প্রথম কর্মদিবসে কি কি করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবিঃ সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় গুলশানের বাসভবন থেকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটের দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীরদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও এক মিনিট নীর silent প্রার্থনায় অংশ নেবেন তিনি, সঙ্গে থাকবেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরাও। এরপর সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়ে প্রায় সোয়া ১২টার দিকে বনানীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও গুলশানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন।
দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী, দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে সমাধিস্থল থেকে তিনি সচিবালয়ের উদ্দেশে রওনা হবেন। দুপুর ১টার দিকে সচিবালয়ে পৌঁছে প্রথমে মধ্যাহ্নভোজ ও নামাজ আদায় করবেন এবং কিছু সময় বিশ্রামের পর বিকাল ৩টায় নবগঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। শপথ গ্রহণের পর এটিই হবে তার নেতৃত্বে নতুন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা বৈঠক, যেখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারের কর্মপরিকল্পনা, প্রশাসনিক পুনর্গঠন এবং স্বল্পমেয়াদি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে বলে আওতাধীন সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকাল ৪টায় সচিবালয়ে দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন তিনি। এখানে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে আগামী দিনের শাসনব্যবস্থার নীতি, সুশাসন, দুর্নীতি দমন, দ্রুত সেবা প্রদান এবং নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আমলাতন্ত্রের সমন্বয়–সংক্রান্ত প্রাথমিক দিকনির্দেশনা তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম কর্মদিবসেই তিনি আমলাতন্ত্রকে আস্থা ও জবাবদিহির একটি যুগপৎ বার্তা দেবেন, যাতে নতুন সরকারের উন্নয়ন দর্শন বাস্তবায়নে প্রশাসনও সক্রিয় অংশীদার হয়ে ওঠে।
প্রধানমন্ত্রীর এ কর্মসূচিগুলো নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আগেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ, বনানী ও গুলশানের সমাধিক্ষেত্র এবং সচিবালয় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, প্রটোকল ব্যবস্থাসহ সব ধরনের লজিস্টিক সহায়তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের বিভিন্ন ইউনিট তৎপর রয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও আশপাশের এলাকায় পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি থাকছে একাধিক স্তরের নিরাপত্তা বলয়, যাতে সাধারণ মানুষের চলাচল সম্ভব হলে স্বাভাবিক রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও কঠোরভাবে বজায় রাখা যায়।










