প্রথম সরকারি সফরে কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী
সরকারপ্রধান হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সকালে গুলশানের বাসভবন থেকে পাকুন্দিয়ার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। দিনব্যাপী সফরে কিশোরগঞ্জ সদরসহ তিনটি উপজেলায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।
প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ মো. উজ্জ্বল হোসেন স্বাক্ষরিত সফরসূচি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
সফরের শুরুতে পাকুন্দিয়া উপজেলায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল সাড়ে ১১টায় মির্জাপুর চেয়ারম্যানবাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করবেন তিনি। একই স্থানে মৎস্যচাষিদের মধ্যে পোনা বিতরণ ও স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
এরপর কটিয়াদী উপজেলায় যাবেন তারেক রহমান। দুপুর সাড়ে ১২টায় সেখানে কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করবেন। পরে দুপুর ১টায় আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন মাঠে আয়োজিত জাতীয় মৎস্যপক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
দুপুর আড়াইটার দিকে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম উদ্বোধনের পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
বিকেল ৪টায় কিশোরগঞ্জ পুরাতন স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন তিনি। এ সময় মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানি প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী।
সফরসূচি অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৬টায় কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।
প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিভিন্ন এলাকায় প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান ১৯৯৮ সালে প্রথমবার কিশোরগঞ্জ সফর করেন। ওই সময় তিনি ভৈরব ও কুলিয়ারচরে একাধিক পথসভা ও জনসভায় অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে চলতি বছরের ২২ জানুয়ারিও ভৈরবে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কিশোরগঞ্জে এবারই তাঁর প্রথম সফর।










