লংমার্চে বাধা দিলে প্রতিহতের হুঁশিয়ারি ১১ দলের
আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচির আয়োজন করতে যাচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্য। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-গ্যাস-সার সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের দাম কমানো, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার মতো ছয় দফা দাবিতে এই কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।
লংমার্চের বহরে কোনো ধরনের বাধা এলে তা পার হয়েই চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে পৌঁছানোর সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন জোট নেতারা। কৃত্রিম যানজট তৈরি করে কিংবা বালু বা খালি ট্রাক দিয়ে পথ আটকে দেওয়া হলে কঠোরভাবে তা প্রতিহত করারও ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
সোমবার রাজধানীর আল ফালাহ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার জনদুর্ভোগ কমানো ও সংকট সামলাতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি অসংবেদনশীল আচরণ ও হামলার ঘটনা ঘটছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ হিসেবে সরকার এই লংমার্চে কোনো বাধা দেবে না। কর্মসূচিতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পূর্ণ সহযোগিতা চেয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, কোনো আক্রমণ বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হলে সরকারের প্রতি জনগণের অনাস্থা আরও প্রকট হবে।
কর্মসূচি অনুযায়ী, ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় শাপলা চত্বরের সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখে রওনা দেবে লংমার্চ বহর। যাত্রা পথে নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লার পদুয়া বাজার, ফেনীর মহিপাল ও চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।













