লালবাগচা রাজার মণ্ডপে গণেশপূজায় অংশ নেন তিনি। ঘটনাটি নতুন করে আলোচনায় আসে, কারণ গোবিন্দ সেখানে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই একই স্থানে পূজা দিতে গিয়েছিলেন তার স্ত্রী সুনীতা আহুজা।

এর আগে একাধিকবার গোবিন্দের বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ তুলেছিলেন সুনীতা। ফলে কোমলের সঙ্গে তার সাম্প্রতিক উপস্থিতি ঘিরে ফের শুরু হয় নানা জল্পনা। এ পরিস্থিতিতে স্বামীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মুখ খুলেছেন সুনীতা।

এক সাক্ষাৎকারে সুনীতা জানান, গোবিন্দ কিংবা তার সহ-অভিনেত্রীকে নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চান না তিনি। তার ভাষায়, গোবিন্দের বিষয়ে বা তার সহ-অভিনেত্রীর বিষয়ে তিনি কিছু বলতে চান না।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তবে স্বামীর জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন সুনীতা। তিনি বলেন, গোবিন্দ ভালো আছেন এবং ঈশ্বর যেন তাকে আশীর্বাদ করেন। অভিনেতা যেভাবে জীবন কাটাতে চান, সেভাবেই যেন কাটান—এমনটাই চান তিনি।

এ ধরনের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে নিজের সময় ও মনোযোগ নষ্ট করতে চান না বলেও জানান সুনীতা। তার ভাষায়, গোবিন্দ যেখানেই থাকুন বা যার সঙ্গেই থাকুন, তিনি যেন সুখে ও ভালো থাকেন—এটাই তার প্রার্থনা।

বর্তমানে নিজের কাজকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন সুনীতা। বারবার কোনো বিতর্কে জড়াতে চান না জানিয়ে তিনি বলেন, তার মূল লক্ষ্য এখন কাজ।

সুনীতার মতে, অন্যের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে সময় নষ্ট না করে প্রত্যেকের নিজের সুখের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

এদিকে সুনীতার এই মন্তব্যের কয়েক দিন আগে গোবিন্দের সঙ্গে আলোচিত সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছিলেন কোমল রানি স্বর্ণকারও। দীর্ঘ এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, সুনীতা বেশ কয়েক বছর ধরে তার স্বামীকে ‘খুন’ করার চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে কোমলের মন্তব্য, যে সংসার আগে থেকেই ভেঙে গেছে, সেটি আর কেউ নতুন করে ভাঙতে পারে না।

অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি আমদানিতে সহযোগিতা চান রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২২ পিএম
অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি আমদানিতে সহযোগিতা চান রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন, কারিগরি শিক্ষা, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও জোরদারে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

সাক্ষাৎকালে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার দেশটির গভর্নর জেনারেল মিজ স্যাম মস্টিন এসির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান এবং আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছাপত্র হস্তান্তর করেন। শুভেচ্ছার জন্য রাষ্ট্রপতি গভর্নর জেনারেলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এ সময় রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন। একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি আমদানির সুযোগ তৈরির প্রস্তাব দেন তিনি।

এ ছাড়া অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি অনুসন্ধান, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, চিকিৎসা কৌশল, লজিস্টিকস ও উৎপাদন খাতে অস্ট্রেলিয়ার আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

আগামী নভেম্বরে ক্যানবেরায় অনুষ্ঠেয় সিনিয়র কর্মকর্তাদের বৈঠক ও টিআইএফএ বৈঠক দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশি পেশাজীবীদের জন্য বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল ও অন্যান্য কারিগরি ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ জনশক্তি অভিবাসনের সুযোগকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি বৃত্তি ও অ্যাকাডেমিক বিনিময় কর্মসূচিতে অস্ট্রেলিয়ার অব্যাহত সহযোগিতা এবং ঢাকায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরার একটি ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কর্মশক্তির জন্য কর্মোপযোগী দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার টেকনিক্যাল অ্যান্ড ফার্দার এডুকেশন (টিএএফই) প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর (টিটিসি) সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রপতি। এ ক্ষেত্রে কেয়ারগিভার প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রপতি দীর্ঘস্থায়ী এ সংকটে অস্ট্রেলিয়ার অব্যাহত মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে সংকটের টেকসই সমাধানে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া অংশীদারত্ব ভবিষ্যতে বাস্তব অর্থনৈতিক সুযোগ, দক্ষতা উন্নয়ন, বিনিয়োগ এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও চলাচল বৃদ্ধির ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেবে।

সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার অস্ট্রেলীয় ব্যবসায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, কর সংস্কার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ইতিবাচক রেগুলেটরি ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশে ব্যাংকিং সংস্কারের প্রশংসা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে তার দেশের আগ্রহের কথা জানান।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার ক্লিনটন পবকে।

 

সংবিধানে জুলাই ঘোষণাপত্র স্থায়ীভাবে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৩ পিএম
সংবিধানে জুলাই ঘোষণাপত্র স্থায়ীভাবে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও ঘোষণাপত্রকে সংবিধানে স্থায়ীভাবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব উঠেছে। একই সঙ্গে জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা, গণঅভ্যুত্থানকালে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দ্রুত বিচার এবং আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের দাবিও জানিয়েছেন শহিদ পরিবারের প্রতিনিধি ও আহত জুলাই যোদ্ধারা।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির ষষ্ঠ বৈঠকে এসব প্রস্তাব উঠে আসে। কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অবদান রাখা শহিদ পরিবারের প্রতিনিধি ও আহত জুলাই যোদ্ধারা অংশ নেন। তারা সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

অংশগ্রহণকারীরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি জুলাই ঘোষণাপত্রকে সংবিধানের উপযুক্ত অংশে স্থায়ীভাবে ধারণ করার প্রস্তাব দেন। জুলাই যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও আইনগত জটিলতা নিরসনের পাশাপাশি তাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়েও মতামত দেওয়া হয়।

এ ছাড়া গণঅভ্যুত্থানকালে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানানো হয়। আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বৈঠকে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব উঠে আসে। সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ বিধান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান রাখার বিষয়েও মতামত দেওয়া হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রাজনীতিতে নারীদের জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

আমন্ত্রিত অতিথিদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো কমিটির বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। বৈঠকের আলোচনার বাইরে কারও লিখিত প্রস্তাব থাকলে তা কমিটির কাছে পাঠানোর জন্যও অনুরোধ জানানো হয়।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নূরুল হক এবং সাকিলা ফারজানাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

ইতালি পাঠানোর নামে জাল ভিসায় মালয়েশিয়া, মানব পাচার চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৭ পিএম
ইতালি পাঠানোর নামে জাল ভিসায় মালয়েশিয়া, মানব পাচার চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার

ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে জাল ভিসার মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় পাচার এবং ২১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মানব পাচারকারী চক্রের মূল হোতাসহ দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), নরসিংদী।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে পিবিআই নরসিংদী জেলা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে পিবিআই নরসিংদী জেলার ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার ড. এস. এম. ফরহাদ হোসেনের দিকনির্দেশনায় পরিচালিত অভিযানে গাজীপুর ও নরসিংদী থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন গাজীপুর সদর উপজেলার তিতারকুল এলাকার সুবোধ চন্দ্র দাস (৩১) এবং নরসিংদী সদর উপজেলার শিমুল চন্দ্র দাস (৩৭)। সুবোধ চন্দ্র দাসকে এই পাচার চক্রের মূল হোতা এবং শিমুলকে তার অন্যতম সহযোগী বলে জানিয়েছে পিবিআই।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম আব্দুর রউফকে ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে ইতালি পাঠানোর চুক্তিতে রাজি করান আসামিরা। ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে এ চুক্তি হয়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ৪ জুন আসামিরা ভিকটিমকে ইতালি না পাঠিয়ে জাল কাগজপত্র ও ভুয়া ভিসার মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় পাঠান। মালয়েশিয়া বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে ভিসা জালিয়াতি ধরা পড়লে সেখান থেকে তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

পরবর্তীতে ভিকটিম আসামিদের বিষয়টি জানালে তারা পুনরায় ইতালি পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে আরও টাকা দাবি করেন। রউফ ইতালি যাওয়ার আশায় দফায় দফায় মোট ২১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা আসামিদের দেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে ইতালি পাঠাতে ব্যর্থ হয়ে টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

পরে ভিকটিম আব্দুর রউফ বাদী হয়ে নরসিংদী মডেল থানায় মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন এবং পেনাল কোডের সংশ্লিষ্ট ধারায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। মামলাটি নরসিংদী মডেল থানার মামলা নম্বর-০৯, তারিখ ৩ অক্টোবর ২০২৬। মামলাটি পিবিআইয়ের সিডিউলভুক্ত হওয়ায় গত ৫ অক্টোবর পিবিআই স্ব-উদ্যোগে তদন্তভার গ্রহণ করে। এসআই (নিঃ) মো. ইয়াসিন, পিপিএমকে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

তদন্তকারী দলের প্রধান পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) আবুল খায়েরের নেতৃত্বে পিবিআইয়ের একটি দল গাজীপুর থেকে মূল হোতা সুবোধকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভোর সাড়ে ৩টায় নরসিংদীর টাউয়াদী থেকে সহযোগী শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত দুই আসামিই নরসিংদীর বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে মানব পাচারের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।

 

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক