মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

৬ মাসের মধ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন করে দায়িত্ব ছেড়ে দিতে চান নেপালের অন্তবর্তী প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:৩৪ পিএম
৬ মাসের মধ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন করে দায়িত্ব ছেড়ে দিতে চান নেপালের অন্তবর্তী প্রধানমন্ত্রী

অন্তবর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সুশীলা কারকিকে (ডানে) শপথ বাক্য পাঠ করাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পৌড়েল (বাঁয়ে)। ছবি- সংগৃহীত।

অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো বিবিসি নেপালিকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকি। সেখানে তিনি ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন, দুর্নীতি দমন এবং জেন জি আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতা ও প্রাণহানির তদন্ত–এমন নানা বিষয়ে খোলাখুলি কথা বলেন।

কারকি জানান, তাঁর লক্ষ্য হলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করা। “আমি দিনে ১৮ ঘণ্টা কাজ করব। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে সক্রিয় করা হবে। প্রথম কাজ হবে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা,” বলেন তিনি।

আগামী ২০২৬ সালের ৫ মার্চ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হয়েছে। এ বিষয়ে কারকি বলেন, ভোটের দিন নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন হবে এবং দায়িত্ব শেষ করে তিনি সরে দাঁড়াতে চান।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্নে তিনি জানান, নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেই দুর্নীতির তদন্ত শুরু হবে। তাঁর ভাষায়, “আমরা যদি তদন্ত শুরু করতে পারি, পরবর্তী সরকারও সেটি এগিয়ে নিতে পারবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে দেশ শান্তি পাবে না।”

এ ছাড়া জেন জি আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতা ও সম্পত্তি ক্ষয়ক্ষতির তদন্তে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিশন গঠন করা হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, তিনজন বিশেষজ্ঞকে নিয়ে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রীসভা সম্প্রসারণ প্রসঙ্গে সুশীলা কারকি জানান, রাজনৈতিক দলের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তিনি অরাজনৈতিক, স্বতন্ত্র ব্যক্তি, প্রাক্তন আমলা, নারী, দলিত ও অনগ্রসর শ্রেণির প্রতিনিধিদের অগ্রাধিকার দেবেন। তাঁর মতে, রাজনৈতিক দলের সদস্যদের মন্ত্রিসভায় রাখলে নির্বাচনী সুবিধা নেওয়ার ঝুঁকি থাকে।

মন্ত্রী নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে কারকি বলেন, “আমরা মাঠ পর্যায়ে যাচাই করছি, ব্যক্তির সদিচ্ছা আছে কি না সেটাও দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে তিনজন সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, বাকিদের শিগগিরই চূড়ান্ত করা হবে।”

অন্তর্বর্তী সরকার গঠনে যে জেন জি আন্দোলনের অংশ থেকেও এখন বিরোধিতা শুরু হয়েছে, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা পদ চাইনি, আমাদের নাম ওরাই প্রস্তাব করেছিল। সব দাবি হয়তো পূরণ করা সম্ভব হবে না, তবে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। অসম্পূর্ণ কাজ পরবর্তী সংসদ ও সরকার এগিয়ে নেবে।”

সব মিলিয়ে, কারকির বক্তব্যে পরিষ্কার হয়েছে—তাঁর ছয় মাসের মেয়াদে অগ্রাধিকার হবে ভোট আয়োজন, দুর্নীতি দমন ও সহিংসতা তদন্ত।

রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপি গাজী নজরুল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০১ পিএম
রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপি গাজী নজরুল

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় দ্বিতীয় দফার রিমান্ড শেষে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার দ্বিতীয় দফায় চার দিনের রিমান্ড শেষে গাজী নজরুল ইসলামকে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে তার জামিনের আবেদন করা হলে আদালত তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম জানান, আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে গাজী নজরুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের পাশের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও মরিয়মের মামা ও ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন।

মামলার পর গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন এবং মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। প্রথম দফার রিমান্ড শেষে মাকছুদা বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ২৪ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় দফায় আরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত

এ মামলার আরেক আসামি ওবায়দুর রহমানকেও গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

নতুন আন্দোলনের ডাক দিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৭ পিএম
নতুন আন্দোলনের ডাক দিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’

মুম্বাইয়ে প্রস্তাবিত বিক্ষোভ কর্মসূচির অনুমতি না পাওয়ার পর আগামী ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীর দিনে ‘জেল ভরো আন্দোলন’ বা গণগ্রেপ্তার কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ভারতের ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘোষণা দিয়েছেন।

সিজেপি আগে ২ অক্টোবর মুম্বাই থেকে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরুর ঘোষণা দিয়েছিল। দলটির কর্মসূচির অন্যতম বিষয় ছিল ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমে পরিবর্তনের দাবি। মুম্বাই পুলিশ প্রস্তাবিত বিক্ষোভের অনুমতি না দেওয়ার পর ডিপকে ‘জেল ভরো আন্দোলন’-এর ঘোষণা দেন।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ডিপকে বলেন, বিক্ষোভের অনুমতি না দেওয়া নাগরিকদের কণ্ঠস্বর দমনের প্রচেষ্টা। তিনি জানান, প্রতিবাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হলে ২ অক্টোবর মুম্বাইয়ে জেল ভরো আন্দোলন শুরু করবে সিজেপি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এদিকে আসামেও সিজেপির নেতা-কর্মীদের আটককে কেন্দ্র করে দলটির সঙ্গে রাজ্য কর্তৃপক্ষের বিরোধ তৈরি হয়েছে। রোববার গুয়াহাটিতে সংগঠনটির আঞ্চলিক স্বেচ্ছাসেবক সভার আগে সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কাসহ বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে আটক ব্যক্তির সংখ্যা ৩০ থেকে ৪০ জনের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ স্বেচ্ছাসেবক সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় রাঙ্কাসহ নেতা-কর্মীদের আটক করা হয়। রাঙ্কা অভিযোগ করেন, আসামের স্কুল, কাজিরাঙা ও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সংগঠনটির কর্মসূচির কারণে তাদের আটক করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্যও বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাওয়া গেছে, তবে দলটির অভিযোগের সবগুলো দাবি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি।

সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে রাঙ্কা ও অন্যদের মুক্তি না দিলে আসামে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। পরে আটক নেতা-কর্মীদের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয় বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

অন্যদিকে, মুম্বাইয়ের প্রস্তাবিত বিক্ষোভের অনুমতি না দেওয়ার বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, শিবাজি পার্কে সমাবেশের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশনা ও সরকারি আদেশসহ সংশ্লিষ্ট বিধিনিষেধ রয়েছে।

 

বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে রাকুল প্রীতের শ্বশুরসহ ১২ ঠিকানায় তল্লাশি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৯ পিএম
বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে রাকুল প্রীতের শ্বশুরসহ ১২ ঠিকানায় তল্লাশি

বলিউড অভিনেত্রী রাকুল প্রীত সিং, তার শ্বশুর চলচ্চিত্র প্রযোজক বাসু ভগনানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মুম্বাইয়ের ১২টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে ভারতের আয়কর বিভাগ। এর মধ্যে রয়েছে প্যানোরামা স্টুডিওসও। সোমবার সকালে মুম্বাই আয়কর বিভাগের দলগুলো প্রায় ১২টি ঠিকানায় একযোগে এই তল্লাশি শুরু করে।

প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলচ্চিত্র প্রকল্পের অর্থায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন এবং বিদেশে অর্থ পাঠানোর তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হচ্ছে।

তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, চলচ্চিত্রের শুটিং, প্রযোজনা ও বিদেশে পরিবেশনের নামে কোনো অর্থ বিদেশে পাঠানো হয়েছিল কি না। অভিযানের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট আর্থিক নথি ও লেনদেনের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তবে এখন পর্যন্ত আয়কর বিভাগের পক্ষ থেকে তল্লাশিতে কোনো অনিয়ম বা কর ফাঁকির বিষয় নিশ্চিত করা হয়নি। এ ঘটনায় রাকুল প্রীত সিং, বাসু ভগনানি বা সংশ্লিষ্ট অন্য কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে- এমন তথ্যও প্রকাশ্যে আসেনি। তদন্ত শেষ হওয়ার পর বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

এদিকে, রাকুল প্রীতের ভাই আমান প্রীত সিংকে ঘিরে গত বছর একটি পৃথক মাদক মামলাও আলোচনায় এসেছিল।

২০২৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর এলিট অ্যাকশন গ্রুপ ফর ড্রাগ ল এনফোর্সমেন্ট ও ওয়েস্ট জোন পুলিশের যৌথ অভিযানে মাদক বিক্রির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৪৩ গ্রাম কোকেন ও ১১ দশমিক ৫ গ্রাম এমডিএমএ উদ্ধার করা হয়েছিল।

পুলিশের সন্দেহ ছিল, ওই দুই মাদক বিক্রেতার কাছ থেকে আমান পাঁচবার মাদক কিনেছিলেন। সেই সূত্রে তাঁকে খোঁজা হয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

তবে আমানকে ঘিরে ওই পৃথক মামলার বিষয়টি বর্তমান আয়কর বিভাগের তল্লাশির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত- এমন তথ্য এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক