শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

পর্তুগালে টিভিডিই(উবের/ভোল্ট) আইনে বড় সংশোধনের পথে: ভাষা, স্থায়ী সিলসহ কি পরিবর্তন আসছে?

পর্তুগাল প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৮:৩৮ এম
পর্তুগালে টিভিডিই(উবের/ভোল্ট) আইনে বড় সংশোধনের পথে: ভাষা, স্থায়ী সিলসহ কি পরিবর্তন আসছে?

পর্তুগালে টিভিডিই (ড্রাইভারসহ হালকা যানবাহনে যাত্রী পরিবহন) খাত নিয়ন্ত্রণকারী আইন ৪৫/২০১৮ সংশোধনে পিএসডি ও সিডিএস-পিপি’র প্রস্তাব সংসদে সাধারণ পর্যায়ে অনুমোদন পেয়ে বিশেষায়িত কমিটিতে পাঠানো হয়েছে, যেখানে প্যান ও ইনিসিয়াটিভা লিবারেলের (আইএল) প্রস্তাব বাতিল হয়েছে।

টিভিডিই কার্যক্রমের আইনি কাঠামো নির্ধারণকারী আইন ৪৫/২০১৮ সংশোধনে পিএসডি এবং সিডিএস-পিপি উভয় দলের প্রকল্প সংসদে সাধারণ পর্যায়ে অনুমোদিত হয়েছে এবং এখন অবকাঠামো, গতিশীলতা ও আবাসনবিষয়ক সংসদীয় কমিটি (১৪ নম্বর কমিটি) এ বিস্তারিত আলোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে। পিএসডি–র প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় পিএসডি, চেগা ও সিডিএস-পিপি; বিপক্ষে ভোট দেন পিএস, লিভরে, পিসিপি, ব্লোকো দে এসকুয়ের্দা (বিই), প্যান ও জেপিপি, আর ইনিসিয়াটিভা লিবারেল (আইএল) এই ভোটে বিরত থাকে। অন্যদিকে সিডিএস-পিপি–র প্রস্তাবটি গৃহীত হয় পিএসডি, চেগা ও সিডিএস-পিপি–র সমর্থনে; পিএস, প্যান, জেপিপি ও আইএল ভোটে বিরত থাকে, আর লিভরে, পিসিপি ও বিই এর বিপক্ষে অবস্থান নেয়।

এর পাশাপাশি মাদেইরা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের আইনসভা থেকেও আইন ৪৫/২০১৮–র ৩২–এ ধারাটি পরিবর্তনের একটি আলাদা প্রকল্প পাস হয়েছে, যা টিভিডিই বাজারে প্রবেশের নিয়মে দ্বীপাঞ্চলের জন্য বিশেষ বিধান তৈরির কথা বলে। এই আঞ্চলিক প্রকল্পটির পক্ষে অধিকাংশ দল ভোট দিলেও আইএল এর বিপক্ষে এবং পিসিপি বিরত থাকে; প্রস্তাবটি একইভাবে ১৪ নম্বর কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

পর্যবেক্ষকদের মতে, পিএসডি–র প্রকল্পের মাধ্যমে আইন ৪৫/২০১৮ কার্যকর হওয়ার পর থেকে টিভিডিই খাতের ওপর এটি হতে যাচ্ছে সবচেয়ে বড় পর্যালোচনা ও কাঠামোগত সংস্কার। প্রায় সাত বছর আগে প্রণীত এই আইনটিকে প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, প্ল্যাটফর্ম অর্থনীতির বিকাশ, বাজার সম্প্রসারণ এবং নিরাপত্তা ও তদারকির নতুন চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য করতে পিএসডি প্রায় ২০টি কাঠামোগত সংশোধন প্রস্তাব করেছে, যা চালক, অপারেটর, প্ল্যাটফর্ম, ব্যবহারকারী এমনকি ট্যাক্সি খাত পর্যন্ত বিস্তৃত প্রভাব ফেলতে পারে।

পিএসডি–র প্রস্তাবে সবচেয়ে আলোচিত পরিবর্তনের একটি হলো ট্যাক্সি এবং টিভিডিই খাতের মধ্যে সমন্বয়ের পথ খুলে দেওয়া। তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী, ট্যাক্সি পরিচালনা করার লাইসেন্সধারী কোম্পানিগুলোও টিভিডিই অপারেটর হিসেবে লাইসেন্স নিতে পারবে এবং একই গাড়িকে একদিকে ট্যাক্সি, অন্যদিকে সময়ভেদে টিভিডিই হিসেবে নিবন্ধিত করে ব্যবহার করা যাবে, পাবলিক সার্ভিসের বাধ্যতামূলক সময়সূচির বাইরে টিভিডিই মোডে চলাচল করবে। এ ব্যবস্থা আধুনিকায়নের যুক্তিতে পিএসডি ও আইএল সমর্থন করলেও, ট্যাক্সি ও টিভিডিই উভয় সেক্টরের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনগুলো এটি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে এবং বলেছে, এতে বাজারের সামঞ্জস্য আরও বিঘ্নিত হতে পারে।

তদারকি ও নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে পিএসডির খসড়ায় বর্তমান অপসারণযোগ্য স্টিকারের পরিবর্তে স্থায়ী হলোগ্রাফিক সিলের মাধ্যমে প্রতিটি টিভিডিই গাড়ির অনন্য শনাক্তকরণ চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে বাধ্যতামূলক প্যানিক বাটন, কিউআর কোডসহ অন্যান্য উন্নত নিরাপত্তা ফিচার, যাতে যাত্রীরা দ্রুত তথ্য যাচাই ও জরুরি পরিস্থিতিতে সাহায্য চাইতে পারেন। একই সঙ্গে সব প্ল্যাটফর্মকে আইএমটি (ইনস্টিটিউটো দা মোবিলিদাদে ই দো ট্রান্সপোর্টেস)–এর একটি নতুন ডাটাবেসের সঙ্গে রিয়েল–টাইম কানেকশনের বাধ্যবাধকতা আনা হবে, যাতে গাড়ি, চালক ও লাইসেন্স সংক্রান্ত নথি ও শর্তাবলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা যায়।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, পিএসডির প্রস্তাবে শাস্তিমূলক ও তদারকি ব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করে আইএমটি, এএমটি (অথরিদাদে দা মোবিলিদাদে ই দোস ট্রান্সপোর্টেস), পিএসপি, জিএনআর এবং শ্রম পরিদর্শন কর্তৃপক্ষের মধ্যে স্পষ্টভাবে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রতিটি ধরনের লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কোন সংস্থা ব্যবস্থা নেবে তা আইনেই নির্দিষ্ট থাকে। একই সঙ্গে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলগুলিকে তাদের স্থানীয় বাস্তবতা অনুযায়ী কিছু নিয়ম সামঞ্জস্য করার ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে, তবে শর্ত হচ্ছে এসব বিধান হতে হবে সমানুপাতে, বৈষম্যহীন এবং ইউরোপীয় আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

ট্যারিফ কাঠামোর ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত রয়েছে। বর্তমানে আইন অনুযায়ী, ডায়নামিক প্রাইসিং থাকলেও কোনো প্ল্যাটফর্ম গড় ট্যারিফের ১০০ শতাংশের বেশি বাড়াতে পারে না, অর্থাৎ উচ্চ চাহিদার সময়েও দাম গড়ের দ্বিগুণের বেশি হতে পারে না। পিএসডি এবং আইএল উভয় দল এই সীমা তুলে দেওয়ার প্রস্তাব করেছে, যুক্তি হিসেবে তারা বলছে, বাজারের যোগান–চাহিদা অনুযায়ী দাম ওঠানামা করতে দিলে বেশি চাহিদার সময় আরও বেশি চালক সেবা দিতে উৎসাহী হবে এবং কৃত্রিম সীমা সরিয়ে নেওয়া উচিত।

ভাষা ও ব্যবহারকারী সুরক্ষার ক্ষেত্রে, পিএসডি–র খসড়া আইনে যাত্রীর অনুরোধে পর্তুগিজ ভাষায় কথা বলতে সক্ষম চালক পাওয়ার বিকল্প রাখার কথা বলা হয়েছে; অন্যদিকে সিডিএস–পিপি আরও এক ধাপ এগিয়ে এই সেক্টরে কাজ করতে ইচ্ছুক চালকদের জন্য পর্তুগিজ ভাষায় সাবলীলতা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া, পিএসডি গাড়ির ভেতর ও বাইরে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রস্তাব করেছে এবং অনুমোদনযোগ্য যানবাহনের তালিকা বাড়িয়ে তিন ও চার চাকার কিছু বন্ধ যান (ট্রাইসাইকেল, কোয়াড্রিসাইকেল ও বক্সসহ মপেড) পর্যন্ত সম্প্রসারণের কথা বলেছে।

অন্যদিকে, প্যান দলের বিল নং ৪৬১/XVII/১, যা আইন ৪৫/২০১৮ প্রণয়নের সময় না থাকা এবং বর্তমানে কিছু অপারেটর কর্তৃক স্বেচ্ছায় ব্যবহৃত নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেমন প্যানিক বাটন, লোকেশন শেয়ারিং, বিশ্বস্ত পরিচিতির সঙ্গে রিয়েল টাইম রাইড শেয়ারিং এবং ‘রাইড চেক’ ধরনের রুট অ্যানোমালি ডিটেকশন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করেছিল, তা সংসদে নাকচ হয়ে গেছে। পিএসডি, পিএস, আইএল ও সিডিএস–পিপি এর বিপক্ষে ভোট দেয়, আর পিসিপি ও বিই ভোটে বিরত থাকে। টিভিডিই পরিষেবার আরও উদারীকরণের লক্ষ্যে আইএল-এর আলাদা বিলও সংসদে গৃহীত হয়নি; পিএসডি, পিএস, লিভরে, পিসিপি, সিডিএস-পিপি, বিই, প্যান এবং জেপিপি এর বিরুদ্ধে ভোট দেয়, চেগা ভোটে বিরত থাকে।

একই বিষয়ে সমাজতান্ত্রিক দল পিএস এবং বাম ব্লক বিই–র উপস্থাপিত খসড়াগুলোও ভোটাভুটিতে টিকে থাকতে পারেনি। পিএস এর প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয় পিএসডি, চেগা, আইএল ও সিডিএস–পিপি; পিসিপি ভোটে বিরত থাকে। অপরদিকে বিইর খসড়া প্রস্তাবের বিরোধিতা করে পিএসডি, চেগা, পিএস, আইএল ও সিডিএস–পিপি, আর পিসিপি আবারও বিরত থাকে।

টিভিডিই খাতের কয়েকটি প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা ইতিমধ্যেই আশঙ্কা জানিয়েছে, প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলো বাস্তবায়িত হলে বাজারে আরও বেশি ‘ডিরেগুলেশন’ বা নিয়ন্ত্রণ শিথিলতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে এবং বিশেষ করে ট্যাক্সি ও টিভিডিইর মধ্যকার সীমারেখা ঝাপসা হওয়ায় কর্মসংস্থান ও শ্রম পরিস্থিতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এখন বিশেষায়িত কমিটিতে ধারাভিত্তিক আলোচনা ও সংশোধনের পর চূড়ান্ত ভোটের আগে খাতের প্রতিনিধিদের মতামত কীভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়, সেটিই হবে নজরকাড়া বিষয়।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক