মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

যুক্তরাজ্যে স্থায়ী বসবাসের নিয়মে বড় পরিবর্তন, অপেক্ষা ১০ বছর

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৯ এম
যুক্তরাজ্যে স্থায়ী বসবাসের নিয়মে বড় পরিবর্তন, অপেক্ষা ১০ বছর

যুক্তরাজ্যে বৈধ অভিবাসীদের স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পাওয়ার নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে দেশটির সরকার। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, সাধারণ অভিবাসীদের ইনডেফিনিট লিভ টু রিমেইন (আইএলআর) পেতে আগের পাঁচ বছরের পরিবর্তে ১০ বছর অপেক্ষা করতে হবে। তবে নির্দিষ্ট আয় ও পেশাগত যোগ্যতা থাকলে কিছু অভিবাসী তুলনামূলক কম সময়েই এ অনুমতি পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

সোমবার ওয়েস্টমিনস্টারের হাউস অব কমন্সে নতুন অভিবাসন নীতির চূড়ান্ত রূপরেখা প্রকাশ করেন ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ। স্থায়ী বসবাসের অনুমতির নিয়মের পাশাপাশি শরণার্থী আইনেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

আইএলআর পাওয়ার পর বিদেশি নাগরিকেরা যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাস, চাকরি ও পড়াশোনা করতে পারেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা পাওয়ার আইনি অধিকারও অর্জন করেন তাঁরা।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

নতুন নিয়মে সাধারণ স্কিলড ওয়ার্কারসহ অন্যান্য বৈধ ভিসাধারীদের স্থায়ী বসবাসের যোগ্যতা অর্জনের জন্য যুক্তরাজ্যে টানা ১০ বছর বৈধভাবে বসবাস ও কাজ করতে হবে। তবে বছরে ১ লাখ ২৫ হাজার পাউন্ডের বেশি আয় করা উচ্চ দক্ষ অভিবাসীরা তিন বছরেই আইএলআরের আবেদন করার সুযোগ পাবেন। আর বছরে ৫০ হাজার ২৭১ পাউন্ডের বেশি আয় করা কর্মীদের পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স ও শিক্ষকদের জন্য অপেক্ষার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ বছর।

অন্যদিকে, ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করলে অথবা নির্দিষ্ট কিছু সরকারি ভাতা দাবি করলে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়ার অপেক্ষা বেড়ে ২০ বছর পর্যন্ত হতে পারে। ছোট নৌকায় অবৈধভাবে যুক্তরাজ্যে প্রবেশকারীদের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা ২০ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হতে পারে।

তবে কেয়ার ও সোশাল কেয়ার খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য চূড়ান্ত নীতিমালায় বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। ২০২৫ সালের মে মাসের আগে এসব ভিসায় যুক্তরাজ্যে যাওয়া কর্মীরা আগের নিয়ম অনুসারে পাঁচ বছর পূর্ণ হলেই আইএলআরের আবেদন করতে পারবেন। তবে তাঁদের ভিসার শর্ত মেনে চলতে হবে এবং আবেদনের আগের ১২ মাসে বার্ষিক আয় কমপক্ষে ২৫ হাজার পাউন্ড হতে হবে।

২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত প্রাথমিক প্রস্তাবে কেয়ার কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পেতে ১৫ বছর অপেক্ষা করার পরিকল্পনা ছিল। তবে রাজনৈতিক ও সামাজিক পর্যায়ে বিরোধিতার মুখে চূড়ান্ত নীতিমালায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সরকার। একই সঙ্গে কম আয়ের অন্যান্য বৈধ কর্মীদের জন্যও ১৫ বছর অপেক্ষার বিধান রাখা হয়নি।

আগের নিয়মে নির্দিষ্ট কিছু ভিসায় টানা পাঁচ বছর যুক্তরাজ্যে বসবাস করলে অনেক বৈধ অভিবাসী স্থায়ী বসবাসের আবেদন করতে পারতেন। নতুন নীতিতে সরকার বলছে, আইএলআর কোনো স্বয়ংক্রিয় অধিকার নয়। বরং অভিবাসীদের যোগ্যতা ও দেশের প্রতি অবদানের ভিত্তিতে এই মর্যাদা অর্জন করতে হবে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নাম গত সপ্তাহে বলেছিলেন, আইএলআর এমন একটি অধিকার, যা যোগ্যতার মাধ্যমে অর্জন করতে হয়। সরকারের দাবি, বিপুলসংখ্যক বৈধ অভিবাসী স্থায়ী বসবাসের যোগ্যতার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মাইগ্রেশন অ্যাডভাইজরি কমিটির তথ্য উল্লেখ করে শাবানা মাহমুদ বলেন, এসব অভিবাসীকে আজীবন সরকারি সুযোগ-সুবিধা দিতে যুক্তরাজ্যের করদাতাদের প্রায় ১০ বিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় হতে পারে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, গত চার দশকে যুক্তরাজ্যে যে পরিমাণ অভিবাসন হয়েছে, ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যেই প্রায় সমপরিমাণ অভিবাসন ঘটেছে। তাঁর আশঙ্কা, আগামী পাঁচ বছরে হেলথ অ্যান্ড সোশাল কেয়ার ভিসায় আসা প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার কম দক্ষ কর্মী এবং তাঁদের নির্ভরশীল ব্যক্তিরা স্থায়ী বসবাসের যোগ্য হয়ে উঠতে পারেন।

নতুন অভিবাসন সংস্কার নিয়ে বছরব্যাপী গণপরামর্শে দুই লাখের বেশি মতামত জমা পড়েছে। তবে নীতিমালা ঘোষণার আগেই লেবার পার্টির ভেতরে ও বাইরে এ উদ্যোগের বিরোধিতা শুরু হয়।

রিফর্ম ইউকের নেতা নাইজেল ফারাজ বলেন, যারা নিট অভিবাসনের সংখ্যা ঋণাত্মক পর্যায়ে দেখতে চান, তাঁদের ক্ষুব্ধ হওয়াই স্বাভাবিক। তিনি আইএলআর ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বাতিল করার পাশাপাশি অতীতে দেওয়া স্থায়ী বসবাসের মর্যাদা প্রত্যাহারেরও দাবি জানান।

অন্যদিকে, কনজারভেটিভ দলের ছায়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস ফিলপ অভিযোগ করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রেনার এবং লেবার পার্টির উন্মুক্ত সীমান্তপন্থি অংশের চাপে সরকার নতি স্বীকার করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, নতুন নীতির ফলে লাখ লাখ স্বল্প আয়ের ও উপার্জনহীন অভিবাসী যুক্তরাজ্যে আজীবন বসবাস এবং সরকারি ভাতা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

 

সংবিধান সংশোধন কমিটির দশম বৈঠকে তরুণদের মতামত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:২০ পিএম
সংবিধান সংশোধন কমিটির দশম বৈঠকে তরুণদের মতামত

সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির দশম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অবদান রাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন কমিটির সদস্যরা।

মতবিনিময় সভায় কমিটির সদস্য ও চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, জয়নুল আবেদীন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নূরুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন অংশ নেন।

আলোচনায় সংবিধানে শিক্ষা ও চিকিৎসাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা, জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা, গণঅভ্যুত্থানের দাবি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন এবং জুলাই সনদের টেকসই বাস্তবায়নের বিষয়গুলো উঠে আসে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যমান ক্ষমতা, নারী ও শিশুর সুরক্ষা, জরুরি অবস্থাসংক্রান্ত বিধান, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা এবং গণভোট নিয়েও আলোচনা হয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বৈঠকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। যুগে যুগে তরুণরাই জাতিকে পথ দেখিয়েছে উল্লেখ করে তরুণদের কল্যাণে জনবান্ধব সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে একটি যুগোপযোগী সংবিধান প্রণয়নের বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

এ সময় আরও বলা হয়, জুলাই সনদে স্পষ্টভাবে ‘সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে সংস্কার’-এর কথা উল্লেখ রয়েছে। সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে অপপ্রচারের বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য তরুণদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

নিজের মেয়ে নেই, তবু ১৫ মেয়ের ‘বাবা’ সাজ্জাদ পারভেজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:২৮ পিএম
নিজের মেয়ে নেই, তবু ১৫ মেয়ের ‘বাবা’ সাজ্জাদ পারভেজ

নিজের ঘরে কন্যাসন্তান না থাকলেও ১৫ জন সুবিধাবঞ্চিত মেয়ের জীবনে পরম আশ্রয়ের প্রতীক হয়ে উঠেছেন সাজ্জাদ পারভেজ। দীর্ঘ ১৬ বছরে আশ্রয়হীন ও অস্বচ্ছল ১৫ মেয়ের বিয়ের পাশাপাশি তাদের জীবনের প্রতিটি সংকটে বাবার মতো পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।

সাজ্জাদ পারভেজ বর্তমানে সরকারি একটি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পূর্বে সামাজিক প্রতিবন্ধী মেয়েদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আশ্রয়হীন মেয়েদের সঙ্গে তাঁর গভীর আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ইয়াসমিন ও খালেকের বিয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই মানবিক যাত্রায় তিনি একে একে তানজিলা, রহিমা, বৃষ্টি, তামান্নাসহ ১৫ মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করেন এবং প্রতিটি বিয়েতে ‘উকিল বাবা’ হিসেবে দায়িত্ব নেন।

সাধারণত বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার পর দায়িত্ব শেষ হলেও সাজ্জাদ পারভেজের ক্ষেত্রে তা হয়নি। নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি মেয়েরা অসুস্থ হলে বা সন্তান প্রসবের মতো জরুরি মুহূর্তে রক্ত জোগাড় থেকে শুরু করে সব ধরনের সহযোগিতা করেছেন তিনি। বিবাহবিচ্ছেদের পর অসুস্থ রিয়া নামের এক মেয়ের চিকিৎসাসহ এক মাসের বাজার দিয়েও পাশে দাঁড়িয়েছেন এই মানবিক মানুষ।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

অনুভূতির কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে তানজিলা জানান, বিপদের মুহূর্তে তাঁদের মাথার ওপর ছায়া হিসেবে পাশে থাকেন তিনি। সাজ্জাদ পারভেজ বলেন, নিজের একটি মাত্র ছেলে থাকলেও এই মেয়েদের মাধ্যমে তিনি কন্যাসন্তানের অভাব পূরণ করেছেন এবং তাদের বিপদকে নিজের সন্তানের বিপদ হিসেবে দেখেন।

রক্তের সম্পর্কের ঊর্ধ্বে উঠে দায়িত্ব, ত্যাগ আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসায় গড়া সাজ্জাদ পারভেজের এই জীবনঘনিষ্ঠ গল্প সমাজে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।

 

হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৮

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:২৪ পিএম
হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৮

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৩১৮ জন। এ সময়ে ৮২ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৮২৩ জনে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৩১৮ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৫৪৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন পাঁচজন। এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

১৫ মার্চ থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ১৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামজনিত কারণে মারা গেছেন ১০৫ জন।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন মোট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ জন হাম রোগী।

 

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক