সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ইরানে হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ২৫ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা

প্রবাহ বাংলা ডেস্ক ঢাকা, বাংলাদেশ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ৯:১১ পিএম
ইরানে হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ২৫ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা

দখলদার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারির ওই আগ্রাসনের পর হাতের মুষ্ঠি ছেড়ে দিয়েছে তেহরানও। ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ছে উগ্র ইহুদিবাদী ভূখণ্ড ও উপসাগরীয় দেশগুলোয় মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা লক্ষ্য করে।

সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে সমগ্র অঞ্চলে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জ্বালানি মার্কেট। ইরান বিশ্বের তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় হাহাকার শুরু হয়েছে ইউরোপ ও আমেরিকায়। সামগ্রিক বিবেচনায় এ যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি হতে পারে ২১ হাজার কোটি ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় দাঁড়ায় ২৫দশমিক ৬৯ ট্রিলিয়ন বা ২৫ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকা। বর্তমান মুদ্রা বাজার অনুযায়ী, প্রতি ডলার ১২২ দশমিক ৩৫২ টাকা ধরলে এ সংখ্যা পাওয়া যায়।

পেন হোয়ার্টন বাজেট মডেলের পরিচালক ও রাজস্ব বিশ্লেষক কেন্ট স্মেটার্সের মতে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে মার্কিন অর্থনীতির ২১০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

স্মেটার্স সম্প্রতি বলেছেন, চলমান সংঘাত ইতোমধ্যে বাণিজ্য, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও গ্যাসোলিনের দামে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে, যদিও অর্থনীতির ওপর এই যুদ্ধের প্রভাব কতটা সুনির্দিষ্টভাবে পড়বে তা অনুমান করা কঠিন। তার বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ ১১৫ বিলিয়ন ডলার, তবে সংঘাতের ধরণ ও স্থায়িত্বের ওপর ভিত্তি করে এই অংক ৫০ বিলিয়ন থেকে ২১০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যুদ্ধব্যয় গণনার ক্ষেত্রে আমার একটি সমস্যা হলো—তারা বিকল্প পরিস্থিতি বা ‘কাউন্টারফ্যাকচুয়াল’ বিষয়টিকে পুরোপুরি উপেক্ষা করে। ইরান যদি সত্যিই পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেত, তবে পরে আমাদের সামরিক খাতে এবং এমনকি শহরগুলো পুনর্গঠনে আরও অনেক বেশি অর্থ ব্যয় করতে হতো।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে যুদ্ধের অর্থনৈতিক হুমকির কথা স্বীকার করেছেন এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো দিয়ে চলাচলকারী জ্বালানি ট্যাঙ্কারগুলোর জন্য সরকারি বীমা ও প্রয়োজনে নৌ-এসকর্ট দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন।

মঙ্গলবার ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, প্রয়োজন হলে মার্কিন নৌবাহিনী যত দ্রুত সম্ভব হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী ট্যাঙ্কারগুলোকে পাহারা দিতে শুরু করবে। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে জ্বালানির অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করবে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ।

ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প স্বীকার করেন, যুদ্ধের কারণে তেলের দাম ‘কিছু সময়ের জন্য’ বেশি থাকতে পারে, তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে সংঘাত শেষ হলে ‘এই দাম আগের চেয়েও নিচে নেমে আসবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

মঙ্গলবার লেনদেন শেষে বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দাম ৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে এবং আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, জাতীয় পর্যায়ে প্রতি গ্যালন গ্যাসোলিনের গড় দাম ১০ সেন্টের বেশি বেড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব কতটা হবে তা মূলত সংঘাত কতদিন স্থায়ী হয় তার ওপর নির্ভর করবে। গ্রাউন্ডওয়ার্ক কোলাবোরেটিভ-এর নীতি ও অ্যাডভোকেসি প্রধান এবং বাইডেনের সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা অ্যালেক্স জ্যাকুয়েজ বলেন, বাজার বর্তমানে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ঝুঁকিকে বেশ অবমূল্যায়ন করছে এমন একটি সংঘাত যা দ্রুত শেষ হবে না, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল স্বাভাবিক হবে না এবং সবকিছু সময়মতো স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরবে না।

অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি, এই বিশাল সামরিক অভিযানে আরও ৬৫ বিলিয়ন ডলারের বাজেট ব্যয় হতে পারে, যার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলের বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে বিমান ও নৌবাহিনী মোতায়েন করেছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিযান, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’, কতদিন চলবে তা ‘এই মুহূর্তে জানা সম্ভব নয়’ বলে কংগ্রেসকে লেখা এক চিঠিতে ট্রাম্প জানিয়েছেন। তিনি গত ২ মার্চ লিখেছেন, যদিও যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত এবং টেকসই শান্তি চায়, তবে প্রয়োজনীয় সামরিক অভিযানের পূর্ণ পরিধি ও স্থায়িত্ব এই মুহূর্তে জানা সম্ভব নয়।

তিনি এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে এই বোমাবর্ষণ ‘চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ’ স্থায়ী হতে পারে।

সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট

পরিবারের পাঁচজনই প্রতিবন্ধী, এক মুঠো খাবারের জন্য প্রতিদিনের সংগ্রাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৬ পিএম
পরিবারের পাঁচজনই প্রতিবন্ধী, এক মুঠো খাবারের জন্য প্রতিদিনের সংগ্রাম

একই পরিবারের পাঁচ সদস্যই প্রতিবন্ধী। তাঁদের মধ্যে একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, একজন বাকপ্রতিবন্ধী এবং তিনজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। অভাব-অনটন ও নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেই প্রতিদিন জীবনযাপন করছেন রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের বন্যাতৈল গ্রামের এই পরিবারের সদস্যরা।

পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ৭০ বছর বয়সী কাশিনাথ চৌধুরী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। ৬৮ বছর বয়সী সুহাগী চৌধুরী শারীরিক প্রতিবন্ধী। ৬৫ বছর বয়সী বুদ্ধিশ্বর মন্ডলও শারীরিক প্রতিবন্ধী। ৬০ বছর বয়সী দ্রপতি চৌধুরী বাকপ্রতিবন্ধী এবং ৩৫ বছর বয়সী উত্তরা মন্ডল শারীরিক প্রতিবন্ধী।

পরিবারটির বসবাস একটি ছোট সরকারি ঘরে। পাঁচ সদস্যের মধ্যে তিনজন প্রতিবন্ধী ভাতা পান। তবে ভাতার সামান্য অর্থ দিয়ে পরিবারের খাবার, চিকিৎসা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটানো কঠিন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বুদ্ধিশ্বর মন্ডল জানান, প্রায় ৪০ বছর ধরে তিনি শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছেন। তিনি একটি বিরল রোগে আক্রান্ত। তাঁর স্ত্রী, স্ত্রীর বড় ভাই ও বড় বোন এবং তাঁর মেয়েও প্রতিবন্ধী। পরিবারের খরচ চালাতে তিনি বাজারে ঝাড়ু দেওয়ার কাজ করেন। এই কাজ থেকে পাওয়া সামান্য আয় দিয়েই পরিবারের সদস্যদের খাবারের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পরিবারের পাঁচ সদস্য প্রতিবন্ধী হওয়ায় তাঁদের দৈনন্দিন জীবনযাপন অত্যন্ত কঠিন। বিশেষ করে চিকিৎসা, খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে পরিবারটিকে নানা সমস্যায় পড়তে হয়। তাঁদের জন্য বাড়তি সরকারি সহায়তার পাশাপাশি একটি উপযুক্ত বাসস্থানেরও প্রয়োজন রয়েছে।

এ বিষয়ে রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদের সঙ্গে আলোচনা করা হলে তিনি জানান, বর্তমানে ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। দেশে ফেরার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখে অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

জঙ্গল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কল্লোল কুমার বসু বলেন, “পরিবারটির বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পরিবারটির প্রয়োজন বিবেচনায় সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোও এগিয়ে আসবে। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে পরিবারটির দৈনন্দিন জীবনযাপনের কষ্ট কিছুটা কমতে পারে।

প্রিজন ভ্যান থেকে ২৫ মামলার আসামি ‘পিচ্চি রাজা’র পলায়ন, সাময়িক বরখাস্ত ৫ পুলিশ সদস্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৮ পিএম
প্রিজন ভ্যান থেকে ২৫ মামলার আসামি ‘পিচ্চি রাজা’র পলায়ন, সাময়িক বরখাস্ত ৫ পুলিশ সদস্য

আদালতে হাজিরা শেষে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে ফেরার পথে প্রিজন ভ্যান থেকে ২৫ মামলার আসামি রাজা ওরফে ‘পিচ্চি রাজা’ পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় প্রিজন ভ্যানের চালকসহ পুলিশের পাঁচ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার তদন্তে কমিটি গঠন করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে গাজীপুরের নাওজোড় এলাকায় পৌঁছালে প্রিজন ভ্যানে থাকা আসামি শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলেন। পরে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে একটি শৌচাগারে নিয়ে যান। সেখানে সুযোগ বুঝে কৌশলে পালিয়ে যায় পিচ্চি রাজা।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এ ঘটনায় প্রিজন ভ্যানের চালকসহ পুলিশের বিভিন্ন স্তরের পাঁচ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ডিসি হেডকোয়ার্টারের নেতৃত্বে ওই কমিটি তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, রোববার সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে হাজিরার জন্য পিচ্চি রাজাকে প্রিজন ভ্যানে করে ঢাকায় নেওয়া হয়। আদালতে হাজিরা শেষে তাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এ ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। প্রিজন ভ্যানটি গাজীপুরের নাওজোড় এলাকায় পৌঁছালে প্রাকৃতিক কাজ সারার জন্য শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে সে। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য তাকে শৌচাগারে নিয়ে গেলে সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মোহাম্মদপুর থানার একটি সূত্র জানায়, চলতি বছরের ১৯ মে মোহাম্মদপুর এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে গ্রেফতার করা হয়। পিচ্চি রাজা, তার স্ত্রী ও শ্যালক নেপাল থেকে দেশে ফেরার খবরে পুলিশ বিমানবন্দরে অবস্থান নেয়। পরে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের স্ত্রী সিতি হাসমাহর শতবর্ষে জিবন অবসান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪০ পিএম
মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের স্ত্রী সিতি হাসমাহর শতবর্ষে জিবন অবসান

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী তুন ড. মাহাথির মোহাম্মদ-এর স্ত্রী তুন ড. সিতি হাসমাহ মোহাম্মদ আলী আর নেই। শতবর্ষ বয়সে তিনি মারা গেছেন।

সোমবার কুয়ালালামপুরের ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউট (আইজেএন)-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০০ বছর।

নিউ স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিতি হাসমাহর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে তান শ্রী মোখজানি মাহাথির।
এদিকে সংসদে একটি টাউনহল অধিবেশন চলাকালে তার মৃত্যুর খবর ঘোষণা করা হলে উপস্থিতদের মধ্যে বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়। পরে তার সম্মানে সংক্ষিপ্ত ইসলামী দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তুন ড. সিতি হাসমাহ মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের দীর্ঘদিনের জীবনসঙ্গী হিসেবে দেশটির জনজীবনে সুপরিচিত ছিলেন। তিনি চিকিৎসক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক