শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

পর্তুগালে দারিদ্র্যতা কমলেও বৈষম্য রয়ে গেছে

পর্তুগাল প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৩:০০ পিএম
পর্তুগালে দারিদ্র্যতা কমলেও বৈষম্য রয়ে গেছে

পর্তুগালে সামগ্রিক দারিদ্র্যের হার কমলেও সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে বলে উঠে এসেছে নতুন এক গবেষণা প্রতিবেদনে। “পর্তুগাল, সামাজিক ভারসাম্য ২০২৫” শীর্ষক গবেষণায় বলা হয়েছে, গত দুই বছরে দেশটিতে দারিদ্র্যের ঝুঁকি কমে ১৫.৪ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে একই সময়ে বহু মানুষ এখনো চরম বস্তুগত ও সামাজিক বঞ্চনার মধ্যে জীবনযাপন করছে।

দেশটির উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান “নোভা স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকস” (নোভা এসবিই)-এর গবেষকদের প্রস্তুত করা এই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৩ সালে যেখানে দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের হার ছিল ১৭ শতাংশ, তা ২০২৫ সালে কমে ১৫.৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। গবেষকরা বলছেন, এটি ইতিবাচক অগ্রগতি হলেও সমাজের বিভিন্ন স্তরে এখনো গভীর কাঠামোগত দুর্বলতা রয়ে গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুদ্রাস্ফীতি সমন্বয়ের পর দেশটির গড় ব্যয়যোগ্য আয় ২০১৪ সালের ৯ হাজার ৮৫৬ ইউরো থেকে বেড়ে ২০২৪ সালে ১৪ হাজার ৯৫১ ইউরোতে পৌঁছেছে। অর্থাৎ এক দশকে জনগণের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা প্রায় ২৫.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সবচেয়ে কম আয়ের মানুষের মধ্যেই আয়ের তুলনামূলক বৃদ্ধি বেশি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তবে এই উন্নতির পরও বেকার জনগোষ্ঠী, একক অভিভাবক পরিবার এবং স্বল্পশিক্ষিত মানুষের মধ্যে দারিদ্র্যের হার এখনো অনেক বেশি। গবেষণায় দেখা গেছে, বেকারদের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ৪২.৬ শতাংশ, একক অভিভাবক পরিবারের মধ্যে ৩৫.১ শতাংশ।

শিশুদের পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। ২০২৪ সালে প্রায় ৩ লাখ ১ হাজার শিশু দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৬৫ বছরের বেশি বয়সী প্রায় ৫ লাখ ৪১ হাজার মানুষও দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে রয়েছেন।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, দেশের সবচেয়ে ধনী ১০ শতাংশ মানুষ দরিদ্রতম ১০ শতাংশের তুলনায় প্রায় আট গুণ বেশি আয় করে। অন্যদিকে সবচেয়ে ধনী ২৫ শতাংশ জনগোষ্ঠীর হাতে দেশের মোট আয়ের ৪৬.৫ শতাংশ কেন্দ্রীভূত রয়েছে।

 দরিদ্র শিশুদের প্রায় ৩০ শতাংশ সামাজিক ও বস্তুগত বঞ্চনার মধ্যে বেড়ে উঠছে। তাদের অনেকেই নিয়মিত শিক্ষাবহির্ভূত কার্যক্রমে অংশ নিতে পারে না এবং এক-তৃতীয়াংশের বেশি শিশু অতিরিক্ত জনাকীর্ণ বাসস্থানে বসবাস করছে।

প্রতিবেদনটি সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির ইতিবাচক প্রভাবও তুলে ধরেছে। গবেষকদের মতে, সরকারি সামাজিক সহায়তা না থাকলে দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়ে ৪০.৩ শতাংশে পৌঁছাতে পারত। “সামাজিক অন্তর্ভুক্তি আয়” কর্মসূচির আওতায় ২০২৫ সালে প্রায় ২ লাখ ১৪ হাজার মানুষ সুবিধা পাবেন, যাদের উল্লেখযোগ্য অংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক।

আঞ্চলিক বৈষম্যের ক্ষেত্রেও স্পষ্ট পার্থক্য দেখা গেছে। আলেন্তেজো অঞ্চলে দেশের সর্বোচ্চ দারিদ্র্যের হার ১৭.৯ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে। বিপরীতে বৃহত্তর লিসবনে এই হার সর্বনিম্ন, ১২.২ শতাংশ। এছাড়া আজোরস ও মাদেইরা অঞ্চলে বস্তুগত ও সামাজিক বঞ্চনার মাত্রা তুলনামূলক বেশি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবায়ও বৈষম্যের চিত্র স্পষ্ট। বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে দন্ত চিকিৎসা সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এক-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষ জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা পেলেও তা সময়মতো বা পর্যাপ্ত ছিল না।

কর্মসংস্থানের বাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেলেও নারী-পুরুষের মজুরি বৈষম্য এখনো রয়ে গেছে। গবেষণা অনুযায়ী, একজন পুরুষ প্রতি এক ইউরো আয় করলে সমপর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা একজন নারী গড়ে ৫৭ থেকে ৭২ সেন্ট পর্যন্ত আয় করেন।

গবেষণার উপসংহারে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক দুর্বলতা মানুষের সামাজিক ও রাজনৈতিক মনোভাবেও প্রভাব ফেলছে। আর্থিক সংকটে থাকা মানুষদের মধ্যে রাষ্ট্র ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থাহীনতা বেশি এবং তারা দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি হতাশাবাদী।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক