রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

জাইমা রহমানের জন্মদিন আজ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২২ এম
জাইমা রহমানের জন্মদিন আজ

আজ ২৫ অক্টোবর ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন। ১৯৯৫ সালের এই দিনে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যা জাইমা রহমান আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নিয়ে পেশাগত জীবন শুরু করেছেন। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

জাইমা রহমানের পারিবারিক পরিচয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় জড়িয়ে আছে। তাঁর দাদা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দাদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। নানা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানও দেশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

শৈশবে ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পড়াশোনা করেন জাইমা। ২০০৮ সালে বাবা তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে চলে যান তিনি। পরে যুক্তরাজ্যের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১৯ সালে ইনার টেম্পল থেকে ব্যারিস্টার ডিগ্রি লাভ করেন। ২০২৬ সালের জুনে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হন বলে প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

আইনপেশায় যুক্ত হয়ে তিনি সাংবিধানিক আইন, করপোরেট ও বাণিজ্যিক বিষয় এবং করসংক্রান্ত আইনি বিষয়ে কাজ করেছেন। পেশাগত অভিজ্ঞতার অংশ হিসেবে দেশের একটি আইন প্রতিষ্ঠানে কাজ করার কথাও জানা যায়।

রাজনৈতিক অঙ্গনেও জাইমা রহমানের অংশগ্রহণ রয়েছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্টে বিএনপির প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে অংশ নেন তিনি। ওই সফরে দলের তৎকালীন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীও ছিলেন। একই বছরের নভেম্বরে বিএনপির একটি সভায় প্রথমবারের মতো যোগ দেন জাইমা।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির কার্যালয়ে আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। সেখানে আন্তর্জাতিক আইনি বিষয় নিয়ে কাজ করছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

পেশাগত কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজেও যুক্ত রয়েছেন জাইমা রহমান। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা নিয়ে কাজ করা সংস্থা সুরভীর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। শিক্ষা, সুশাসন, বিচারপ্রার্থীদের অধিকার, লিঙ্গসমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির মতো বিষয়েও তাঁর আগ্রহ রয়েছে বলে জানা যায়। জন্মদিনে শুভানুধ্যায়ীরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, সাফল্য ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ কামনা করছেন।

স্পেন

বার্সেলোনায় আন্দোলনের আড়ালে দোকান ভাংচুর ও লুটপাট করেছে কারা?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২৫ পিএম
বার্সেলোনায় আন্দোলনের আড়ালে দোকান ভাংচুর ও লুটপাট করেছে কারা?

বার্সেলোনার কেন্দ্রস্থলে আন্দোলনের আড়ালে দোকানপাট ভাঙচুর ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে পণ্য লুটের ঘটনায় জড়িতদের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে লুটপাট ও ভাঙচুরে জড়িতদের এক করে দেখার সুযোগ নেই। কোনো আন্দোলনে অংশ নেওয়া আর সেই আন্দোলনের সুযোগে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।

গত ২৪ অক্টোবর প্লাসা কাতালুনিয়াসহ বার্সেলোনার কেন্দ্রীয় এলাকায় তরুণদের একটি জমায়েতকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর, দোকানে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ অভিযান চালায় এবং বহু ব্যক্তিকে আটক করে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

স্পেনের সংবাদমাধ্যম এল পাইসের ২৫ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটক, টেলিগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তরুণদের জড়ো করা হয়েছিল। প্রতিবেদনে কিছু গোষ্ঠীর বার্তায় দোকান লুট এবং পুলিশের নজর এড়িয়ে চলার নির্দেশ থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অনেক তরুণকে কালো পোশাক ও মুখ ঢাকা অবস্থায় দেখা গেছে। তবে পোশাক বা বাহ্যিক চেহারা দিয়ে কারও রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা অপরাধে জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা যায় না।

 

আন্দোলনের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ‘ব্যবস্থার বিরুদ্ধে’ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক প্রতিবাদের স্লোগান সামনে এলেও, ঘটনাটি কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা ছাত্রসংগঠনের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। ফ্রান্সে তরুণদের সাম্প্রতিক বিক্ষোভের প্রভাবও থাকতে পারে বলে কর্তৃপক্ষের ধারণার কথা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

আটকের সংখ্যা নিয়েও বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। এল পাইসের প্রতিবেদনে ১২৮ জনকে আটকের কথা বলা হয়েছে, যাদের মধ্যে ৭২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক। তবে আটক ব্যক্তিদের সবাই লুটপাটে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন কি না, তা আলাদা করে যাচাই করা প্রয়োজন।

ঘটনার পর আরেকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে- লুটপাটে জড়িতরা স্পেনের স্থানীয় তরুণ, নাকি অভিবাসী? এখন পর্যন্ত আটক ব্যক্তিদের জাতীয়তা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভরযোগ্য সরকারি তথ্য স্পষ্ট নয়। ফলে প্রমাণ ছাড়া তাদের কোনো নির্দিষ্ট জাতীয়তা বা অভিবাসী পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত করা সমীচীন হবে না।

সব মিলিয়ে, এই ঘটনায় বিক্ষোভের উদ্দেশ্য, সম্ভাব্য সংগঠক এবং ভাঙচুর ও লুটপাটে সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় আলাদাভাবে নির্ধারণ করা জরুরি। আন্দোলনের নামে অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে তার দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরই নিতে হবে। একই সঙ্গে, অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ ছাড়া সব আন্দোলনকারীকে দায়ী করাও যুক্তিসংগত নয়। তদন্তের ফলই শেষ পর্যন্ত স্পষ্ট করবে, কারা বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন এবং কারা সেই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে লুটপাটে জড়িয়েছিলেন।

সাংবাদিকদের মুক্তির দাবিতে তুরস্কে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৫ পিএম
সাংবাদিকদের মুক্তির দাবিতে তুরস্কে বিক্ষোভ

সাংবাদিকদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং সংবাদ প্রচারে কঠোর সরকারি বিধিনিষেধের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে তুরস্ক। স্বাধীন সাংবাদিকতা নিশ্চিত করা এবং কারাবন্দি গণমাধ্যমকর্মীদের মুক্তির দাবিতে শনিবার (২৪ অক্টোবর) দেশটির দুই প্রধান শহর ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারায় বিক্ষোভে অংশ নেন হাজারো মানুষ।

সম্প্রতি তুরস্কে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা, কারাদণ্ড, ডিজিটাল মাধ্যমে প্রবেশে বিধিনিষেধ এবং স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে সরকারি প্রশাসক নিয়োগের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এর প্রতিবাদে শনিবার ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারার বিভিন্ন সড়কে মিছিল ও সমাবেশ করেন বিক্ষোভকারীরা। এতে মূলত সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

পুলিশ ও আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই শহরে অন্তত তিন হাজার মানুষ সমবেত হন। এ সময় কারাবন্দি সাংবাদিকদের ছবি হাতে নিয়ে বিক্ষোভকারীরা ‘আমাদের কণ্ঠরোধ করা যাবে না’ এবং ‘আমরা চাপের কাছে মাথা নত করব না’ বলে স্লোগান দেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তুর্কি সাংবাদিক ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসে দেশটির কর্তৃপক্ষ ১১ জন সাংবাদিককে কারারুদ্ধ করেছে এবং কয়েকটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। এর আগে সরকারের সমালোচনা করায় দেশটির সর্বাধিক দর্শকপ্রিয় সংবাদ চ্যানেল ‘হাল্ক টিভি’তে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। একই সঙ্গে চ্যানেলটিতে সরকার-নিযুক্ত প্রশাসক বসানো হয়। এ ছাড়া ‘এলজিবিটি প্রচারণা’র অভিযোগে শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম ‘টি২৪’-এর ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া প্রবীণ সাংবাদিক ও কলামিস্ট জাফের আরাবকিরলি বলেন, ‘এই সমাবেশ শুধু সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য নয়, বরং স্বাধীন গণমাধ্যমের মাধ্যমে সমাজের সঠিক তথ্য জানার অধিকার রক্ষার লড়াই।’

তুর্কি সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি গোকান দুরমুস অভিযোগ করেন, সরকার সংবাদমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সমাজে একপেশে ধারা ও একক কণ্ঠস্বর প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।

আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে কারাবন্দি সাংবাদিক ইসমাইল আরির একটি চিঠি পড়ে শোনানো হয়। সিনকান কারাগার থেকে পাঠানো চিঠিতে তিনি জানান, সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালন করা ছাড়া অন্য কোনো অপরাধ না করেও তাঁকে আটক রাখা হয়েছে। এভাবে তাঁর জীবনের দিনগুলো কেড়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সাংবাদিকতা রক্ষায় সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে আরি বলেন, সংবিধান মেনে সাংবাদিকদের যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, তুরস্কের সম্প্রচার নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান আবুবকির শাহিনের অভিযোগের ভিত্তিতে সরকারি কর্মকর্তাকে অপমান এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে চলতি মাসে ইসমাইল আরিকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাত মাসের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হলো।

বিজয়-রাশমিকার সম্পর্ক নিয়ে নতুন জল্পনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৩ পিএম
বিজয়-রাশমিকার সম্পর্ক নিয়ে নতুন জল্পনা

দক্ষিণী তারকা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানার সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইনস্টাগ্রামে বিজয়ের অনুসরণ করা অ্যাকাউন্টের তালিকা ফাঁকা থাকায় তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়েছে। কেউ কেউ বিচ্ছেদের গুঞ্জনও তুলেছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসরণ করার তালিকা থেকে তাঁদের সম্পর্কে কোনো সমস্যা রয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো প্রমাণ নেই।

সম্প্রতি বিজয়ের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে দেখা যায়, তিনি কোনো অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করছেন না। সেই তালিকায় স্ত্রী রাশমিকাও নেই। অন্যদিকে, রাশমিকা এখনো ইনস্টাগ্রামে বিজয়কে অনুসরণ করছেন। ফলে দুজন পরস্পরকে অনুসরণ করা বন্ধ করেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে দাবি ছড়িয়েছে, প্রোফাইলের তথ্যের সঙ্গে তার মিল নেই।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এক ব্যবহারকারী দাবি করেন, বিজয় ও রাশমিকা একে অন্যকে অনুসরণ করা বন্ধ করেছেন। তাঁদের সম্পর্কে কোনো সমস্যা তৈরি হয়েছে কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি। তবে আরেক ব্যবহারকারীর দাবি, তাঁরা কখনোই পরস্পরকে অনুসরণ করতেন না। অন্য একজন সতর্ক করে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাউকে অনুসরণ করা বন্ধ করলেই যে তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে সমস্যা রয়েছে, তা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। বিজয়ের অনুসরণ করা অ্যাকাউন্টের তালিকায় কারও নাম না থাকাকে কেন্দ্র করে জল্পনা ছড়ালেও, এটি তাঁদের দাম্পত্যে টানাপোড়েনের প্রমাণ নয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ইনস্টাগ্রাম ঘিরে এই আলোচনার মধ্যেই নতুন করে সামনে এসেছে ‘কফি উইথ করণ ৯’ অনুষ্ঠানে বিজয় ও রাশমিকার উপস্থিতির প্রসঙ্গ। সেখানে নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাশমিকা জানান, প্রায় এক বছর ধরে তিনি বিজয়কে বিয়ের কথা বলেছিলেন। সেই সময়ের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বিজয়কে বারবার বলতেন, চলো, বিয়ে করি।

রাশমিকার এই বক্তব্যের পর বিজয় রসিকতা করে বলেন, বিষয়টি প্রকাশ্যে আসায় তাঁকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল করা হবে। পরে এ নিয়ে অনলাইনে আলোচনা শুরু হয়। তাঁদের সম্পর্ক কীভাবে বিয়ের দিকে এগিয়েছে, তা নিয়ে কেউ কেউ বিজয়ের সমালোচনাও করেন।

এখন পর্যন্ত বিজয় ও রাশমিকার সম্পর্কে অবনতি কিংবা বিচ্ছেদের বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। তাঁদের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলের তথ্য অনুযায়ী, বিজয় কাউকেই অনুসরণ করছেন না। অন্যদিকে, রাশমিকা এখনো তাঁকে অনুসরণ করছেন। তাই শুধু ইনস্টাগ্রামের অনুসরণ তালিকা কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মন্তব্যের ভিত্তিতে তাঁদের দাম্পত্যে সমস্যা বা বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে সত্য বলে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।

 

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক