শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সৌদিতে হুথিদের ৪ ড্রোন ও ২ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৮ পিএম
সৌদিতে হুথিদের ৪ ড্রোন ও ২ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস

সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চল লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ছোড়া চারটি ড্রোন ও দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংসের দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুরকি আল-মালিকি জানান, সৌদি আরবের খামিস মুশাইত আকাশসীমায় একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও চারটি ড্রোন ধ্বংস করা হয়। অপর একটি ক্ষেপণাস্ত্র জাজান এলাকায় প্রতিহত করা হয়েছে।

সৌদি সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ খামিস মুশাইতের আবাসিক এলাকায় পড়ে কয়েকটি ভবন ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

আল-মালিকি বলেন, হুথি বিদ্রোহীদের হামলা প্রতিহত এবং তাদের কর্মকাণ্ড নিরুৎসাহিত করতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট প্রয়োজনীয় সামরিক ব্যবস্থা অব্যাহত রাখবে।

সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সর্বশেষ হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে সামরিক জোটটি জানায়, মদিনার তায়বা এলাকার একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে গত মঙ্গলবারের ড্রোন হামলার জন্য হুথিরাই দায়ী। তদন্তে এ ঘটনার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানায় জোট।

জোটের বরাতে আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, মদিনার ওই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মসজিদে নববীসহ শহরের বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। হামলায় একটি ট্রান্সফরমার অচল হয়ে গেলেও দেশটির সামগ্রিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের কোনো প্রভাব পড়েনি।

মদিনায় ওই হামলার নিন্দা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডান। উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদও সৌদি আরবের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে। সংগঠনটি বলেছে, সৌদি আরব ও দেশটির পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

এর আগে শনিবার রিয়াদমুখী দুটি ড্রোন এবং খামিস মুশাইতের দিকে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছিল সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এর দুই দিন আগে ইয়ানবু ও তাইফের দিকে ছোড়া ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছিল সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।

ঋণ পরিশোধের টাকা জোগাড় করতে না পেরে বিষপানে যুবকের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০১ এম
ঋণ পরিশোধের টাকা জোগাড় করতে না পেরে বিষপানে যুবকের মৃত্যু

নেত্রকোনার পূর্বধলায় ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে মানসিক চাপে কীটনাশক পান করে জাহিদুল খান (৩৩) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছে তার পরিবার।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের মেঘশিমুল পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জাহিদুল ওই এলাকার মো. হুমায়ূন খানের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে সবার অজান্তে জাহিদুল কীটনাশক পান করেন। পরে বাড়ির পেছনে ধানক্ষেতের আইলে গিয়ে ছটফট করতে থাকেন। এ সময় প্রতিবেশী জামেলা খাতুন তাকে দেখতে পেয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

পরে স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জাহিদুল দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত কাজকর্ম করতেন না। তিনি স্থানীয় ব্যক্তি ও একটি এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) তিনি পুনরায় স্থানীয় একটি এনজিও থেকে ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ঋণ না পেয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন। ধার করা টাকা সময়মতো পরিশোধ করতে না পারায় তিনি মানসিক চাপে ছিলেন। এ কারণে তিনি বিষপান করে আত্মহত্যা করেছেন বলে পরিবারের সদস্যদের ধারণা।

এ বিষয়ে পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। বর্তমানে মরদেহ পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

উত্তাল দিল্লি, ইন্টারনেট বন্ধ; আটক ৭০০ ছাড়াল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৭ পিএম
উত্তাল দিল্লি, ইন্টারনেট বন্ধ; আটক ৭০০ ছাড়াল

ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং গণহারে ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (২ অক্টোবর) দিল্লির যন্তর মন্তরে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভ ঘিরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় ১২ ঘণ্টার জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত সূত্রের বরাতে এয়ারটেল, রিলায়েন্স জিও ও ভোডাফোন আইডিয়ার মতো টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে যন্তর মন্তর এবং এর দেড় কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে স্থানীয় সময় সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দিল্লি বা কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভোটার তালিকায় অনিয়ম ও গণহারে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কয়েকটি রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি এআইএসএ, এসএফআই, এনএসইউআইসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা বিক্ষোভে অংশ নেন।

ভারতের বার্তা সংস্থা পিটিআই পুলিশের বরাতে জানিয়েছে, বিক্ষোভের জন্য কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকা থেকে ৭০০ জনের বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।

এর আগে গত জুলাইয়েও দিল্লির যন্তর মন্তর ও মধ্য দিল্লির কয়েকটি এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছিল। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজিপি) আন্দোলনের সময় ওই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

তিন মাসের ব্যবধানে ফের বিক্ষোভের মুখে দিল্লির একটি এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলো।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিনের সম্পদের উৎস জানতে চান হাসনাত আব্দুল্লাহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫১ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিনের সম্পদের উৎস জানতে চান হাসনাত আব্দুল্লাহ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পুরোনো দুর্নীতি মামলা, সম্পদের পরিমাণ এবং এসব সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সম্পদের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি জানান।

হাসনাত আব্দুল্লাহ তার পোস্টে দাবি করেন, ২০০৭ সালে এক কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সালাহউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে মামলা করে। ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে ঢাকার বিশেষ আদালত ওই মামলায় তাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে এক কোটি টাকা জরিমানা এবং ঘুষ হিসেবে নেওয়া অর্থ বাজেয়াপ্তের আদেশ দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মীর আকতার হোসেন লিমিটেডের মালিক মীর জহির হোসেনের কাছ থেকে সরকারি কাজের সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে ওই অর্থ নেওয়া হয়েছিল। এ মামলায় ২০০৮ সালে সাত বছরের সাজা ও এক কোটি টাকা জরিমানার বিষয়টি সমসাময়িক সংবাদ প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে।

হাসনাত আরও বলেন, সালাহউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালে অবৈধভাবে চার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে করা আরেকটি দুর্নীতি মামলায় ১০ বছর ও তিন বছরের সাজা মিলিয়ে ১৩ বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি চকরিয়ায় মাছের ঘের দখল-সংক্রান্ত দুটি মামলার কথাও পোস্টে তুলে ধরেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বর্তমানে বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের প্রসঙ্গ টেনে হাসনাত বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে কারও ব্যাংক হিসাব তলব করা হলে তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়। রাষ্ট্রীয় স্বার্থে ব্যাংক হিসাব তলব করা হলে প্রত্যেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর হিসাবও তলব করার দাবি জানান তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদের সম্পদের পরিমাণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হাসনাত। তার দাবি, নির্বাচনী হলফনামার তথ্য অনুযায়ী ২০০৮ সালে সালাহউদ্দিন আহমদ ও তার স্ত্রী হাসিনা আহমদের মোট সম্পদ ছিল ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা, ২০১৮ সালে তা বেড়ে ১২ কোটি ৭০ লাখ এবং ২০২৫ সালে প্রায় ৩০ কোটি টাকায় দাঁড়ায়।

গুলশানে সালাহউদ্দিন আহমদের সম্পত্তি, সন্তানদের বিদেশে পড়াশোনার ব্যয় এবং এসব সম্পদের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন হাসনাত। তিনি জানতে চান, সরকারি চাকরি থেকে রাজনীতিতে আসার পর বিভিন্ন সময়ে তার সম্পদ কীভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এসব সম্পদের কতটা আয়, উত্তরাধিকার, বিনিয়োগ বা অন্য কোনো উৎস থেকে এসেছে।

হাসনাতের ভাষ্য, সালাহউদ্দিন আহমদ ১৯৯৬ সালে সরকারি চাকরি থেকে ইস্তফা দেওয়ার সময় সিনিয়র সহকারী সচিব ছিলেন। সে সময় তার বেতন-ভাতা মিলিয়ে মাসে প্রায় ছয় হাজার টাকা ছিল বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে গুলশানে ওই সময়ের ফ্ল্যাটের মূল্য বিবেচনায় নিয়ে এত বড় সম্পদ অর্জনের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

পোস্টে হাসনাত আরও বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে সালাহউদ্দিন আহমদের ব্যবসা করার সুযোগ ছিল না বলে তিনি দাবি করেন। এ অবস্থায় গুলশানে সম্পদ অর্জন এবং সন্তানদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার পেছনে ব্যয় করা অর্থের উৎস কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সবশেষে হাসনাত রাষ্ট্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত এমপি-মন্ত্রীদের নিকটাত্মীয় ও আত্মীয়স্বজনের ব্যাংক হিসাবও প্রতিবছর রাষ্ট্রীয় স্বার্থে তলবের দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি নিজের সম্পদের হিসাব দিয়েও এ ধরনের উদ্যোগ শুরু করার আহ্বান জানান।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক