শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মালয়েশিয়া জুড়ে ড্রোন ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা ইমিগ্রেশন বিভাগের

আহমাদুল কবির মালয়েশিয়া প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ২:৪৯ পিএম
মালয়েশিয়া জুড়ে ড্রোন ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা ইমিগ্রেশন বিভাগের

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) দেশজুড়ে নজরদারি ও আইন প্রয়োগকারী অভিযান আরও কার্যকর করতে প্রতিটি রাজ্যে পৃথক ড্রোন ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করছে।
শুক্রবার, ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, এ পরিকল্পনার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে বর্তমানে প্রতিটি রাজ্যের ইমিগ্রেশন বিভাগের এনফোর্সমেন্ট শাখায় প্রশিক্ষিত ড্রোন অপারেটর প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারি কার্যক্রম শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ২০২১ সালে ছোট আকারের কয়েকটি ড্রোন সংগ্রহের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন বিভাগে ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে ক্রমবর্ধমান আইন প্রয়োগকারী অভিযানের প্রয়োজন বিবেচনায় আরও ড্রোন সরঞ্জাম যুক্ত করা হয়।
জাকারিয়া বলেন, বর্তমানে দেশের সব ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট শাখা বিভিন্ন অভিযান ও অভিযানে ড্রোন ব্যবহার করছে। এই প্রযুক্তি ইমিগ্রেশন বিভাগের সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে অভিযান চলাকালে আকাশপথে নজরদারি করা, কর্মকর্তাদের ঝুঁকি কমানো এবং পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা বা লুকিয়ে থাকা সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা সহজ হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অভিযানের স্থান ও প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভর করে প্রায় সব ধরনের ইমিগ্রেশন অভিযানে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এদিকে মালয়েশিয়ার পেনাং রাজ্যের বান্দার তাসেক মুতিয়ারা এলাকায় একটি নির্মাণ সাইটে মেগা অভিযান পরিচালনা করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএমপি)।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা অংশ নেন। অভিযানটি পরিচালনা করে পেনাং রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএমপিপি)।
অভিযানে সহযোগিতা করে কেদাহ রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগ, পেনাং জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ (জেপিএন), পেনাং শ্রম বিভাগ (জেটিকে) এবং সেবেরাং পেরাই সিটি কাউন্সিল (এমবিএসপি)।অভিযানে পেনাং রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক শামসুল ফিত্রি বিন আহমাদ, উপ-পরিচালক (ব্যবস্থাপনা) সাঞ্জিথারান আল ম্যাথাভান, উপ-সরকারি কৌঁসুলি ইয়াপ তসু শেং, এনফোর্সমেন্ট বিভাগের প্রধান আহমাদ ফিত্রি বিন আহমাদ রাবুদি এবং অপারেশন ইউনিটের প্রধান ইজহাম বিন ইদ্রিসসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্মাণ সাইটে কর্মরত বিদেশি নাগরিক ও নিয়োগকর্তাদের বৈধ কাগজপত্র যাচাই করা এবং ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩, ইমিগ্রেশন রুলস ১৯৬৩সহ সংশ্লিষ্ট আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত করা।

অভিযানে আইন ভঙ্গকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জেআইএমপি। তবে এ অভিযানে কতজন অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে তা জানানো হয়নি।

পেনাং ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসী (পিএটিআই) নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়োগকর্তাদের দেশের আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতে এ ধরনের সমন্বিত অভিযান ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে এবং জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক