সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, যেভাবে হয়ে ওঠেন ইরানের প্রভাবশালী সর্বোচ্চ নেতা

মিরন নাজমুল বার্সেলোনা প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৮ পিএম
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, যেভাবে হয়ে ওঠেন ইরানের প্রভাবশালী সর্বোচ্চ নেতা

১৪ বছর নির্বাসন শেষে ১৯৭৯ সালে তেহরানে ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন। ছবি- ইন্টারনেট থেকে।

ইরানের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এমন এক ব্যক্তিত্ব, যার উত্থান শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়; বরং ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব-পরবর্তী রাষ্ট্রব্যবস্থা, ধর্মীয় নেতৃত্ব এবং ক্ষমতার কাঠামোর সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা একটি প্রক্রিয়া। কয়েক দশক ধরে তিনি দেশটির সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে যে প্রভাব বজায় রেখেছিলেন, তার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, বিপ্লবী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা, রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা এবং সাংবিধানিক পরিবর্তনের মাধ্যমে তৈরি হওয়া বিশেষ পরিস্থিতি।

১৯৩৯ সালে উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে এক ধর্মীয় পরিবারে জন্ম নেওয়া খামেনি ছোটবেলা থেকেই ধর্মীয় শিক্ষার পরিবেশে বেড়ে ওঠেন। মাশহাদে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে তিনি শিয়া মুসলিমদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কেন্দ্র কোমে উচ্চতর ধর্মীয় শিক্ষায় যোগ দেন। সেখানে তিনি আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির চিন্তাধারায় গভীরভাবে প্রভাবিত হন এবং শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির শাসনের বিরুদ্ধে ধর্মীয়-রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন।

ইসলামি বিপ্লবের প্রাক্কালে ধর্মীয় আলেমদের বৈঠকে বক্তব্য দিচ্ছেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি; পাশে ঘনিষ্ঠ সহচররা। ছবি- ইন্টারনেট থেকে।

ষাটের দশক থেকেই খামেনি শাহবিরোধী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। এই সময় একাধিকবার তাকে গ্রেফতার ও কারাবরণ করতে হয়। বিপ্লবপূর্ব এই রাজনৈতিক সংগ্রাম তাকে খোমেনির ঘনিষ্ঠ অনুসারীদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে এবং পরবর্তী সময়ের ক্ষমতার কাঠামোয় প্রবেশের পথ তৈরি করে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে রাজতন্ত্রের পতনের পর নতুন ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে খামেনি বিপ্লবী পরিষদের সদস্য হন। পরে তিনি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সংগঠনে ভূমিকা রাখেন, যা পরবর্তীতে ইরানের অন্যতম শক্তিশালী সামরিক-রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।

১৯৮১ সালে তেহরানের একটি মসজিদে বোমা হামলায় গুরুতর আহত হন খামেনি এবং তার ডান হাত আংশিকভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যায়। একই বছর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আলী রাজাই নিহত হলে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে তিনি এই দায়িত্ব পালন করেন। এই সময় ইরান-ইরাক যুদ্ধ, রাষ্ট্রীয় পুনর্গঠন এবং বিপ্লব-পরবর্তী ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর সঙ্গে তিনি সরাসরি যুক্ত ছিলেন।

বাম পাশে তরুণ বয়সের আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি; ডান পাশে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা হিসেবে তাঁর পরবর্তী সময়ের প্রতিকৃতি।
ছবি- ইন্টারনেট থেকে।

খামেনির জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর। ইরানের সংবিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস নামের ধর্মীয় আলেমদের একটি পরিষদের ওপর ন্যস্ত। খোমেনির মৃত্যুর পর এই পরিষদ খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচন করে। তবে তখন তিনি সংবিধানে নির্ধারিত ‘গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ’ মর্যাদায় পৌঁছাননি। এই জটিলতা কাটাতে সংবিধানে সংশোধন আনা হয় এবং তার ধর্মীয় পদমর্যাদা দ্রুত উন্নীত করা হয়, যাতে তিনি সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব নিতে পারেন।

সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর খামেনি ধীরে ধীরে রাষ্ট্রের সব গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের ওপর প্রভাব বিস্তার করেন। তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক, বিচার বিভাগের প্রধান নিয়োগকারী, রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের নিয়ন্ত্রক এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের সদস্য মনোনয়নকারী হিসেবে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেও চূড়ান্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত তার অনুমোদন ছাড়া কার্যকর হতো না।

তার নেতৃত্বের সময় ইরান নানা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে—২০০৯ সালের নির্বাচনের পর আন্দোলন, পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা, কাসেম সোলেইমানি হত্যাকাণ্ড, অর্থনৈতিক চাপ এবং দেশজুড়ে বিক্ষোভ—সব ক্ষেত্রেই তিনি রাষ্ট্রের নীতিগত অবস্থান নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।

খামেনি তার ক্ষমতা ধরে রাখার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভেতরে একটি অনুগত রক্ষণশীল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস, গার্ডিয়ান কাউন্সিল এবং আইআরজিসির মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি রাজনৈতিক ভারসাম্য নিজের পক্ষে রাখেন। ফলে ইরানের নির্বাচনী ব্যবস্থায় জনগণের ভোট থাকলেও ক্ষমতার মূল নিয়ন্ত্রণ সর্বোচ্চ নেতার হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে।

ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোয় সর্বোচ্চ নেতা আজীবন দায়িত্বে থাকতে পারেন। সেই ব্যবস্থার মধ্য দিয়েই খামেনি তিন দশকের বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় ছিলেন এবং খোমেনির পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দীর্ঘতম সময় দায়িত্ব পালন করেন।

তার উত্থান দেখায়, ইরানে ধর্মীয় নেতৃত্ব, বিপ্লবী বৈধতা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং সাংবিধানিক পরিবর্তনের সমন্বয় কীভাবে একজন নেতাকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতার আসনে বসাতে পারে। একই সঙ্গে এটি ইরানের অনন্য শাসনব্যবস্থার একটি স্পষ্ট উদাহরণ, যেখানে নির্বাচিত সরকারের ওপরেও একটি ধর্মীয়-রাজনৈতিক কর্তৃত্ব চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ধরে রাখে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি, রয়টার্স, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, আল জাজিরা, এএফপি

চীনের কাছেই অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব ট্রাম্পের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২২ পিএম
চীনের কাছেই অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব ট্রাম্পের

তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি নিয়ে বেইজিংয়ের উদ্বেগের জবাবে চীনের কাছেই অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার সম্প্রচারিত ফক্স নিউজের এক সাক্ষাৎকারে চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ এ তথ্য জানিয়েছেন।

চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে। স্বশাসিত এই দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে বিরোধের অন্যতম প্রধান কারণ। তবে আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে তাইওয়ানকে আত্মরক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে অস্ত্র সরবরাহ করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র।

ডেভিড পারডিউ জানান, গত সপ্তাহে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পারডিউ বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বরাবরই বলে আসছেন, ‘আমরা তো বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছেও অস্ত্র বিক্রি করি।’ এমনকি একপর্যায়ে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট সিকে সরাসরি জিজ্ঞেস করেছিলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কোনো অস্ত্র কিনতে চান কি না।

পারডিউ বলেন, ‘অন্যান্য অস্ত্র বিক্রির বিষয়েও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। ট্রাম্প ও প্রেসিডেন্ট সি যখনই একসঙ্গে বসেন, তখনই তাঁরা এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেন।’ তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

এর আগে গত জুনে চীন তাইওয়ানকে সতর্ক করে বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করে কিংবা সামরিক উপায়ে স্বাধীনতা অর্জনের চেষ্টা বৃথা চেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়।

গত বছরের ডিসেম্বরে তাইওয়ানের কাছে ১ হাজার ১১০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেয় ওয়াশিংটন। এ প্রসঙ্গে পারডিউ বলেন, ১৯৭৯ সালের পর যেকোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের আমলে তাইওয়ানের কাছে এটিই সবচেয়ে বড় অস্ত্র বিক্রির ঘটনা।

যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং আবারও ট্রাম্পকে তাইওয়ান ইস্যুতে ‘বিচক্ষণতা’ দেখানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি তাইওয়ানের স্বাধীনতার বিরোধিতা করার কথাও বলেন।

এদিকে গত মে মাসে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তাইওয়ানের জন্য আসন্ন একটি অস্ত্রসহায়তা প্যাকেজকে চীনের সঙ্গে দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর তাইওয়ানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।

বাজিতপুরে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৯ পিএম
বাজিতপুরে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে স্ত্রী ঝর্ণা আক্তার (২৭) হত্যা মামলায় স্বামী ইসমাইল ওরফে সাগর মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ রোববার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক সুপ্রিয়া রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি ইসমাইল পলাতক ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ইসমাইল ওরফে সাগর মিয়া কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার উত্তর সরারচর গ্রামের মৃত আয়েত আলীর ছেলে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই ঝর্ণা আক্তারকে তার স্বামী নির্যাতন করতেন। ২০১৬ সালের ১২ এপ্রিল সন্ধ্যায় বাবার বাড়িতে রান্না করার সময় স্বামী ইসমাইলের সঙ্গে ঝর্ণার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ইসমাইল ছুরি দিয়ে ঝর্ণা আক্তারকে আঘাত করেন।

পরে পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত অবস্থায় ঝর্ণা আক্তারকে ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের মা জাহেরা বেগম বাদী হয়ে বাজিতপুর থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আসামি ইসমাইল ওরফে সাগর মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

লালমনিরহাটে ট্রাকচাপায় নিহত ৩, আহত ৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫৬ পিএম
লালমনিরহাটে ট্রাকচাপায় নিহত ৩, আহত ৫

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ঘুন্টি বাজার এলাকায় লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন বুড়িমারী ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া এলাকার মাছ ব্যবসায়ী নুর আমিন, একই ইউনিয়নের গুড়িয়াটারী এলাকার মাছ ব্যবসায়ী ফাতুল মিয়া এবং ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৮টার দিকে পাটগ্রাম থেকে বুড়িমারীগামী একটি ডাম্পার ট্রাক ঘুন্টি বাজার এলাকায় পৌঁছালে এর একটি চাকা বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এতে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশাকে চাপা দেয়। পরে ট্রাকটি পাশের একটি দোকানে ঢুকে যায়।

এতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও একজন মারা যান। দুর্ঘটনায় আহত হন আরও পাঁচজন। গুরুতর আহতদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পাটগ্রাম থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ট্রাক ও অটোরিকশার সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও একজনের মৃত্যু হয়। এতে প্রায় পাঁচজন আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক