শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

ভারত সীমান্তে ১১টি আধুনিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে চীন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৬:০৫ পিএম
ভারত সীমান্তে ১১টি আধুনিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে চীন

ভারতের উত্তর সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করেছে চীন। সম্প্রতি প্রকাশিত বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, ভারতের সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে অন্তত ১১টি পঞ্চম প্রজন্মের জে-২০ ‘মাইটি ড্রাগন’ স্টেলথ আধুনিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে বেইজিং।

এ তথ্য প্রকাশের পর লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (এলএসি) ঘিরে চীনের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, নিজস্ব স্টেলথ যুদ্ধবিমান পূর্ণাঙ্গভাবে বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করতে ভারতের এখনও প্রায় এক দশক সময় লাগতে পারে।

ইমেজিং প্রতিষ্ঠান ভ্যানটরের প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যায়, গত ৯ জুলাই শিনজিয়াং উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের হোতান বিমানঘাঁটির রানওয়েতে সাতটি জে-২০ যুদ্ধবিমান অবস্থান করছিল। সামরিক ও বেসামরিক উভয় কাজে ব্যবহৃত এই ঘাঁটিটি ভারতের লেহ শহর থেকে প্রায় ৩৮৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং পূর্ব লাদাখে অবস্থিত ভারতীয় বিমান বাহিনীর দৌলত বেগ ওল্ডি ঘাঁটি থেকে মাত্র ২৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাণিজ্যিকভাবে পাওয়া স্যাটেলাইট চিত্রে ভারতমুখী কোনো চীনা বিমানঘাঁটিতে একসঙ্গে এত সংখ্যক জে-২০ যুদ্ধবিমান আগে কখনও দেখা যায়নি। ফলে সীমান্ত এলাকায় চীনের বিমান শক্তি বৃদ্ধির বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।

এদিকে আরেকটি স্যাটেলাইট ছবিতে তিব্বতের লাসা প্রিফেকচারের দামশুং বিমানঘাঁটিতে আরও চারটি জে-২০ যুদ্ধবিমান শনাক্ত করা হয়েছে। বিমানঘাঁটিটি ভারতের অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং থেকে প্রায় ৩৪৪ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ভারতীয় বিমান বাহিনী কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

জে-২০ যুদ্ধবিমানের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর স্টেলথ প্রযুক্তিনির্ভর নকশা। এই নকশার কারণে রাডারে বিমানের উপস্থিতি অনেকটাই কম ধরা পড়ে, ফলে শত্রুপক্ষের আকাশসীমায় তুলনামূলক কম ঝুঁকিতে অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয়। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তিগত সুবিধার কারণে জে-২০ ভারতের বর্তমান প্রধান যুদ্ধবিমানগুলোর তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। বিশেষ করে ফ্রান্সে নির্মিত রাফাল উন্নত চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হলেও এতে স্টেলথ সক্ষমতা নেই।

গত এক দশকে ভারত সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় চীনের জে-২০ মোতায়েন ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৬ সালে প্রথম তিব্বতের দাওচেং ইয়াডিং বিমানবন্দরে এই যুদ্ধবিমান দেখা যায়। এরপর ২০২৪ সালে সিকিম সীমান্তের নিকটবর্তী শিগাতসে বিমানঘাঁটিতে ছয়টি জে-২০ যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি ধরা পড়ে। সর্বশেষ স্যাটেলাইট চিত্রে দুই ঘাঁটিতে মোট ১১টি জে-২০ মোতায়েনের তথ্য প্রকাশ পাওয়ায় সীমান্ত অঞ্চলে চীনের সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সূত্র: ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়া

কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে ঢামেকে দুই হাজতির মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৫ এম
কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে ঢামেকে দুই হাজতির মৃত্যু

কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে দুই হাজতির মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তাদের মৃত্যু হয়।

তারা হলেন- মোহাম্মদ ইফতেখার মাহমুদ (৩৬) ও মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসাইন পলাশ (৩৮)।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

কারারক্ষী আমিনুল ইসলাম জানায়, ইফতেখার মাহমুদের হাজতি (হাজতি নম্বর-২৯৬৯২/২৬) হিসেবে কারাগারে ছিলেন। তার বাবার নাম মাহবুব আলম, বাসা রাজধানীর মিরপুরের পীরেরবাগে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর কারাগারের ভেতরেই তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। ওইদিনই তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসক তাকে মেডিসিন বিভাগের ৬০১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাত ৯ টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে কারারক্ষী মাসুম জানান, হাজতি তোফাজ্জল হোসাইন পলাশের বাবার নাম আলী হোসেন।বাসা দারুস সালাম থানার বাগবাড়ী এলাকায়। তার হাজতি নম্বর ৪৫৬৫/এ। বুধবার রাতেই হঠাৎ করে কারাগারে অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন তিনি। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে তাকে ঢামেকে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

তবে তারা কোন মামলায় কারাবন্দি ছিলেন, সে বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ কিছু জানায়নি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বাংলাদেশী ইমামের হাতে কোরিয়ান তরুণীর ইসলাম গ্রহণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৩ এম
বাংলাদেশী ইমামের হাতে কোরিয়ান তরুণীর ইসলাম গ্রহণ

কোরিয়ার আনসান মসজিদের নিয়মতান্ত্রিক বাংলাদেশী ইমাম ও খতীব মুফতী ফয়জুল্লাহ আমানের হাতে কোরিয়ান তরুণীর ইসলাম গ্রহণ করেছেন।

শুক্রবার ((২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) মুফতী ফয়জুল্লাহ আমানের হাতে কোরিয়ান তরুণী কিম চিন ইসলাম গ্রহণ করেছেন।

মুফতী ফয়জুল্লাহ আমান দৈনিক আমার বার্তাকে বলেন, আলহামদুলিল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ! আজ কিছুক্ষণ আগে (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার) আনসান মসজিদে এক কোরিয়ান তরুণী ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তিনি তাঁর এক বন্ধুর সঙ্গে মসজিদে ঘুরতে এসেছিলেন। খুব সংক্ষেপে আল্লাহ তাআলা, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং ইসলামের মৌলিক পরিচয় তার কাছে উপস্থাপন করলাম।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

কোরিয়ান তরুণী কিছু প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলেন উল্লেখ করে মুফতী ফয়জুল্লাহ আমান বলেন, কোরিয়ান এই তরুণ কিছু প্রশ্ন করার পর আমি এসবের জবাব তাকে শোনালাম। জবাব পেয়ে এই তরুণী অনেক খুশি হলেন। আর কোনো বিলম্ব করলেন না। ইসলামের কালেমা পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করলেন।

তিনি বলেন, ইসলাম গ্রহণের পর তার মুসলিম নাম রাখা হয় আয়েশা। তার কোরিয়ান নাম ছিল কিম চি।

প্রসঙ্গত আয়েশা এখন একজন কাজাখ মুসলিমকে বিয়ে করবেন। তবে বিয়ের জন্যই ইসলাম গ্রহণ করেছেন এমন নয় বলে জানিয়েছেন তিনি।

মুফতী ফয়জুল্লাহ আমান বলেন, ইসলাম প্রকৃতিগতভাবেই সরল ও সহজাত ধর্ম। অথচ ভুল ধারণা ও অপপ্রচারের কারণে অনেক অমুসলিম ইসলামকে ভয় পান। সুন্দর আচরণ, আন্তরিকতা ও সহজ ভাষায় ইসলামের প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরলে সেই ভয় ও ভুল ধারণা দূর করা সম্ভব।

তিনি বলেন, কোরিয়ার মাটিতে ইসলামের দাওয়াহর এমন সুন্দর মুহূর্তগুলো আমাদের অনুপ্রাণিত করে। আল্লাহ তাআলা আমাদের নবমুসলিম বোন আয়েশাকে ঈমানের ওপর অটল রাখুন এবং তাঁর জীবনকে শান্তি ও কল্যাণে পরিপূর্ণ করুন।

ডেঙ্গুতে ২৫ দিনে ১১৪ মৃত্যু, চলতি বছরে আক্রান্ত ৭০ হাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০১ এম
ডেঙ্গুতে ২৫ দিনে ১১৪ মৃত্যু, চলতি বছরে আক্রান্ত ৭০ হাজার

গেল পঁচিশ দিনে ১১৪ জন ডেঙ্গুতে মারা গিয়েছেন। আক্রান্ত হয়েছেন চলতি বছরে আক্রান্ত ৭০ হাজার জন মানুষ। এদিকে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই ডেঙ্গুতে মৃত্যু সবচেয়ে বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের ২৫ দিনেই ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে ৯৫৫ জন গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৭০ হাজার ১০৪ জন। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত দুজনই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৬৪ হাজার ৮২৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। এদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছে ৯৫৩ জন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের এই ২৫ দিনে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের মাসে অর্থাৎ আগস্টে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ছিল ৪৩ জনের। এ ছাড়া জুলাই মাসে ৩৬, জুনে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এদিকে মে মাসে ১, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে দুজন করে মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক