থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘর্ষ থামাতে আবারও ফোন দিতে পারেন ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে চলমান সীমান্ত সংঘর্ষ নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। বুধবার দুই দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালানোর অভিযোগ তোলে। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, প্রয়োজন হলে তিনি আবারও ফোন করে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার চেষ্টা করবেন।
সোমবার থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষের জন্য উভয় দেশই পরস্পরকে দায়ী করছে। কয়েক মাস ধরে চলা উত্তেজনার কূটনৈতিক সমাধান নিয়েও দুই পক্ষের অবস্থান ভিন্ন।
থাই সামরিক বাহিনীর দাবি, বুধবার কম্বোডিয়ার সেনারা ছোড়া রকেট সুরিন জেলার একটি হাসপাতালের কাছে গিয়ে পড়েছে। এতে রোগী ও চিকিৎসাকর্মীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে হয়।
কম্বোডিয়া সরকার এ ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য না দিলেও মুখপাত্র পেন বোনা জানান, নমপেন শান্তি চায় এবং দেশটি কেবল আত্মরক্ষার অবস্থানে রয়েছে।
পেনসিলভানিয়ার এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতে তাঁকে আবারও ফোন করতে হতে পারে। তিনি দাবি করেন, পাকিস্তান-ভারত এবং ইসরাইল-ইরানের মতো দ্বন্দ্ব মীমাংসায়ও তিনি ভূমিকা রেখেছেন। ট্রাম্প বলেন, “থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার মধ্যকার লড়াই থামানোর জন্য আমার ছাড়া আর কেউ ফোন দেবে না।”
রয়টার্সকে দেওয়া এক মন্তব্যে থাই সরকারের মুখপাত্র সিরিপং আংকাসাকুলকিয়াত জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো যোগাযোগ হয়নি। তার মতে, আলোচনার উদ্যোগ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে শুরু হওয়া উচিত নয়; প্রথমে কম্বোডিয়াকে তাদের অবস্থান বদলাতে হবে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার অনুরোধ জানাতে হবে।
অন্যদিকে, কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেতের এক উপদেষ্টা জানান, নমপেন যে কোনো সময় আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। তবে থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার বলেন, তিনি আলোচনার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না এবং বর্তমান পরিস্থিতি তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার জন্যও অনুকূল নয়।
বুধবার নিজেদের নাগরিকদের নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করে কম্বোডিয়া থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় গেমস থেকে তাদের অ্যাথলেটদের প্রত্যাহার করে নেয়।













