শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মালয়েশিয়ায় শ্রমিকের সুরক্ষায় পারকেসোর বড় ভূমিকা

আহমাদুল কবির মালয়েশিয়া প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:২৫ এম
মালয়েশিয়ায় শ্রমিকের সুরক্ষায় পারকেসোর বড় ভূমিকা

মালয়েশিয়ার অনেক কর্মীর কাছে সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থা পারকেসো-তে দেওয়া অর্থ কেবল মাসিক বেতনের স্লিপে একটি নিয়মিত কাটতি হিসেবেই দেখা যায়। এতে হাতে পাওয়া বেতন কিছুটা কমে গেলেও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই ব্যবস্থাটি কর্মীদের চাকরি হারানো, অক্ষমতা, কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা এবং দীর্ঘমেয়াদি আয় সংকটের সময় গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা দিয়ে থাকে।

শুধু মালয়েশিয়ান নাগরিকই নয়, দেশটিতে কর্মরত বিদেশি শ্রমিকরাও এখন পারকেসোর আওতায় রয়েছেন। ২০১৯ সাল থেকে বিদেশি কর্মীদের জন্য “এমপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম” বাধ্যতামূলক করা হয় এবং ২০২৪ সালের জুলাই থেকে “ইনভ্যালিডিটি স্কিম”ও চালু করা হয়েছে।

মালয়েশিার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশটিতে প্রায় ৮ লাখের বেশি বৈধ বাংলাদেশি অস্থায়ী কর্মসংস্থান পাসধারী কর্মী রয়েছেন। বাংলাদেশ বর্তমানে মালয়েশিয়ায় নিম্নদক্ষ বিদেশি শ্রমিকের সবচেয়ে বড় উৎস দেশগুলোর একটি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

পারকেসোর তথ্য অনুযায়ী, বৈধ পাসধারী বিদেশি কর্মীদের নিবন্ধন এবং মাসিক চাঁদা জমা দেওয়া নিয়োগকর্তাদের জন্য বাধ্যতামূলক। এর আওতায় নির্মাণ, উৎপাদন, বাগান, কৃষি, সেবা এবং গৃহকর্মী খাতের লাখ লাখ বিদেশি শ্রমিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

বর্তমানে ন্যূনতম মজুরি ১,৭০০ রিঙ্গিত পাওয়া একজন কর্মী প্রতি মাসে পারকেসোতে ৮.৫০ রিঙ্গিত এবং এমপ্লয়মেন্ট ইন্স্যুরেন্স সিস্টেম (ইআইএস)-এ ৩.৪০ রিঙ্গিত অবদান রাখেন। অন্যদিকে নিয়োগকর্তারা পারকেসোতে ২৯.৭৫ রিঙ্গিত এবং ইআইএস-এ আরও ৩.৪০ রিঙ্গিত জমা দেন।

সেন্টার ফর ফিউচার লেবার মার্কেট স্টাডিজের অর্থনীতিবিদ ঝারিফ লুকমান হাশিম বলেন, অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে কর্মীদের জন্য মৌলিক সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

তিনি জানান, কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার পাশাপাশি পারকেসোর “এমপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম” কর্মস্থলে যাতায়াতের সময় দুর্ঘটনায় আহত হলেও সুরক্ষা দেয়। এছাড়া “ইনভ্যালিডিটি স্কিম” অক্ষমতা বা মৃত্যুর ঘটনায় সার্বক্ষণিক সুরক্ষা প্রদান করে।

অন্যদিকে ইআইএস চাকরি হারানো কর্মীদের জন্য অস্থায়ী আর্থিক সহায়তা ও নতুন চাকরি খুঁজে পেতে সহায়তা দেয়। এ ব্যবস্থার আওতায় পুনর্বাসন সহায়তা, ডায়ালাইসিস চিকিৎসা, কৃত্রিম অঙ্গ (প্রস্থেটিকস) এবং কাজে ফিরে যাওয়ার বিশেষ কর্মসূচিও রয়েছে।

ঝারিফ বলেন, বেসরকারি বিমার তুলনায় পারকেসো একটি বাধ্যতামূলক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা, যেখানে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যঝুঁকির ভিত্তিতে নয় বরং সম্মিলিত তহবিল ও বেতনের ভিত্তিতে অবদান নির্ধারণ করা হয়। ফলে কম আয়ের কর্মী কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিরাও এই সুরক্ষা থেকে বাদ পড়েন না।

তার ভাষায়, শুধু চিকিৎসা খরচ বহন করলেই সমস্যার সমাধান হয় না। দুর্ঘটনা বা অসুস্থতার পর অধিকাংশ পরিবারের সবচেয়ে বড় সংকট হয় আয় বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং কাজ করার সক্ষমতা হারানো। তিনি আরও বলেন, আহত কর্মীদের পুনরায় কর্মসংস্থানে ফিরিয়ে এনে আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতেও পারকেসো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

মালয়েশিয়ান ইনস্টিটিউট অব ইকোনমিক রিসার্চের সিনিয়র ফেলো আজিজুল আমিলুদ্দিন বলেন, পারকেসোর মতো সামাজিক বিমা ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে বেসরকারি বিমা পুরোপুরি কার্যকর হতে পারে না। তার মতে, ঝুঁকিপূর্ণ পেশার কর্মীদের ক্ষেত্রে যদি শুধু বেসরকারি বিমার ওপর নির্ভর করতে হতো, তাহলে তাদের অনেক বেশি প্রিমিয়াম দিতে হতো।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মালয়েশিয়ায় বয়স্ক জনগোষ্ঠী বাড়তে থাকায় সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপও বাড়ছে। ২০২৫ সালে দেশটিতে ৬৫ বছর ও তদূর্ধ্ব নাগরিকের হার মোট জনসংখ্যার ৮ শতাংশে পৌঁছেছে, যা আগের বছর ছিল ৭.৬ শতাংশ।

আজিজুল বলেন, প্রবীণদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রাখতে উৎসাহিত করার নীতি ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তবে তাদের শারীরিক সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কাজের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় বৃদ্ধি, জনসংখ্যাগত পরিবর্তন এবং অবদানকারীর সংখ্যা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা ভবিষ্যতে এই ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

বর্তমানে পারকেসোর অবদানের হার ২.২৫ শতাংশ, যা প্রতিষ্ঠার পর থেকে অপরিবর্তিত রয়েছে। টেকসই ব্যবস্থা হিসেবে অবদানের হার না বাড়িয়ে বরং বেতনের সর্বোচ্চ সীমা ৫,০০০ রিঙ্গিত থেকে বাড়িয়ে ৬,০০০ রিঙ্গিত করা হয়েছে।

ঝারিফ বলেন, পারকেসোকে শুধু বেতনের কাটতি হিসেবে না দেখে শ্রমশক্তির স্থিতিশীলতায় দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে দেখা উচিত।

আজিজুলের মতে, এমন সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকলে আর্থিক ও সামাজিক চাপ শেষ পর্যন্ত পরিবার এবং সরকারি কল্যাণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরই এসে পড়বে। তিনি বলেন, সামাজিক বিমাকে শুধু ব্যক্তিগত খরচ হিসেবে দেখা উচিত নয়; এটি সামাজিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সহনশীলতার জন্য একটি সম্মিলিত বিনিয়োগ।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক