শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

জিয়ালা গাছের ফল খেয়ে ১৪ শিশু অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি ৯

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:০৬ পিএম
জিয়ালা গাছের ফল খেয়ে ১৪ শিশু অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি ৯

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় খেলতে গিয়ে ‘কাঠবাদাম’ ভেবে বিষাক্ত জিয়ালা গাছের ফল খেয়ে বিভিন্ন বয়সী ১৪ শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে অতিরিক্ত পেটে ব্যথা ও বমি হওয়ায় ৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে চিকিৎসার মাধ্যমে শিশুরা বর্তমানে সুস্থ হয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুরা হলো- মোস্তাকিন (১২), কাফি (১২), আমেনা খাতুন (৩), হালিমা (৯), রক্তিমা (১১), রিয়াদ (১১), ফেরদৌস (১০), ফুয়াদ (১২) এবং মোস্তাকিম (৯)। এদের সকলের বাড়ি গাংনী উপজেলার সহড়াবাড়ীয়া গ্রামে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে গ্রামের ৩ থেকে ১২ বছর বয়সী একদল শিশু একসঙ্গে খেলতে যায়। খেলাধুলার একপর্যায়ে সড়কের পাশে থাকা একটি জিয়ালা গাছের ফলকে কাঠবাদাম মনে করে তারা খেতে শুরু করে। ফলটি খেতে মিষ্টি হওয়ায় অবুঝ শিশুরা বেশ তৃপ্তি সহকারেই তা গ্রহণ করে। ফল খাওয়ার পরপরই কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা না দিলেও, সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পর একে একে সব শিশুর প্রচণ্ড পেটে ব্যথা ও বমি শুরু হয়। বিষয়টি টের পেয়ে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং রাতেই তাদের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

অসুস্থ শিশু ফুয়াদ জানায়, খেলা শেষে বাড়ি ফেরার সময় এক বন্ধু বলে যে এই ফল খেতে খুব ভালো। তার দেখাদেখি অন্য সবাই গাছ থেকে পেড়ে ফল খেতে শুরু করে। ফলটি মিষ্টি হওয়ায় তখন কোনো সমস্যা মনে হয়নি, কিন্তু বাড়ি ফেরার পরই পেট ব্যথা ও বমি শুরু হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, বিদেশি এই গাছটির আসল নাম ‘বার্বাডোজ নাট’ (Barbados Nut), যা মেহেরপুর অঞ্চলে স্থানীয়ভাবে ‘জিয়ালা’ বা ‘কচা’ গাছ নামে পরিচিত। এই গাছের ফল ও পাতা অত্যন্ত বিষাক্ত। এটি খেলে পেটে ব্যথা, বমি এবং মারাত্মক ডায়রিয়া হতে পারে। অসুস্থ শিশুদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং বর্তমানে তারা সকলেই আশঙ্কামুক্ত রয়েছে।

উল্লেখ্য, স্থানীয়ভাবে জিয়ালা বা কচা গাছ সাধারণত বসতবাড়ি এবং ফসলি জমির বেড়া তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। এই গাছের ফল ও পাতা গরু-ছাগলে খায় না বলে এটি বেড়া হিসেবে বেশ কার্যকরী। তবে এই ফলটি যে মানুষের শরীরের জন্য বিষাক্ত, তা শিশুদের জানা ছিল না বলেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটেছে।

কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে ঢামেকে দুই হাজতির মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৫ এম
কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে ঢামেকে দুই হাজতির মৃত্যু

কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে দুই হাজতির মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তাদের মৃত্যু হয়।

তারা হলেন- মোহাম্মদ ইফতেখার মাহমুদ (৩৬) ও মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসাইন পলাশ (৩৮)।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

কারারক্ষী আমিনুল ইসলাম জানায়, ইফতেখার মাহমুদের হাজতি (হাজতি নম্বর-২৯৬৯২/২৬) হিসেবে কারাগারে ছিলেন। তার বাবার নাম মাহবুব আলম, বাসা রাজধানীর মিরপুরের পীরেরবাগে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর কারাগারের ভেতরেই তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। ওইদিনই তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসক তাকে মেডিসিন বিভাগের ৬০১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাত ৯ টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে কারারক্ষী মাসুম জানান, হাজতি তোফাজ্জল হোসাইন পলাশের বাবার নাম আলী হোসেন।বাসা দারুস সালাম থানার বাগবাড়ী এলাকায়। তার হাজতি নম্বর ৪৫৬৫/এ। বুধবার রাতেই হঠাৎ করে কারাগারে অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন তিনি। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে তাকে ঢামেকে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

তবে তারা কোন মামলায় কারাবন্দি ছিলেন, সে বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ কিছু জানায়নি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বাংলাদেশী ইমামের হাতে কোরিয়ান তরুণীর ইসলাম গ্রহণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৩ এম
বাংলাদেশী ইমামের হাতে কোরিয়ান তরুণীর ইসলাম গ্রহণ

কোরিয়ার আনসান মসজিদের নিয়মতান্ত্রিক বাংলাদেশী ইমাম ও খতীব মুফতী ফয়জুল্লাহ আমানের হাতে কোরিয়ান তরুণীর ইসলাম গ্রহণ করেছেন।

শুক্রবার ((২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) মুফতী ফয়জুল্লাহ আমানের হাতে কোরিয়ান তরুণী কিম চিন ইসলাম গ্রহণ করেছেন।

মুফতী ফয়জুল্লাহ আমান দৈনিক আমার বার্তাকে বলেন, আলহামদুলিল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ! আজ কিছুক্ষণ আগে (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার) আনসান মসজিদে এক কোরিয়ান তরুণী ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তিনি তাঁর এক বন্ধুর সঙ্গে মসজিদে ঘুরতে এসেছিলেন। খুব সংক্ষেপে আল্লাহ তাআলা, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং ইসলামের মৌলিক পরিচয় তার কাছে উপস্থাপন করলাম।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

কোরিয়ান তরুণী কিছু প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলেন উল্লেখ করে মুফতী ফয়জুল্লাহ আমান বলেন, কোরিয়ান এই তরুণ কিছু প্রশ্ন করার পর আমি এসবের জবাব তাকে শোনালাম। জবাব পেয়ে এই তরুণী অনেক খুশি হলেন। আর কোনো বিলম্ব করলেন না। ইসলামের কালেমা পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করলেন।

তিনি বলেন, ইসলাম গ্রহণের পর তার মুসলিম নাম রাখা হয় আয়েশা। তার কোরিয়ান নাম ছিল কিম চি।

প্রসঙ্গত আয়েশা এখন একজন কাজাখ মুসলিমকে বিয়ে করবেন। তবে বিয়ের জন্যই ইসলাম গ্রহণ করেছেন এমন নয় বলে জানিয়েছেন তিনি।

মুফতী ফয়জুল্লাহ আমান বলেন, ইসলাম প্রকৃতিগতভাবেই সরল ও সহজাত ধর্ম। অথচ ভুল ধারণা ও অপপ্রচারের কারণে অনেক অমুসলিম ইসলামকে ভয় পান। সুন্দর আচরণ, আন্তরিকতা ও সহজ ভাষায় ইসলামের প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরলে সেই ভয় ও ভুল ধারণা দূর করা সম্ভব।

তিনি বলেন, কোরিয়ার মাটিতে ইসলামের দাওয়াহর এমন সুন্দর মুহূর্তগুলো আমাদের অনুপ্রাণিত করে। আল্লাহ তাআলা আমাদের নবমুসলিম বোন আয়েশাকে ঈমানের ওপর অটল রাখুন এবং তাঁর জীবনকে শান্তি ও কল্যাণে পরিপূর্ণ করুন।

ডেঙ্গুতে ২৫ দিনে ১১৪ মৃত্যু, চলতি বছরে আক্রান্ত ৭০ হাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০১ এম
ডেঙ্গুতে ২৫ দিনে ১১৪ মৃত্যু, চলতি বছরে আক্রান্ত ৭০ হাজার

গেল পঁচিশ দিনে ১১৪ জন ডেঙ্গুতে মারা গিয়েছেন। আক্রান্ত হয়েছেন চলতি বছরে আক্রান্ত ৭০ হাজার জন মানুষ। এদিকে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই ডেঙ্গুতে মৃত্যু সবচেয়ে বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের ২৫ দিনেই ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে ৯৫৫ জন গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৭০ হাজার ১০৪ জন। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত দুজনই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৬৪ হাজার ৮২৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। এদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছে ৯৫৩ জন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের এই ২৫ দিনে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের মাসে অর্থাৎ আগস্টে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ছিল ৪৩ জনের। এ ছাড়া জুলাই মাসে ৩৬, জুনে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এদিকে মে মাসে ১, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে দুজন করে মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক