বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তুমুল সংঘর্ষ, নিহত ১৭ সশস্ত্র সদস্য

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৮ এম
বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তুমুল সংঘর্ষ, নিহত ১৭ সশস্ত্র সদস্য

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত পৃথক দুটি সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ১৭ সশস্ত্র সদস্য নিহত হয়েছেন। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দেশটির এক সেনাসদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দেশটির সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর এ তথ্য জানায়। এর আগে গত ১ নভেম্বর বেলুচিস্তানের কাচ্চি ও খারান জেলায় সশস্ত্র সদস্যদের অবস্থানের খবর পেয়ে অভিযান দুটি চালানো হয়।

আইএসপিআরের বিবৃতি অনুযায়ী, কাচ্চি জেলার সান্নি এলাকায় প্রথম অভিযান পরিচালনা করে নিরাপত্তা বাহিনী। এ সময় একটি সড়কে অবরোধ সৃষ্টির চেষ্টা নস্যাৎ করা হয়। অভিযানে ১০ সশস্ত্র সদস্য নিহত হন। ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

অন্যদিকে খারান জেলায় দ্বিতীয় অভিযানে সশস্ত্র সদস্যদের একটি আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তীব্র গোলাগুলিতে আরও সাতজন নিহত হন। এ সংঘর্ষে কারাক জেলার বাসিন্দা ২৫ বছর বয়সী সেনাসদস্য হিকমত উল্লাহ প্রাণ হারান।

আইএসপিআর দাবি করেছে, নিহত ব্যক্তিরা ভারত-সমর্থিত ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ ও ‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’ গোষ্ঠীর সদস্য।

এদিকে অভিযানের পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় অন্য কোনো সশস্ত্র সদস্যের অবস্থান রয়েছে কি না, তা শনাক্তে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে নিরাপত্তা বাহিনী। পাকিস্তানের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ‘আজম-ই-ইস্তেকহাম’ উদ্যোগের আওতায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলন ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ভারত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:২০ এম
বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলন ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ভারত

বাংলাদেশে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনসহ দেশের সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে ভারত। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক, ভবিষ্যৎমুখী ও গঠনমূলক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশার কথা জানিয়েছে দেশটি।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা জানান। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি ও সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা ও পরিস্থিতির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছে ভারত।

জয়সওয়াল বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাঁরা ইতিবাচক, ভবিষ্যৎমুখী ও গঠনমূলক সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যেতে চান।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এদিকে বাংলাদেশে ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন মঙ্গলবার চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। সকালে ঢাকার মিরপুর এলাকায় কয়েকটি কারখানা আংশিক চালু হলে শ্রমিকেরা রাস্তায় নেমে আসেন। এতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে গঙ্গা পানি চুক্তিসহ দুই দেশের অভিন্ন নদীর পানি ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, আন্তসীমান্ত নদী নিয়ে আলোচনা দুই দেশের নির্ধারিত দ্বিপক্ষীয় কাঠামোর মাধ্যমেই পরিচালিত হবে। এ ক্ষেত্রে ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ নদী কমিশনই আনুষ্ঠানিক ও কাঠামোবদ্ধ মাধ্যম বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আসন্ন উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ভারতের পক্ষ থেকে দেশটি সফরের আমন্ত্রণ রয়েছে। এ বিষয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি হলে তা জানানো হবে।

 

পারমাণবিক হামলা হলে কী করবেন, ইরানের টিভিতে প্রচার হচ্ছে জরুরি নির্দেশনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১৫ এম
পারমাণবিক হামলা হলে কী করবেন, ইরানের টিভিতে প্রচার হচ্ছে জরুরি নির্দেশনা

ইরানের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে হঠাৎ করেই পারমাণবিক হামলার পরিস্থিতিতে নাগরিকদের করণীয় বিষয়ে পাঁচটি সতর্কতামূলক নির্দেশনা প্রচার করা হচ্ছে। সম্ভাব্য পারমাণবিক বিস্ফোরণের সময় ও পরবর্তী সময়ে কীভাবে প্রাণ রক্ষা করতে হবে, তা জানিয়ে এসব পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) প্রচারিত নির্দেশনায় বিস্ফোরণের মুহূর্তে নিরাপদ আশ্রয় নেওয়া থেকে শুরু করে তেজস্ক্রিয় পদার্থের সংস্পর্শ এড়ানো এবং পরবর্তী সময়ে করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

প্রথম নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পারমাণবিক বিস্ফোরণের আলো বা আগুনের গোলার দিকে সরাসরি তাকানো যাবে না। বিস্ফোরণের সময় দ্রুত শক্ত কোনো কিছুর আড়ালে আশ্রয় নিতে হবে এবং বিস্ফোরণের অভিঘাতের তরঙ্গ কেটে না যাওয়া পর্যন্ত নিচু হয়ে থাকতে হবে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

দ্বিতীয় নির্দেশনায় বিস্ফোরণের তরঙ্গ থেমে যাওয়ার পরপরই কাছের কোনো ভবনের ভেতরে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ সময় জানালা ও ভবনের বাইরের দেয়াল থেকে দূরে থাকতে হবে। বাইরে অবস্থান করা, ছবি তোলা কিংবা গাড়িতে আশ্রয় নেওয়া থেকে বিরত থাকার কথাও বলা হয়েছে।

তৃতীয় নির্দেশনায় তেজস্ক্রিয় পদার্থের সংস্পর্শে আসার আশঙ্কা থাকলে শরীরের খোলা অংশ পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য কুসুম গরম পানি ও সাবান দিয়ে গোসল করতে হবে। ব্যবহার করতে হবে কন্ডিশনারবিহীন সাধারণ শ্যাম্পু। গোসলের সুযোগ না থাকলে অন্তত মুখ, হাতসহ শরীরের উন্মুক্ত অংশ পানি দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

চতুর্থ নির্দেশনায় হামলার পর অন্তত ২৪ ঘণ্টা আশ্রয়স্থলের ভেতরে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। এ সময় শুধু বোতলজাত পানি ও প্যাকেটজাত খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পঞ্চম নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টা পার হলেই পরিস্থিতি নিরাপদ হয়ে গেছে বলে ধরে নেওয়া যাবে না। আশ্রয়স্থল থেকে বের হওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। তবে আশ্রয় নেওয়া ভবনে আগুন লাগার বা ধসে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিলে অন্য নিরাপদ ভবনে সরে যেতে হবে।

 

সংবিধান সংশোধন কমিটির দশম বৈঠকে তরুণদের মতামত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:২০ পিএম
সংবিধান সংশোধন কমিটির দশম বৈঠকে তরুণদের মতামত

সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির দশম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অবদান রাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন কমিটির সদস্যরা।

মতবিনিময় সভায় কমিটির সদস্য ও চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, জয়নুল আবেদীন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নূরুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন অংশ নেন।

আলোচনায় সংবিধানে শিক্ষা ও চিকিৎসাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা, জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা, গণঅভ্যুত্থানের দাবি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন এবং জুলাই সনদের টেকসই বাস্তবায়নের বিষয়গুলো উঠে আসে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যমান ক্ষমতা, নারী ও শিশুর সুরক্ষা, জরুরি অবস্থাসংক্রান্ত বিধান, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা এবং গণভোট নিয়েও আলোচনা হয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বৈঠকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। যুগে যুগে তরুণরাই জাতিকে পথ দেখিয়েছে উল্লেখ করে তরুণদের কল্যাণে জনবান্ধব সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে একটি যুগোপযোগী সংবিধান প্রণয়নের বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

এ সময় আরও বলা হয়, জুলাই সনদে স্পষ্টভাবে ‘সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে সংস্কার’-এর কথা উল্লেখ রয়েছে। সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে অপপ্রচারের বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য তরুণদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক