বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহত ২২ জন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৭ পিএম
আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহত ২২ জন

আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির তথ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, হামলায় অন্তত ২২ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। নিহতরা ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’ ও ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’-এর সদস্য বলে দাবি করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ‘অপারেশন গজব লিল-হক’-এর অংশ হিসেবে পরিকল্পিত ও নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক এই বিমান হামলা চালানো হয়। পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক ও তাদের সহযোগীদের নির্মূলের লক্ষ্যের অংশ হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

 

মন্ত্রণালয়ের দাবি, নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আফগানিস্তানের দুটি এলাকায় জঙ্গিদের ক্যাম্প ও গোপন আস্তানায় হামলা চালানো হয়। এসব স্থাপনা ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’, ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ ও তাদের সহযোগীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

 

বিবৃতিতে বলা হয়, নির্দিষ্ট লক্ষ্যগুলো নিখুঁতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলায় ২২ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। পাশাপাশি ওই ঘাঁটিগুলোতে মজুত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদও ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান।

 

পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দেশটি সবসময় চেষ্টা করে এসেছে। তবে পাকিস্তানের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আফগানিস্তান এখনও সন্ত্রাসবাদের একটি কেন্দ্র হিসেবে রয়ে গেছে বলে পাকিস্তানের উদ্বেগ রয়েছে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের হুমকি আফগানিস্তান থেকেই আসছে বলেও দাবি করেছে ইসলামাবাদ।

 

এই পরিস্থিতিতে সন্ত্রাসীদের ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়। বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।

 

পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ নীতির আওতায় ‘গজব লিল-হক’ নামে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই অভিযান পূর্ণ গতিতে অব্যাহত থাকবে।

 

বিদেশি মদদ ও সহায়তায় পরিচালিত সন্ত্রাসবাদ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার কথাও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। – সূত্র: জিও নিউজ

 

সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স এলো ৩৩ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বেশি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৫ পিএম
সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স এলো ৩৩ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বেশি

সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসীরা দেশে ২৭৪ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা দেশীয় মুদ্রায় ৩৩ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকারও বেশি। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে প্রবাস আয়ে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি বজায় থাকলেও সেপ্টেম্বর মাসে এসে প্রবৃদ্ধির সেই গতি কিছুটা ধীর হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ শতাংশ। তবে একক মাস হিসেবে সেপ্টেম্বর মাসে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ২ দশমিক ২ শতাংশ।

উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে দেশে মোট ৮৫৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। ফলে তিন মাসের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৯৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা প্রায় ১০০ কোটি ডলার।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

অন্যদিকে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে যেখানে ২৬৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, সেখানে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে এসেছে ২৭৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এক বছরের ব্যবধানে মাসটিতে আয় বেড়েছে ৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার। ব্যাংকিং সূত্রের তথ্যমতে, কেবল সেপ্টেম্বরের শেষ দিনেই (৩০ সেপ্টেম্বর) দেশে এসেছে ১০ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার।

চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাস অর্থাৎ জুলাই ও আগস্টে প্রবাস আয়ে যে জোয়ার এসেছিল, তা সার্বিক প্রবৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে। সেপ্টেম্বরে প্রবাহ ইতিবাচক থাকলেও বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার কিছুটা কমেছে।

অর্থনীতিবিদ ও খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী রাখা, আমদানি ব্যয় মেটানো এবং ডলার বাজারের অস্থিরতা সামাল দিতে প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক প্রবাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম তিন মাসের সার্বিক চিত্র ইতিবাচক হলেও বছরের শুরুর উচ্চ প্রবৃদ্ধির গতিধারা আগামী মাসগুলোতে বজায় থাকে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা জরুরি হয়ে উঠবে।

 

তুরস্কে সিরিয়া ও হিজবুল্লাহর গোপন বৈঠক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৩ পিএম
তুরস্কে সিরিয়া ও হিজবুল্লাহর গোপন বৈঠক

দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনা প্রশমনে তুরস্কে গোপনে বৈঠক করেছেন সিরিয়া সরকার ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর প্রতিনিধিরা। দীর্ঘদিনের দুই প্রতিপক্ষের মধ্যে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের বিষয়টি ছয়টি নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

গত সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সিরিয়ার গোয়েন্দা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং হিজবুল্লাহর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। দুই সিরীয় কর্মকর্তা, একজন মার্কিন কর্মকর্তা এবং হিজবুল্লাহর ঘনিষ্ঠ লেবাননের এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তাসহ মোট ছয়টি সূত্র রয়টার্সকে জানায়, তুরস্কের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার আমন্ত্রণে বৈঠকটির আয়োজন করা হয়।

সিরিয়ার দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের সময় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে বছরের পর বছর নিজেদের যোদ্ধা পাঠিয়েছিল হিজবুল্লাহ। তবে ২০২৪ সালের শেষ দিকে বিদ্রোহীদের আকস্মিক অভিযানে বাশার আল-আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সিরিয়ার নতুন সরকার ও হিজবুল্লাহর মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। দামেস্কের অভিযোগ ছিল, হিজবুল্লাহ সিরিয়ার ভূখণ্ড ব্যবহার করে লেবাননে অস্ত্র পাচার করছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বৈঠকে উভয় পক্ষ একে অপরের প্রতি বৈরী অবস্থান না নেওয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। সিরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সরকার হিজবুল্লাহকে আশ্বাস দিয়েছে, সশস্ত্র গোষ্ঠীটিকে নিরস্ত্র করার অজুহাতে তারা লেবাননে কোনো সামরিক হস্তক্ষেপ করবে না।

এর বিনিময়ে সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র পাচার বন্ধ করা এবং সিরিয়ার দক্ষিণ ফ্রন্টে থাকা নিজেদের স্লিপার সেলগুলো নিষ্ক্রিয় করার জন্য হিজবুল্লাহকে তাগিদ দিয়েছে দামেস্ক।

সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বৈঠকে গোয়েন্দা ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি হলেও কোনো চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের মধ্যস্থতায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলেও হিজবুল্লাহর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ইরান এতে সরাসরি অংশ নেওয়ার সুযোগ না পাওয়ায় এখনই কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

 

স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ায় ভাড়াটে লোক দিয়ে তরুণীকে গণধর্ষণ করালেন স্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২০ পিএম
স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ায় ভাড়াটে লোক দিয়ে তরুণীকে গণধর্ষণ করালেন স্ত্রী

ভারতের কেরালার ত্রিসুরে স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ায় এক তরুণীকে সন্ত্রাসীদের দিয়ে অপহরণ ও গণধর্ষণ করানোর অভিযোগ উঠেছে ওই ব্যক্তির স্ত্রীর বিরুদ্ধে। গত মাসে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় ওই তরুণীর সঙ্গীকেও মারধর করা হয়। এতে তাঁর হাত ও পা ভেঙে যায় বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই তরুণী এক বিবাহিত পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে একটি হোটেলে অবস্থান করছিলেন। সেখানে পাঁচ ব্যক্তি নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে প্রবেশ করেন। পরে তারা ওই তরুণী ও তাঁর সঙ্গীকে বেঁধে একটি গাড়িতে তুলে নেন।

গাড়িতে তোলার পর ওই পুরুষকে মারধর করা হয়। পরে তাদের তামিলনাড়ুর দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ওই ব্যক্তিকে গাড়ি থেকে ফেলে দেওয়া হয়। পরে দুজন ওই তরুণীকে অন্য একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। এরপর তাঁকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

পরে ওই তরুণীর সঙ্গীকেও মারধর করে তামিলনাড়ুর একটি হাসপাতালের বাইরে ফেলে যায় অভিযুক্তরা। এতে তাঁর হাত ও পা ভেঙে যায়।

তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, ওই ব্যক্তির স্ত্রী তাঁর স্বামীর ফোন ট্র্যাক করে তাঁর অবস্থান জানতে পারেন। পরে সেই অবস্থানের তথ্য তিনি অভিযুক্তদের দেন এবং তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী তারা ওই দুজনের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ।

পুলিশের দাবি, স্বামীর সঙ্গে ওই তরুণীর ঘোরাঘুরি নিয়ে ক্ষোভ থেকেই তাঁর স্ত্রী এ ঘটনা ঘটানোর পরিকল্পনা করেন।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ওই ব্যক্তির স্ত্রীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।

 

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক