সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

কঙ্গোতে গণকবরে মিলল ১৭১ মরদেহ

প্রবাহ বাংলা ডেস্ক ঢাকা, বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫৪ এম
কঙ্গোতে গণকবরে মিলল ১৭১ মরদেহ

কঙ্গোতে গণকবরে মিলল ১৭১ মরদেহ

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের পূর্বাঞ্চল থেকে এম২৩ বিদ্রোহীরা সরে যাওয়ার পর সেখানে দুটি গণকবরের সন্ধান পেয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও একটি নাগরিক সমাজ সংগঠন।

বৃহস্পতিবার দেশটির উভিরা শহরের উপকণ্ঠে কিরোমনি ও কাভিমভিরা এলাকায় এই গণকবরগুলো থেকে অন্তত ১৭১টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

দক্ষিণ কিভু প্রদেশের গভর্নর জ্যাঁ-জ্যাক পুরুসি জানান, কিরোমনিতে প্রায় ৩০টি এবং কাভিমভিরায় ১৪১টি মরদেহ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সংগঠন সিভিলিয়ান প্রোটেকশন নেটওয়ার্কের এক নেতা দাবি করেছেন, নিহতরা এম২৩ বিদ্রোহীদের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন। বিদ্রোহীদের ধারণা ছিল, নিহতরা সরকারি বাহিনী বা সরকারপন্থি মিলিশিয়ার সদস্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তবে এসব অভিযোগ এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। মানবাধিকার সংগঠনগুলো অতীতে কঙ্গোর সেনাবাহিনী ও এম২৩ উভয় পক্ষের বিরুদ্ধেই বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছিল। খনিজসম্পদসমৃদ্ধ এই অঞ্চলটি রুয়ান্ডা সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সংঘাতের কেন্দ্রে রয়েছে।

২০২১ সালে লড়াই তীব্র হওয়ার পর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বিদ্রোহীরা উত্তর কিভুর রাজধানী গোমা দখল করে। পরবর্তীতে দক্ষিণ কিভুর বুকাভু ও উভিরাও তাদের নিয়ন্ত্রণে যায়। তবে সম্প্রতি শান্তি প্রক্রিয়ায় সহায়তার কথা বলে বিদ্রোহীরা উভিরা থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। কঙ্গো সরকার এই বিদ্রোহীদের সহায়তার জন্য প্রতিবেশী রুয়ান্ডাকে দায়ী করে আসছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৭০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং নিহত হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। পূর্ব কঙ্গোর এই সংঘাত বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকটে পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

এআই দিয়ে নারী সেনাসদস্য সেজে ইতালি প্রবাসীর সঙ্গে প্রেম, যুবক গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৪ পিএম
এআই দিয়ে নারী সেনাসদস্য সেজে ইতালি প্রবাসীর সঙ্গে প্রেম, যুবক গ্রেফতার

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নারী সদস্যের ছবি ও ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহারের অভিযোগে তোফায়েল আলম টিটু নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নারী পরিচয়ে ইতালি প্রবাসী এক তরুণের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বিভিন্ন কৌশলে প্রায় সাত লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) পিবিআই ঢাকা জেলা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির পুলিশ সুপার এম. এন. মোর্শেদ।

পিবিআই জানায়, ‘লেডি সোলজার/নারী যোদ্ধা’ নামে একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে নারী পরিচয়ে ইতালি প্রবাসী শাহাদাত খান (২২) নামের এক তরুণের সঙ্গে টিটুর পরিচয় হয়। ওই পেজে সেনাবাহিনীর নারী সদস্যের পোশাক পরা ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করা হতো।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

পরে নারীসুলভ কণ্ঠে ফোন ও ইমোর মাধ্যমে শাহাদাতের সঙ্গে কথা বলে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগ ওঠে টিটুর বিরুদ্ধে। একপর্যায়ে বিভিন্ন কৌশলে শাহাদাত ও তার মায়ের কাছ থেকে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে প্রায় সাত লাখ টাকা নেওয়া হয়। নিজের মায়ের অসুস্থতার কথা বলেও বিভিন্ন সময়ে টাকা নেওয়া হয়েছে বলে তদন্তে জানতে পেরেছে পিবিআই।

পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার এম. এন. মোর্শেদ জানান, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার বারিশুর বাঘবাড়ি এলাকার বাসিন্দা শাহনাজ বেগমের ইতালি প্রবাসী ছেলে শাহাদাতের সঙ্গে ফেসবুকের ওই পেজের মাধ্যমে টিটুর পরিচয় হয়। পরে ইমোতে নারী কণ্ঠে কথা বলার মাধ্যমে তিনি সম্পর্কটি বজায় রাখতেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা প্রথমে আদালতে সিআর মামলা করেন। মামলাটি তদন্তের সময় প্রতারণার বিভিন্ন তথ্য পাওয়ার পর বিকাশ ও নগদের লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করে পিবিআই। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অবস্থান শনাক্তের পর ১০ সেপ্টেম্বর কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করা হয়।

১৩ সেপ্টেম্বর মামলাটি স্বউদ্যোগে তদন্তের জন্য নেয় পিবিআই ঢাকা জেলা। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. মনজুর রহমান বিভিন্ন তথ্য ও নথি বিশ্লেষণ করে তোফায়েল আলম টিটুর সম্পৃক্ততার তথ্য পান।

এরপর ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটে ঢাকার দারুস সালাম এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিকাশ ও নগদ অ্যাকাউন্টের সিমসহ তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারের পর ২১ সেপ্টেম্বর টিটুকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।

পিবিআই জানিয়েছে, তোফায়েল নারীর মতো কণ্ঠে কথা বলতে পারেন। ফেসবুক মেসেঞ্জারে শাহাদাতের সঙ্গে পরিচয়ের পর ইমোতে নারী কণ্ঠে কথা বলে তিনি সম্পর্কটি বজায় রাখতেন বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। শাহাদাতের মায়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে পিবিআইয়ের পিসিপিআর যাচাইয়ে তোফায়েলের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ আদালতে একটি সিআর মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। ওই মামলার তদন্ত শেষে আদালত তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।

প্রতারণার ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না এবং আত্মসাৎ করা অর্থের বিষয়ে অতিরিক্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।

 

এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডার ২ হাজারের ওপরে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩১ পিএম
এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডার ২ হাজারের ওপরে

এক ধাক্কায় আমদানি প্রায় ২৫ শতাংশ কমে যাওয়ায় দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে। এই সুযোগে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে সিলিন্ডারপ্রতি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে। ফলে খুচরা বাজারে বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম দুই হাজার টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

বিইআরসি ও এলপিজি আমদানিকারক সূত্র জানায়, গত আগস্টে দেশে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টন এলপিজি আমদানি হয়েছিল। চলতি সেপ্টেম্বরে তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টনে। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে আমদানি কমেছে প্রায় ৪০ হাজার টন বা ২৫ শতাংশ।

এর আগে ২ সেপ্টেম্বর ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। কিন্তু নির্ধারিত দামে বাজারে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। ভোক্তাদের বর্তমানে ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের জন্য ২ হাজার থেকে ২ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

আমদানিকারকেরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থার কারণে লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এতে বিশ্বজুড়ে জাহাজসংকট দেখা দেওয়ার পাশাপাশি পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে কয়েক গুণ। বাংলাদেশের এলপিজির প্রধান আমদানি উৎস মধ্যপ্রাচ্য হওয়ায় এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে।

মেঘনা ফ্রেশ এলপিজি লিমিটেডের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (সিএমও) আবু সাঈদ রেজা বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কার্গো পাওয়া যাচ্ছে না। আগে একটি নৌপথ বন্ধ থাকলে অন্য পথ ব্যবহার করা যেত।

তিনি আরও জানান, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থাকা সত্ত্বেও অনেক বৈশ্বিক সরবরাহকারী ২০ শতাংশ পর্যন্ত সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। এমনকি বাড়তি প্রিমিয়াম দিয়েও খোলাবাজার থেকে কার্গো সংগ্রহ করা যাচ্ছে না।

আমদানিকারকদের দাবি, বিশ্ববাজারে বাড়তি প্রিমিয়াম ও পরিবহন ব্যয়ের চাপ বিইআরসির মাসিক মূল্য নির্ধারণে পুরোপুরি সমন্বয় করা হচ্ছে না। এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সদস্যরা জানান, বিশ্ববাজারে কার্গো প্রিমিয়াম টনপ্রতি বিইআরসির নির্ধারিত ১৬০ ডলার থেকে বেড়ে ২৬০ থেকে ৪০০ ডলারে পৌঁছেছে।

তাদের মতে, নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি করে বাড়তি খরচ সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে লোকসান এড়াতে অনেক আমদানিকারক আমদানির পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন।

ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তানজীম চৌধুরী বলেন, সেপ্টেম্বরে তারা প্রায় ৩০ হাজার টন এলপিজি আমদানি করেছেন। বৈশ্বিক সংকটের কারণে উৎপাদকদের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।

দেশে বছরে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লাখ টন এলপিজির চাহিদা রয়েছে। এর প্রায় ৮০ শতাংশ গৃহস্থালির রান্নায় ব্যবহৃত হয়। মোট চাহিদার প্রায় ৯৯ শতাংশই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়।

বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত জাহাজ যথাসময়ে না পৌঁছায় সেপ্টেম্বর মাসে বাজারে সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সংকট কাটাতে দ্রুত আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, বৈশ্বিক নৌপথের জটিলতা দূর না হলে এবং প্রয়োজনীয় কার্গো নিশ্চিত করা না গেলে অক্টোবরেও এলপিজির এই সংকট অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

 

ছাত্র আন্দোলনের চাপে পদত্যাগ করলেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ভুচিচ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৮ পিএম
ছাত্র আন্দোলনের চাপে পদত্যাগ করলেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ভুচিচ

ছাত্রদের নেতৃত্বে চলমান গণআন্দোলনের মুখে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচ পদত্যাগ করেছেন। তবে তার এই পদত্যাগকে সরাসরি ক্ষমতা ছাড়ার সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে না। বরং ২৫ অক্টোবরের আগাম সংসদীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হয়ে ক্ষমতায় থাকার কৌশল হিসেবেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এক দশকের বেশি সময় ধরে সার্বিয়ার রাজনীতিতে প্রভাবশালী অবস্থানে থাকা ভুচিচের জন্য এই আন্দোলন এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় সামাজিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

২০২৪ সালের নভেম্বরে নোভি সাদের একটি রেলস্টেশনে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত হওয়ার পর থেকেই সার্বিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। দুর্নীতি, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও প্রশাসনিক অস্বচ্ছতার অভিযোগ তুলে ছাত্রদের নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলনে পরে লাখো মানুষ যোগ দেন। দীর্ঘদিনের বিক্ষোভ ও জনদাবির মুখে ভুচিচ আগাম নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

আগামী নির্বাচনে ভুচিচের ক্ষমতাসীন সার্বিয়ান প্রগ্রেসিভ পার্টির (এসএনএস) প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সামনে এসেছে ছাত্র ও বিভিন্ন বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত ‘ছাত্রদের জয়’ জোট।

সার্বিয়ার এই রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব দেশটির সীমানা ছাড়িয়ে পশ্চিম বলকান অঞ্চলেও পড়ছে। প্রতিবেশী দেশগুলো আশা করছে, সার্বিয়ায় রাজনৈতিক পরিবর্তন হলে পুরো অঞ্চলের কূটনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা কমতে পারে।

অন্যদিকে, চীনা বিনিয়োগ ও রাশিয়ার জ্বালানি সহযোগিতা থাকা সত্ত্বেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর তুলনায় সার্বিয়ার অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার মান পিছিয়ে রয়েছে। আসন্ন নির্বাচনে এই বিষয়টিও ভোটারদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভুচিচ নির্বাচনে পরাজিত হলেও পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব তৈরি হয়ে সার্বিয়ায় নতুন রাজনৈতিক সংকট দেখা দিতে পারে।

 

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক