শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

হামের উপসর্গে দেশে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪১ পিএম
হামের উপসর্গে দেশে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ১ হাজার ৩৪৯ জন।

শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত এক দিনে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে একজন করে মারা গেছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে হাম ও এর উপসর্গে মোট ১ হাজার ১৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া রোগী ১০৪ জন এবং বাকি ১ হাজার ৪৩ জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ২৬৮ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে সন্দেহভাজন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৩ জনে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাব পরীক্ষায় নতুন করে ৮১ জনের শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ফলে দেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ১৯৭ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহে ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসাসেবা শেষে এর মধ্যে ১ লাখ ৭২ হাজার ৭০৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

 

দিল্লির বিক্ষোভ রুখতে ট্রেন বাতিল, ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৫ পিএম
দিল্লির বিক্ষোভ রুখতে ট্রেন বাতিল, ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিরোধী রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনগুলোর পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচি রুখতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির কেন্দ্র সরকার। আন্দোলনকারীরা যাতে রাজধানীতে পৌঁছাতে না পারেন, সে জন্য দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দিল্লিগামী একাধিক দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল, গন্তব্য পরিবর্তন এবং মেট্রো পরিষেবা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে সরকারের এই ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভারতের সর্বোচ্চ আদালত।

ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি ভি মোহনার সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের বেঞ্চ প্রশাসনিক পদক্ষেপের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্তব্য করেন, ‘মাছি মারতে কেউ হাতুড়ি চালায় না!’

শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানান, নিরাপত্তার অজুহাতে পুরো রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থা স্তব্ধ করে দিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা কোনো গ্রহণযোগ্য সমাধান হতে পারে না। প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ জীবিকা ও জরুরি প্রয়োজনে দিল্লি এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় যাতায়াত করেন। মেট্রো চলাচলের মাত্রা কমানো গেলেও পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ রাখা অবাস্তব। আদালত সড়ক ও ট্রেন চলাচলের ওপর আরোপিত এসব কঠোর বিধিনিষেধ অবিলম্বে পুনর্বিবেচনা করে নতুন নির্দেশনা জারির নির্দেশ দেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) সহ বেশ কয়েকটি বিরোধী দল ও ছাত্র সংগঠনের শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির ‘যন্তর মন্তরে’ জমায়েতের ডাক দেওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আন্দোলন প্রতিহত করতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ছাড়ার অপেক্ষায় থাকা হাওড়া ও শিয়ালদহ রাজধানী এক্সপ্রেসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনও বাতিল করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন রাজ্য থেকে নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিনগামী বহু ট্রেন বাতিল কিংবা অন্য পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্রেন থামিয়ে তল্লাশি ও আটকের খবর পাওয়া গেছে। মধ্যপ্রদেশের ইটারসী জংশনে গোয়া এক্সপ্রেস থামিয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস ফেডারেশনের (এআইএসএফ) নেতাকর্মীদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

সরকারের এসব বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি। তাঁর পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিব্বল শুনানি করেন। তিনি বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ঘিরে গণপরিবহন ও ট্রেন পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া নাগরিক অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাতের সামিল।

শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের কঠোর বার্তার পর ভারতের কেন্দ্রীয় সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, তিনি শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা করবেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আকস্মিক ট্রেন বাতিল ও যাতায়াত ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়ায় বর্তমানে পুরো দেশজুড়ে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের ভয়াবহ হামলা, পাইলটসহ তিন সৌদি নাগরিক নিহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩১ পিএম
রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের ভয়াবহ হামলা, পাইলটসহ তিন সৌদি নাগরিক নিহত

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের চালানো এক ভয়াবহ হামলায় পাইলটসহ অন্তত তিন সৌদি নাগরিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) এক বিবৃতির মাধ্যমে হুতি বিদ্রোহীদের পরিচালিত এ হামলার তথ্য ও হতাহতের খবর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে হুতি বিদ্রোহীরাও প্রকাশ্যে এ হামলার দায় স্বীকার করেছে।

সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুই দফায় বিমানবন্দরে হামলা চালানো হয়। প্রথম দফায় বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং দ্বিতীয় দফায় সরাসরি উড়োজাহাজকে নিশানা করা হয়। হুতি বিদ্রোহীরা জানিয়েছে, তারা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এ হামলা চালিয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা সৌদিয়া গ্রুপ পৃথক বিবৃতিতে জানায়, হামলায় নিহতদের মধ্যে তাদের এক জ্যেষ্ঠ বিমানচালক ক্যাপ্টেন হামুদ আলি আলকালথামী রয়েছেন। সংস্থাটির রানওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা একটি উড়োজাহাজও হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে সেটিতে তখন কোনো যাত্রী ছিলেন না। ইয়েমেনে নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর এই প্রথম সৌদির জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থাটি প্রত্যক্ষ ক্ষতির মুখে পড়ল।

সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় দেশি-বিদেশি বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষয়ক্ষতি ও আঘাতের মাত্রা হালকা থেকে গুরুতর। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে বিমানবন্দরের সার্বিক ফ্লাইট পরিচালনা কার্যক্রম পুনরায় স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়েছে।

ইয়েমেনের জাতিসংঘ-স্বীকৃত সরকারি বাহিনীকে সৌদি আরব সামরিক সহায়তা দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে হুতি বিদ্রোহীরা। ঘটনার পর আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে রিয়াদ।

 

মিয়ানমার সহযোগিতায় বাস্তব পদক্ষেপের তাগিদ রোহিঙ্গাসহ শরণার্থী সংকট সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৬ পিএম
মিয়ানমার সহযোগিতায় বাস্তব পদক্ষেপের তাগিদ  রোহিঙ্গাসহ শরণার্থী সংকট সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর

মালয়েশিয়া ও মিয়ানমারের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে যেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে সক্রিয় ও সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত মিয়ানমারের শরণার্থীদের বিষয়টি সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও যৌথ সংবাদ সম্মেলনের পর কুয়ালালামপুরের কমপ্লেক্স সেরি পেরদানায় অনুষ্ঠিত ‘মালয়েশিয়া-মিয়ানমার সহযোগিতা সংলাপে’ অংশ নিয়ে আনোয়ার ইব্রাহিম এসব কথা বলেন। মালয়েশিয়ার ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (আইএসআইএস) উদ্যোগে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে একান্ত বৈঠক ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় যেসব বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে, সেগুলোকে অবশ্যই বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমে এগিয়ে নিতে হবে। শুধু আলোচনা বা সমঝোতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলোকে সক্রিয় এবং সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমারের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতা আরও জোরদারে একাডেমিক, গবেষক, নীতিনির্ধারণী প্রতিষ্ঠান এবং দুই দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। এসব অংশীজনের মধ্যে ধারাবাহিক সংলাপ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর করতে পারে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের সহযোগিতার ক্ষেত্রে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত মিয়ানমারের শরণার্থী বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। এ সংকটের সমাধানে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়া সরকার এ ধরনের সংলাপ ও উদ্যোগকে সমর্থন করে। একই সঙ্গে জ্ঞানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান, গবেষক, শিক্ষাবিদ এবং ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের আরও বিস্তৃত অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করা হবে, যাতে সংলাপে উঠে আসা বিষয়গুলো বাস্তব সহযোগিতায় রূপ নেয় এবং এর সুফল দুই দেশের জনগণ সরাসরি পায়।

আনোয়ার ইব্রাহিম আরও বলেন, উন্মুক্ত ও গঠনমূলক সংলাপ এবং আন্তরিকভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে মালয়েশিয়া ও মিয়ানমারের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা আরও শক্তিশালী হবে। এর মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের পথ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে এমন সহযোগিতার ক্ষেত্রও সম্প্রসারিত হবে, যা জনগণের জন্য বাস্তব ও দৃশ্যমান সুফল বয়ে আনবে।
মালয়েশিয়া ও মিয়ানমারের মধ্যে চলমান সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবিক বিভিন্ন ইস্যুতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের পাশাপাশি মিয়ানমারের শরণার্থী সংকট মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক