সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

রেস্টুরেন্টে অভিনেত্রী সোনারিকার ভয়ংকর যৌন হয়রানির অভিজ্ঞতা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:২৩ পিএম
রেস্টুরেন্টে অভিনেত্রী সোনারিকার ভয়ংকর যৌন হয়রানির অভিজ্ঞতা

হিন্দি ধারাবাহিক ও তেলেগু সিনেমার পরিচিত মুখ সোনারিকা ভাদোরিয়া। ‘দেবো কে দেব মহাদেব’ ধারাবাহিকে পার্বতীর চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে পরিচিতি পান তিনি। পর্দায় প্রশংসিত এই অভিনেত্রী সম্প্রতি শৈশবের এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন, যা এখনো তাঁকে তাড়া করে বেড়ায়।

সোনারিকা জানিয়েছেন, মাত্র ১০-১১ বছর বয়সে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার বিবরণ দেন অভিনেত্রী। ছোটবেলায় এক পাতানো দাদাকে রাখি পরাতে গিয়েছিলেন তিনি। রাখি পরানোর আনুষ্ঠানিকতা শেষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুপুরের খাবার খেতে একটি রেস্টুরেন্টে যান। সেখানেই ঘটে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি।

অভিনেত্রীর বর্ণনা অনুযায়ী, রেস্টুরেন্টের একজন ম্যানেজার তাঁর সঙ্গে ছিলেন। একটি দরজা থেকে অন্য দরজায় যাওয়ার পথে অন্ধকার একটি জায়গা দিয়ে পাশাপাশি হাঁটছিলেন তাঁরা। কয়েক পা এগোনোর পর ওই ম্যানেজার তাঁর শরীরে আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

সোনারিকার অভিযোগ, ওই ব্যক্তি তাঁর বুকে হাত দিয়েছিলেন। আকস্মিক এ ঘটনায় হতভম্ব হয়ে পড়েন শিশুটি। কী ঘটেছে, তা বোঝার মতো বয়স তখনো হয়নি তাঁর। অভিনেত্রীর ভাষায়, ঘটনার পর তিনি পুরোপুরি চুপ হয়ে গিয়েছিলেন। কোনো প্রতিবাদ করতে পারেননি। এমনকি তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের কাউকেও বিষয়টি জানাননি।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই ঘটনার ভয়াবহতা উপলব্ধি করতে শুরু করেন সোনারিকা। কৈশোরে মায়ের কাছে বিষয়টি খুলে বলেন। মেয়ের মুখে এমন অভিজ্ঞতার কথা শুনে ভেঙে পড়েছিলেন তাঁর মা। এত দিন কেন বিষয়টি কাউকে জানাননি, সে প্রশ্নও করেছিলেন তিনি। জবাবে সোনারিকা জানিয়েছিলেন, ঘটনার সময় তাঁর সঙ্গে কী ঘটেছিল, তা বুঝতে পারেননি।

অভিনেত্রী আরও জানান, এখনো বাবাকে শৈশবের ওই ঘটনার কথা বলেননি তিনি। তাঁর আশঙ্কা, বাবা বিষয়টি জানতে পারলে অভিযুক্ত ব্যক্তির ওপর প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হবেন। এমনকি ওই ব্যক্তি বেঁচে না থাকলেও তাঁকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করতে পারেন বলে মনে করেন সোনারিকা।

উল্লেখ্য, ‘দেবো কে দেব মহাদেব’ ছাড়াও ‘তুম দেনা সাথ মেরা’, ‘পৃথ্বী বল্লভ’, ‘দাস্তান-এ-মোহব্বত সলিম অনারকলী’ ও ‘ইশক মে মরজাবা’সহ একাধিক ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন সোনারিকা।

আসামে উচ্ছেদ অভিযানে ঘরহারা ৪ হাজারের বেশি বাঙালি মুসলমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ২:৩৩ এম
আসামে উচ্ছেদ অভিযানে ঘরহারা ৪ হাজারের বেশি বাঙালি মুসলমান

আসামের ধুবড়ি জেলার আলমগঞ্জে সরকারি জমি থেকে উচ্ছেদ অভিযানে গৃহহীন হয়েছেন চার হাজারের বেশি বাঙালি মুসলমান। প্রায় ৭৫০টি পরিবারের বসতবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। উচ্ছেদ হওয়া এসব পরিবারের অনেকেই এখন আশ্রয়হীন অবস্থায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।

রোববার ধুবড়ি জেলার ৯ নম্বর ব্লকের প্রায় ৬৫০ বিঘা সরকারি জমিতে এ অভিযান চালানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসা পরিবারগুলোর ঘরবাড়ি ভাঙতে ব্যবহার করা হয় প্রায় ৬০টি বুলডোজার। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুরো অভিযান তদারকি করেন আসামের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা আইজিপি অখিলেশ কুমার সিং ও ধুবড়ির জেলা কমিশনার দিবাকর নাথ।

জেলা কমিশনার দিবাকর নাথ জানান, মোট ৮০০ বিঘা জমি থেকে উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে আদালত-সংক্রান্ত বিষয় বিচারাধীন থাকায় বাকি ১৫০ বিঘা জমিতে আপাতত অভিযান চালানো হয়নি। উচ্ছেদ করা জমি শিল্প বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সেখানে দুই বছর ধরে পরিকল্পনাধীন একটি শিল্পপার্ক নির্মাণের উদ্যোগ রয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তিনি দাবি করেন, স্থানীয় বাসিন্দারা বিভিন্ন সময়ে জমি দখল করে বসতি গড়েছিলেন। তাঁদের অনেকেরই অন্যত্র বিকল্প জমি রয়েছে। তবে বাসিন্দারা এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

৮০ বছর বয়সী স্থানীয় বাসিন্দা আলী চাঁদ ফকির জানান, ১৯৬২ সালে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন ও বন্যায় বসতভিটা হারিয়ে গোয়ালপাড়া থেকে তিনি এখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তাঁর ভাষ্য, তিনি ও অন্য অনেক বাসিন্দা ১৯৭২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ‘তৌজি’ ব্যবস্থার আওতায় নিয়মিত জমির রাজস্ব পরিশোধ করেছেন।

উচ্ছেদের পর বিকল্প জমি না পাওয়ায় অনেক পরিবার আত্মীয়স্বজনের বাড়ি, সড়কের পাশে তৈরি অস্থায়ী কুঁড়েঘর কিংবা নিচু চরাঞ্চলে আশ্রয় নিয়েছে। বাসস্থান হারিয়ে এসব পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে।

অভিযান চলাকালে মসজিদ, উপাসনালয় ও কবরস্থানসংলগ্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেক বাসিন্দাকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। কেউ কেউ দরগাহ ও কবরস্থানে গিয়ে প্রার্থনা করেন। এ সময় একটি দরগাহ ভাঙার মুখে হঠাৎ একটি বুলডোজার বিকল হয়ে যায়। এর চালক অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

আসামে কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এসব অভিযানের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন মূলত বাঙালি মুসলমান অধ্যুষিত এলাকার মানুষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১১ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) বিশ্ব অর্থনীতির নানা অনিশ্চয়তার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই চার মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৩৫ কোটি মার্কিন ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের ৩০০ কোটি ডলারের তুলনায় ১১.৫১ শতাংশ বেশি। সামগ্রিক বৈশ্বিক বাজারে দেশের মোট রপ্তানি প্রবৃদ্ধির তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এই প্রবৃদ্ধির হার চোখে পড়ার মতো।

ইপিবির তথ্যানুসারে, জুলাই থেকে অক্টোবর সময়ে বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে মোট ১ হাজার ৭০৯ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫.৮৮ শতাংশ বেশি। অর্থাৎ, বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় এক-পঞ্চমাংশই এসেছে একক দেশ হিসেবে সর্ববৃহৎ গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে। এ ছাড়া কেবল অক্টোবর মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৭৫ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা বছরওয়ারি হিসাবে ১২.১০ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে। ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান আরিফ জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের পণ্যের গুণগত মান, সময়মতো পণ্য সরবরাহ এবং কমপ্লায়েন্স বজায় রাখার কারণে ক্রেতাদের এই আস্থা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান যোগ করেন, শুল্কের ক্ষেত্রে কয়েকটি প্রতিযোগী দেশের তুলনায় বাংলাদেশ সুবিধাজনক অবস্থানে থাকায় বাণিজ্য সম্প্রসারণ সহজ হচ্ছে এবং অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক এড়াতে ইউএসটিআরের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

প্রচলিত বড় বাজারগুলোর পাশাপাশি উদীয়মান ও বিকল্প বাজারগুলোতেও বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের পরিধি দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে তুরস্কে রপ্তানি আয় ৮২.৬৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার ডলারে। একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দুই গুরুত্বপূর্ণ দেশ সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে যথাক্রমে ১৫.৫২ ও ১২.৯৩ শতাংশ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারগুলোতেও ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে; যেখানে ১৭৪ কোটি ডলার আয় নিয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম গন্তব্য যুক্তরাজ্য এবং ১৫৭ কোটি ডলার আয় নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে জার্মানি। একক কোনো দেশের অর্থনৈতিক মন্দা বা নীতি পরিবর্তনের ঝুঁকি এড়াতে বাজার বহুমুখীকরণের এই প্রবণতাকে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকেরা।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:০৬ পিএম
ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ভূমিকম্পের সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জোরদার, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিতকরণ এবং জরুরি উদ্ধার কার্যক্রমের সক্ষমতা বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুতি ও করণীয় বিষয়ে এক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ কথা জানান।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকাগুলোতে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো ভবন শনাক্ত, ভবন নির্মাণে জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনার সক্ষমতা বাড়ানোর কথাও বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, রাজউক, ফায়ার সার্ভিস এবং অন্যান্য জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা, উদ্ধার সরঞ্জামের পর্যাপ্ততা, উদ্ধারকর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ভূমিকম্পবিষয়ক সচেতনতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম রিজুসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক