শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সেগার পোস্টার মামলা খারিজ: ভেন্তূরার চোখে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জয়

পর্তুগাল প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৯ এম
সেগার পোস্টার মামলা খারিজ: ভেন্তূরার চোখে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জয়

পর্তুগালে বাংলাদেশ ও রোমা (সিগানো) সম্প্রদায়কে ঘিরে সেগা পার্টির বিতর্কিত পোস্টার নিয়ে করা অভিযোগের তদন্ত বন্ধ করেছে পাবলিক প্রসিকিউটরের অফিস (Ministério Público – এমপি)। এ সিদ্ধান্তকে সেগা নেতা আন্দ্রে ভেন্তূরা আগামী দিনের জন্য “মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিজয়” এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

বাংলাদেশ এবং রোমা সম্প্রদায়সহ অভিবাসীদের লক্ষ্য করে সেগা পার্টি গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচন প্রচারে যে পোস্টারগুলো ব্যবহার করেছিল, সেগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে আলোচনায় ছিল তিনটি স্লোগান: “Isto não é o Bangladesh” (এটা বাংলাদেশ নয়), “Os ciganos têm de cumprir a lei” (সিগানোদের আইন মানতেই হবে) এবং “Os imigrantes não podem viver de subsídios” (অভিবাসীরা ভাতার টাকায় বাঁচতে পারে না)। এসব পোস্টারকে বর্ণবাদী ও ক xenófobo বার্তা হিসেবে উল্লেখ করে মোট ৫১টি অভিযোগ এমপি’র কাছে জমা হয়; অভিযোগকারীরা দাবি করেছিলেন, এগুলো বৈষম্য, ঘৃণায় উসকানি ও সহিংসতার প্ররোচনার আওতায় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

এছাড়া অন্তত আটটি রোমা সংগঠন পৃথকভাবে অভিযোগ দায়ের করে এবং ব্যক্তিগত অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার জন্য সিভিল কোর্টে পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানায়। প্রেসিডেন্ট নির্বাচন প্রচারের প্রাক্কালে এই পোস্টারগুলো নিয়ে দেশব্যাপী ব্যাপক রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

লিসবনের Departamento de Investigação e Ação Penal (DIAP)–এর একজন প্রসিকিউটরের স্বাক্ষরিত আদেশে এমপি জানায়, সেগার পোস্টারগুলোর বার্তা ফৌজদারি অর্থে অপরাধ গঠন করে না এবং এগুলোকে ঘৃণায় উসকানি বা সরাসরি হুমকি হিসেবে ধরা যায় না। আদেশে উল্লেখ করা হয়, প্রচারের প্রেক্ষাপটে এসব বক্তব্য রাজনৈতিক মত প্রকাশের অংশ, এবং সেগুলো যদিও বিতর্কিত ও সংখ্যালঘুদের প্রতি আপত্তিকর বলে মনে হতে পারে, তা সত্ত্বেও সেগুলো মতপ্রকাশের সাংবিধানিক ও আইনি সীমা অতিক্রম করে না।

প্রসিকিউটরের যুক্তিতে বলা হয়, উদাহরণ হিসেবে “Os ciganos têm de cumprir a lei” বাক্যটি সরাসরি এই দাবি করে না যে “সিগানোরা আইন মানে না”; বরং তা আইন মানার সাধারণ দাবির আকারে উপস্থাপিত, যা রাজনৈতিক স্লোগানের অংশ হিসেবে দেখা যায়। তাই এই বার্তাগুলোকে বৈষম্যের অপরাধ হিসেবে ফৌজদারি আইনের আওতায় টানা সম্ভব নয় বলে এমপি সিদ্ধান্তে পৌঁছায় এবং তদন্তটি আনুষ্ঠানিকভাবে খারিজ করা হয়।

এমপি’র সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর জাতীয় সংসদে (Assembleia da República) এক সংবাদ সম্মেলনে আন্দ্রে ভেন্তূরা বলেন, “আমরা এমন একটি সিদ্ধান্তের সামনে দাঁড়িয়ে আছি যা দেশকে সঠিক পথে নিয়ে যায় এবং এটি সবার জন্য মতপ্রকাশের স্বাধীনতার একটি বিজয়।” তিনি আরও দাবি করেন, এই সিদ্ধান্ত শুধু অতীতের একটি নির্বাচনী প্রচার নয়, বরং ভবিষ্যতের জন্য ‘জুরিসপ্রুডেন্স’ বা আইনগত নজির সৃষ্টি করবে, যা আগামী বছরগুলোতে পর্তুগালে রাজনৈতিক বক্তব্যের স্বাধীনতা কীভাবে ব্যাখ্যা করা হবে, তা প্রভাবিত করবে।

ভেন্তূরা অভিযোগ করেন, তার এবং সেগার বিরুদ্ধে যখন “বৈষম্য ও ঘৃণার” অভিযোগ আনা হয়েছিল, তখন তা মিডিয়ায় বড় শিরোনাম হয়েছে, কিন্তু একই মামলার খারিজের খবর তুলনামূলকভাবে অনেক কম গুরুত্ব পেয়েছে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে শুধু ফুটনোটের মতো করে প্রকাশিত হয়েছে। তার মতে, এটি দেখায় যে “যখন কাউকে নিপীড়িত বা আক্রমণকারী হিসেবে দেখানোর সুযোগ থাকে তখনই সংবাদমাধ্যম বেশি আগ্রহ দেখায়, কিন্তু অভিযোগ খারিজ হলে সেই আগ্রহ আর থাকে না।”

সেগা নেতার দাবি, এমপি কোনভাবেই সংবাদমাধ্যম বা বামপন্থী রাজনৈতিক শক্তির চাপে প্রভাবিত হয়নি। তিনি বলেন, “কেউ কেউ শুধু রাজনৈতিক বিজয় নয়, আমাদের বিরুদ্ধে বিচারিক নিপীড়ন এবং রাজনৈতিক বক্তব্যের অপরাধীকরণ চেয়েছিল, কিন্তু প্রসিকিউশন স্পষ্টভাবে বলেছে, এই পোস্টারগুলোর বার্তাকে অপরাধ হিসেবে দেখা যায় না এবং এগুলো মতপ্রকাশের সাংবিধানিক ও আইনি সীমা লঙ্ঘন করে না।”

যদিও এমপি তদন্ত খারিজ করেছে, বিষয়টি সম্পূর্ণ বিতর্কমুক্ত হয়নি। কিছু আইনজ্ঞ ও মানবাধিকার কর্মী মনে করছেন, ফৌজদারি অপরাধ না হলেও এমন প্রচারসামগ্রী প্রশাসনিক বা সিভিল আইনের দৃষ্টিতে অবৈধ হতে পারে, বিশেষ করে যখন তা নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মর্যাদা ও অধিকারের ওপর আঘাত হিসেবে দেখা যায়। এর আগে আলাদা এক সিভিল মামলায় কিছু পোস্টার দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশও আদালত দিয়েছিল, যা দেখায় যে ফৌজদারি ও সিভিল/প্রশাসনিক ক্ষেত্রের মূল্যায়ন ভিন্ন হতে পারে।

রোমা সম্প্রদায়ের সংগঠন এবং অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করা কিছু গ্রুপ অভিযোগ করেছেন, এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক বক্তব্যের নামে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক স্টেরিওটাইপ legitimize করার ঝুঁকি তৈরি করে। অন্যদিকে, ভেন্তূরা ও তার সমর্থকেরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করেছে যে কঠোর ও বিতর্কিত হলেও রাজনৈতিক মত প্রকাশকে অপরাধ হিসেবে দেখার প্রবণতা সীমিত করা উচিত।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক