মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

বার্সেলোনায় ছুরিকাঘাতে ১৬ বছরের কিশোর খুন : তোলপাড় ঘটনায় জটিল তদন্তে পুলিশ

মিরন নাজমুল বার্সেলোনা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৭ পিএম
বার্সেলোনায় ছুরিকাঘাতে ১৬ বছরের কিশোর খুন : তোলপাড় ঘটনায় জটিল তদন্তে পুলিশ

জোরালো তদন্তে পুলিশ। পাশের ছবিতে নিহত কিশোরের রক্ত দেখা যাচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত।

বার্সেলোনার সান্তস-মন্তজুইক এ ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরের মৃত্যুর ঘটনায় শহরজুড়ে তোলপাড় আলোচনা হচ্ছে এবং এ নিয়ে মসস দ’এস্কুয়াদ্রা একটি জটিল তদন্ত শুরু করেছে।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টায় সংগঠিত হত্যাকান্ডের ঘটনাটি প্রথম দিকে কিশোর গ্যাংগুলোর মধ্যে হঠাৎ সৃষ্ট সংঘর্ষ হিসেবে মনে করা হলেও, পরে তা অনেক বেশি গুরুতর ঘটনায় রূপ নেয়। ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন (DIC)-এর কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত হামলা।

উক্ত ঘটনায় নিহত কিশোরটি হন্ডুরাস বংশোদ্ভূত। ধারালো ছুরি দিয়ে উপর্যপুরি আঘাতের ঘটনায় একটি গুরুতরভাবে কিশোরটির যকৃতে লাগার কারণে মৃত্যু ঘটেছে বলে জানা গেছে হাসপাতাল সূত্রে। এ ঘটনায় আরো এক কিশোর ছুরিকাঘাতে মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, একটি মারামারি থেকেই এই হামলার সূত্রপাত। দুই কিশোর আন্তোনি ক্যাপমানি সড়কে আহত হয় এবং এরপর তারা এক বন্ধুসহ পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু নিহত কিশোরটি মারাত্মক আহত হয়ে সান্তা এউলালিয়া মেট্রো স্টেশনের কাছে পৌঁছে লুটিয়ে পড়ে।
বার্সেলোনা ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ইউনিট (AIC) ঘটনার তদন্ত করছে। ঘটনাস্থলটি হসপিতালেত দে লোব্রেগাত সীমান্ত থেকে মাত্র একটি সড়ক দূরে বার্সেলোনার শেষ প্রান্তে। পাশের একটি ভবনের সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গেছে—ঘটনার পর কিছু তরুণ মেট্রো স্টেশনের কাছে উপস্থিত ছিল এবং সেখানেই মসস দ’এস্কুয়াদ্রা ও একটি অ্যাম্বুলেন্স আসে।
মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ঘটনাস্থলে রক্তের দাগ স্পষ্ট ছিল, পরে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা পানি দিয়ে ধুয়ে দেয়।

ছবিতে ঘটনাস্থল, রিয়েরা ব্লাংকা সড়ক সংলগ্ন। ছবি- সংগৃহীত।

প্রথমে প্রতিবেশী ও পথচারীদের ধারণা ছিল এটি প্রতিদ্বন্দ্বী দুই গ্রুপের মধ্যে হঠাৎ সৃষ্ট মারামারির ফল। কিন্তু তদন্তে বেরিয়ে আসে অন্য কিছু। পুলিশের মতে, সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল এবং হত্যাকাণ্ডটি মূলত অ্যাডজাস্টমেন্ট বা প্রতিশোধের অংশ। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, ঘটনার সূত্রপাত হয় একটি স্কুটার (প্যাটিনেট) ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়ে। এখন পুলিশ চেষ্টা করছে জানতে আসলেই কি ঘটনাটি ছিনতাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কি না।
এখনও পর্যন্ত হামলাকারীদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তারা এখনো পলাতক। তদন্তকারীরা প্রত্যেককে শনাক্ত করা ও কার কী ভূমিকা ছিল তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। যদিও প্রমাণ সংগ্রহ দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে, তবুও কিছু সাক্ষী সহযোগিতা করতে অনীহা দেখাচ্ছে। পুলিশ সন্দেহ করছে, ভুক্তভোগীর আশেপাশের কিছু মানুষ তথ্য গোপন করছে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ এখন তদন্তের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজে লাগাচ্ছে পুলিশ। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পুলিশ জোরালো তদন্তে নেমেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলের আশেপাশে পুরো সময় বিশেষ করে রাতে অনেক পুলিশ সদস্যর উপস্থিতি ও তাদের সতর্ক পাহারা লক্ষ্য করা গেছে।

খুনের ঘটনায় তদন্তে নেমেছে পুলিশ। ছবি- সংগৃহীত।

হত্যাকাণ্ডটি যে পরিকল্পিত ছিল তা নিশ্চিত হওয়ার পর বার্সেলোনায় কিশোর সহিংসতা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যদিও পুলিশ মসস দে এস্কুয়াদ্রা টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে, তবুও স্থানীয়রা মনে করছেন এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটছে এবং শুধু পুলিশি টহল নয়, আরও কাঠামোগত পদক্ষেপ প্রয়োজন।

গবেষকদের সবচেয়ে বেশি চিন্তিত করছে গ্রুপভিত্তিক সহিংসতা এবং এর সাথে ধারালো অস্ত্রের ব্যবহার। এ কারণেই কাতালোনিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে “ডাগা পরিকল্পনা” (এল প্লান দে ডাগা) চালু করেছে, যা মসস ও গোয়ারর্দিয়া উরবানা যৌথভাবে বাস্তবায়ন করছে। এর মাধ্যমে মেট্রো স্টেশন, রাতের আড্ডাস্থল ও ভিড় এলাকায় তল্লাশি বাড়ানো হচ্ছে, যাতে ছুরি, চাকু বা মাচেটের মতো অস্ত্র বহন ঠেকানো যায়।
উল্লেখ্য, শুধু গত বছরেই পুলিশের হাতে জব্দ হয়েছে ১০,০০০-এরও বেশি ধারালো অস্ত্র—যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ সংখ্যা।

মিশরে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত আল-আজহারে কাঁঠালগাছ রোপণ

আফছার হোসাইন, মিশর প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৯ এম
মিশরে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত আল-আজহারে কাঁঠালগাছ রোপণ

মিশরের ঐতিহ্যবাহী আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক আবাসিক ছাত্রাবাস ‘ইসলামিক মিশন সিটি’ পরিদর্শন করেছেন মিশরে নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত গৌতম কুমার দে। এ সময় বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে দেশ থেকে নিয়ে যাওয়া জাতীয় ফল কাঁঠালের দুটি চারা রোপণ করেন তিনি। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর মাধ্যমে মিশরের মাটিতে প্রথমবারের মতো কাঁঠালগাছ রোপণ করা হলো।
​রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় কায়রোতে অবস্থিত ইসলামিক মিশন সিটিতে পৌঁছালে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ড. ঈসাম কাজি।
​এ সময় উপস্থিত ছিলেন আল-আজহার শরিফের সহকারী মহাপরিচালক মোস্তফা, প্রেস সচিব ওমর ফাতেহি, মিশরে বাংলাদেশি ছাত্র সংগঠন ইত্তেহাদের সহসভাপতি দেলোয়ার মাহমুদ খান মিল্কি, পিএইচডি গবেষক আব্দুর রহিম, কিশোরগঞ্জের মাসুদ হাসান ও ভিসা-সংক্রান্ত প্রতিনিধি মুয়াজ বিন মাহবুবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা।
​সাক্ষাতকালে আল-আজহারে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি বৃদ্ধি, ইসলামিক মিশন সিটিতে আবাসিক আসন বাড়ানো এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। আল-আজহার কর্তৃপক্ষ বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেয়।মিশন সিটির পরিচালক ড. ঈসাম কাজি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রশংসা করে বলেন, “কয়েক বছর ধরে আল-আজহারে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারীদের মধ্যে বাংলাদেশিরা উল্লেখযোগ্য অবস্থান ধরে রেখেছেন। তারা মেধাবী, পরিশ্রমী ও বিনয়ী।
​সাক্ষাতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত গৌতম কুমার দে বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি তুলে ধরেন। তিনি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে দেশের ঐতিহ্য পরিচয়ের স্মারক হিসেবে মিশন সিটিকে একটি কাঠের রিকশার মডেল উপহার দেন।
​শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সুন্দর পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা নিয়ে তারা দেশে ফিরে সমৃদ্ধি আনবেন-এটাই প্রত্যাশা।পরে তিনি ড. ঈসাম কাজিকে সঙ্গে নিয়ে মিশন সিটির পাবলিক লাইব্রেরি, জিমনেশিয়াম, টেনিস ও বিলিয়ার্ড হলসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ঘুরে দেখেন। ১০৩টি দেশের শিক্ষার্থীরা যেখানে বসবাস করেন, সেখানে কাঁঠালগাছ রোপণকে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের একটি প্রতীকী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।পরিদর্শন শেষে ড. ঈসাম কাজি আল-আজহারের পাঠ্যক্রম-সম্পর্কিত কিছু বই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের হাতে তুলে দেন। রাষ্ট্রদূতও শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণে দূতাবাসের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় জানান।

রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপি গাজী নজরুল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০১ পিএম
রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপি গাজী নজরুল

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় দ্বিতীয় দফার রিমান্ড শেষে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার দ্বিতীয় দফায় চার দিনের রিমান্ড শেষে গাজী নজরুল ইসলামকে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে তার জামিনের আবেদন করা হলে আদালত তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম জানান, আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে গাজী নজরুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের পাশের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও মরিয়মের মামা ও ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন।

মামলার পর গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন এবং মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। প্রথম দফার রিমান্ড শেষে মাকছুদা বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ২৪ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় দফায় আরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত

এ মামলার আরেক আসামি ওবায়দুর রহমানকেও গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

নতুন আন্দোলনের ডাক দিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৭ পিএম
নতুন আন্দোলনের ডাক দিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’

মুম্বাইয়ে প্রস্তাবিত বিক্ষোভ কর্মসূচির অনুমতি না পাওয়ার পর আগামী ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীর দিনে ‘জেল ভরো আন্দোলন’ বা গণগ্রেপ্তার কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ভারতের ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘোষণা দিয়েছেন।

সিজেপি আগে ২ অক্টোবর মুম্বাই থেকে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরুর ঘোষণা দিয়েছিল। দলটির কর্মসূচির অন্যতম বিষয় ছিল ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমে পরিবর্তনের দাবি। মুম্বাই পুলিশ প্রস্তাবিত বিক্ষোভের অনুমতি না দেওয়ার পর ডিপকে ‘জেল ভরো আন্দোলন’-এর ঘোষণা দেন।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ডিপকে বলেন, বিক্ষোভের অনুমতি না দেওয়া নাগরিকদের কণ্ঠস্বর দমনের প্রচেষ্টা। তিনি জানান, প্রতিবাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হলে ২ অক্টোবর মুম্বাইয়ে জেল ভরো আন্দোলন শুরু করবে সিজেপি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এদিকে আসামেও সিজেপির নেতা-কর্মীদের আটককে কেন্দ্র করে দলটির সঙ্গে রাজ্য কর্তৃপক্ষের বিরোধ তৈরি হয়েছে। রোববার গুয়াহাটিতে সংগঠনটির আঞ্চলিক স্বেচ্ছাসেবক সভার আগে সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কাসহ বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে আটক ব্যক্তির সংখ্যা ৩০ থেকে ৪০ জনের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ স্বেচ্ছাসেবক সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় রাঙ্কাসহ নেতা-কর্মীদের আটক করা হয়। রাঙ্কা অভিযোগ করেন, আসামের স্কুল, কাজিরাঙা ও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সংগঠনটির কর্মসূচির কারণে তাদের আটক করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্যও বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাওয়া গেছে, তবে দলটির অভিযোগের সবগুলো দাবি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি।

সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে রাঙ্কা ও অন্যদের মুক্তি না দিলে আসামে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। পরে আটক নেতা-কর্মীদের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয় বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

অন্যদিকে, মুম্বাইয়ের প্রস্তাবিত বিক্ষোভের অনুমতি না দেওয়ার বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, শিবাজি পার্কে সমাবেশের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশনা ও সরকারি আদেশসহ সংশ্লিষ্ট বিধিনিষেধ রয়েছে।

 

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক