শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বৈঠক: শ্রম, বাণিজ্য ও শিক্ষায় সহযোগিতা জোরদারে ঐকমত্য

আহমাদুল কবির মালয়েশিয়া প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩৪ পিএম
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বৈঠক: শ্রম, বাণিজ্য ও শিক্ষায় সহযোগিতা জোরদারে ঐকমত্য

মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ায় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে উচ্চপর্যায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করার বিষয়ে জোরালো ঐকমত্য গড়ে উঠেছে। বৈঠকে শ্রমবাজার ব্যবস্থাপনা, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পায়।

বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের কার্যালয়ে বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, এমপি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিন এবং মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বৈঠকের শুরুতেই মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা সম্পর্কে উচ্চ প্রশংসা করেন। আনোয়ার ইব্রাহিম উল্লেখ করেন, দক্ষিণ এশিয়ার একটি উদীয়মান অর্থনীতি হিসেবে বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে।

এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন এবং তার একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি হস্তান্তর করেন। চিঠিতে দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

বৈঠকের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল শ্রমবাজার ও জনশক্তি ব্যবস্থাপনা। মালয়েশিয়ায় বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী নিয়োজিত থাকায় এ খাতটি দুই দেশের সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। উভয় পক্ষ শ্রমিকদের সুরক্ষা, ন্যায্য মজুরি এবং কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে মধ্যস্বত্বভোগী দালালচক্রের দৌরাত্ম্য কমিয়ে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং কার্যকর নিয়োগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে উভয় দেশ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

আলোচনায় উঠে আসে, প্রযুক্তিনির্ভর রিক্রুটমেন্ট প্রক্রিয়া চালু করা এবং সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) পদ্ধতি আরও শক্তিশালী করা গেলে শ্রমিক নিয়োগে অনিয়ম ও অতিরিক্ত খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ নিয়েও বৈঠকে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ সন্তোষজনক হলেও তা আরও বাড়ানোর ব্যাপারে উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, উৎপাদন শিল্প, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং হালাল শিল্পে যৌথ বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়।

শিক্ষা খাতেও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে দুই দেশ একমত পোষণ করে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি, যৌথ গবেষণা এবং একাডেমিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ের সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর জোর দেওয়া হয়। মালয়েশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ বৃদ্ধি এবং বৃত্তি কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, শিক্ষা খাতে এই সহযোগিতা দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে।

বৈঠকের এক পর্যায়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে মালয়েশিয়া সফরের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের সফর দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সহায়ক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকের শেষে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা ভবিষ্যতে শ্রম, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিক্ষা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক শুধু আনুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, বরং দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বিশেষ করে শ্রমবাজারে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং শিক্ষা খাতে সহযোগিতা—এই তিনটি ক্ষেত্রেই বাস্তবমুখী অগ্রগতি অর্জিত হলে তা উভয় দেশের অর্থনীতি ও জনগণের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

সব মিলিয়ে, পুত্রজায়ার এই বৈঠক বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক