শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

আবেদন সময়সীমা বৃদ্ধি, সন্তানের নাগরিকত্বেও নতুন শর্ত

পর্তুগালে ইউরোপের অন্যতম কঠোর নাগরিকত্ব আইন কার্যকর

পর্তুগাল প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ২:৪৬ এম
পর্তুগালে ইউরোপের অন্যতম কঠোর নাগরিকত্ব আইন কার্যকর

পর্তুগালে নাগরিকত্ব অর্জনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে নতুন জাতীয়তা আইন আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে। সোমবার দেশটির সরকারি গেজেট ডিয়ারিও দা রিপাবলিকা-তে আইনটি প্রকাশিত হওয়ার পর মঙ্গলবার (১৯ মে) থেকে তা কার্যকর হয়। নতুন এই আইনের ফলে নাগরিকত্ব আবেদনের জন্য বৈধ বসবাসের সময়সীমা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পর্তুগালে জন্ম নেওয়া অভিবাসী সন্তানদের নাগরিকত্ব পাওয়ার নিয়মেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নতুন বিধান অনুযায়ী, পর্তুগিজ ভাষাভাষী দেশগুলোর জোট সিপিএলপিভুক্ত দেশের নাগরিকদের এখন পর্তুগিজ নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে কমপক্ষে সাত বছর বৈধভাবে বসবাস করতে হবে। এর বাইরে অন্যান্য দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে এ সময়সীমা বাড়িয়ে ১০ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে অধিকাংশ আবেদনকারীর জন্য পাঁচ বছর বৈধ বসবাসের নিয়ম কার্যকর ছিল।

আইনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এখন থেকে নাগরিকত্বের সময় গণনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র বৈধ রেসিডেন্স পারমিট ইস্যুর তারিখ বিবেচনা করা হবে। অর্থাৎ, রেসিডেন্স অনুমোদনের অপেক্ষার সময় আর নাগরিকত্বের যোগ্যতার সময়সীমার মধ্যে গণনা করা হবে না। ফলে অনেক অভিবাসীর নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও দীর্ঘ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

পর্তুগালে জন্মগ্রহণকারী বিদেশি নাগরিকদের সন্তানদের ক্ষেত্রেও নতুন শর্ত আরোপ করা হয়েছে। আগে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সহজে পাওয়া গেলেও এখন সন্তানের জন্মের সময় বাবা বা মায়ের অন্তত একজনকে টানা পাঁচ বছর বৈধভাবে পর্তুগালে বসবাস করতে হবে। অন্যথায় সন্তান স্বয়ংক্রিয়ভাবে পর্তুগিজ নাগরিকত্ব পাবে না।

এছাড়া, পর্তুগালে জন্ম নেওয়া নাবালকদের নাগরিকত্বের জন্য স্বাভাবিকীকরণ প্রক্রিয়ার আওতায় যেতে হবে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক স্কুল শিক্ষায় অংশগ্রহণের শর্তও যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন আইনে নিরাপত্তা ও অপরাধ সংক্রান্ত যাচাই আরও কঠোর করা হয়েছে। সন্ত্রাসবাদ, সংঘবদ্ধ অপরাধ কিংবা গুরুতর অপরাধে তিন বছরের বেশি কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব আবেদন বাতিল করা হতে পারে। একই সঙ্গে জাতীয়তা প্রক্রিয়ায় বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত সেফার্ডিক ইহুদিদের বংশধরদের জন্য বিশেষ নাগরিকত্ব সুবিধাও এই আইনের মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছে।

তবে ইতোমধ্যে চলমান আবেদনগুলোর ক্ষেত্রে আগের নিয়ম কার্যকর থাকবে বলে আইনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, যেসব আবেদন ইতোমধ্যে প্রশাসনিকভাবে জমা হয়েছে, সেগুলো পূর্ববর্তী আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি হবে এবং নতুন নিয়ম পূর্বের তারিখ থেকে কার্যকর হবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই আইন পর্তুগালের অভিবাসন ও নাগরিকত্ব নীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সরকার বলছে, জাতীয়তা প্রদানের ক্ষেত্রে “বাস্তব সংযুক্তি” ও “দীর্ঘমেয়াদি একীভূতকরণ” নিশ্চিত করতেই এসব পরিবর্তন আনা হয়েছে

কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে ঢামেকে দুই হাজতির মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৫ এম
কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে ঢামেকে দুই হাজতির মৃত্যু

কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে দুই হাজতির মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তাদের মৃত্যু হয়।

তারা হলেন- মোহাম্মদ ইফতেখার মাহমুদ (৩৬) ও মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসাইন পলাশ (৩৮)।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

কারারক্ষী আমিনুল ইসলাম জানায়, ইফতেখার মাহমুদের হাজতি (হাজতি নম্বর-২৯৬৯২/২৬) হিসেবে কারাগারে ছিলেন। তার বাবার নাম মাহবুব আলম, বাসা রাজধানীর মিরপুরের পীরেরবাগে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর কারাগারের ভেতরেই তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। ওইদিনই তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসক তাকে মেডিসিন বিভাগের ৬০১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাত ৯ টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে কারারক্ষী মাসুম জানান, হাজতি তোফাজ্জল হোসাইন পলাশের বাবার নাম আলী হোসেন।বাসা দারুস সালাম থানার বাগবাড়ী এলাকায়। তার হাজতি নম্বর ৪৫৬৫/এ। বুধবার রাতেই হঠাৎ করে কারাগারে অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন তিনি। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে তাকে ঢামেকে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

তবে তারা কোন মামলায় কারাবন্দি ছিলেন, সে বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ কিছু জানায়নি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বাংলাদেশী ইমামের হাতে কোরিয়ান তরুণীর ইসলাম গ্রহণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৩ এম
বাংলাদেশী ইমামের হাতে কোরিয়ান তরুণীর ইসলাম গ্রহণ

কোরিয়ার আনসান মসজিদের নিয়মতান্ত্রিক বাংলাদেশী ইমাম ও খতীব মুফতী ফয়জুল্লাহ আমানের হাতে কোরিয়ান তরুণীর ইসলাম গ্রহণ করেছেন।

শুক্রবার ((২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) মুফতী ফয়জুল্লাহ আমানের হাতে কোরিয়ান তরুণী কিম চিন ইসলাম গ্রহণ করেছেন।

মুফতী ফয়জুল্লাহ আমান দৈনিক আমার বার্তাকে বলেন, আলহামদুলিল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ! আজ কিছুক্ষণ আগে (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার) আনসান মসজিদে এক কোরিয়ান তরুণী ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তিনি তাঁর এক বন্ধুর সঙ্গে মসজিদে ঘুরতে এসেছিলেন। খুব সংক্ষেপে আল্লাহ তাআলা, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং ইসলামের মৌলিক পরিচয় তার কাছে উপস্থাপন করলাম।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

কোরিয়ান তরুণী কিছু প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলেন উল্লেখ করে মুফতী ফয়জুল্লাহ আমান বলেন, কোরিয়ান এই তরুণ কিছু প্রশ্ন করার পর আমি এসবের জবাব তাকে শোনালাম। জবাব পেয়ে এই তরুণী অনেক খুশি হলেন। আর কোনো বিলম্ব করলেন না। ইসলামের কালেমা পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করলেন।

তিনি বলেন, ইসলাম গ্রহণের পর তার মুসলিম নাম রাখা হয় আয়েশা। তার কোরিয়ান নাম ছিল কিম চি।

প্রসঙ্গত আয়েশা এখন একজন কাজাখ মুসলিমকে বিয়ে করবেন। তবে বিয়ের জন্যই ইসলাম গ্রহণ করেছেন এমন নয় বলে জানিয়েছেন তিনি।

মুফতী ফয়জুল্লাহ আমান বলেন, ইসলাম প্রকৃতিগতভাবেই সরল ও সহজাত ধর্ম। অথচ ভুল ধারণা ও অপপ্রচারের কারণে অনেক অমুসলিম ইসলামকে ভয় পান। সুন্দর আচরণ, আন্তরিকতা ও সহজ ভাষায় ইসলামের প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরলে সেই ভয় ও ভুল ধারণা দূর করা সম্ভব।

তিনি বলেন, কোরিয়ার মাটিতে ইসলামের দাওয়াহর এমন সুন্দর মুহূর্তগুলো আমাদের অনুপ্রাণিত করে। আল্লাহ তাআলা আমাদের নবমুসলিম বোন আয়েশাকে ঈমানের ওপর অটল রাখুন এবং তাঁর জীবনকে শান্তি ও কল্যাণে পরিপূর্ণ করুন।

ডেঙ্গুতে ২৫ দিনে ১১৪ মৃত্যু, চলতি বছরে আক্রান্ত ৭০ হাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০১ এম
ডেঙ্গুতে ২৫ দিনে ১১৪ মৃত্যু, চলতি বছরে আক্রান্ত ৭০ হাজার

গেল পঁচিশ দিনে ১১৪ জন ডেঙ্গুতে মারা গিয়েছেন। আক্রান্ত হয়েছেন চলতি বছরে আক্রান্ত ৭০ হাজার জন মানুষ। এদিকে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই ডেঙ্গুতে মৃত্যু সবচেয়ে বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের ২৫ দিনেই ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে ৯৫৫ জন গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৭০ হাজার ১০৪ জন। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত দুজনই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৬৪ হাজার ৮২৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। এদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছে ৯৫৩ জন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের এই ২৫ দিনে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের মাসে অর্থাৎ আগস্টে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ছিল ৪৩ জনের। এ ছাড়া জুলাই মাসে ৩৬, জুনে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এদিকে মে মাসে ১, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে দুজন করে মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক