সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

৩৬ দিনের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি ঘোষণা ইনকিলাব মঞ্চের

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম
৩৬ দিনের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি ঘোষণা ইনকিলাব মঞ্চের

ন্যায়বিচার, রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের দাবিতে ৩৬ দিনের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। আগামী ৭ অক্টোবর দেশের সর্বউত্তরের বাংলাবান্ধা থেকে শুরু হয়ে এ কর্মসূচি শেষ হবে টেকনাফের জিরো পয়েন্টে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, লেখক, অ্যাক্টিভিস্ট, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ব্যক্তি এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবেরের সভাপতিত্বে সভায় কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন সংগঠনের সদস্যসচিব ফাতেমা তাসনিম জুমা। তিনি জানান, ৩৬ দিনের এ কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পদযাত্রা, পথসভা ও সমাবেশ করা হবে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পাশাপাশি ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার পক্ষে জনমত গড়ে তোলা হবে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

কর্মসূচির প্রথম ধাপে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকার দিকে যাত্রা করবে ইনকিলাব মঞ্চ। আগামী ২১ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগে শহীদ শরীফ ওসমান হাদি চত্বরে সমাবেশ করার কথা রয়েছে। এরপর মার্চটি পূর্বাঞ্চলের দিকে অগ্রসর হয়ে টেকনাফের জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হবে।

‘মার্চ ফর ইনসাফ’-এর তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত করা, গণভোটের গণরায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জুলাই, পিলখানা ও শাপলা গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা।

সভায় বক্তারা বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা এখন জাতীয় দাবিতে পরিণত হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বাংলাদেশ আজাদ পার্টির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হাসিনুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন আহমদ খান, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অফিস সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ফয়সল, বাংলাদেশ গ্রিন পার্টির মুখপাত্র ইউসুফ আম্মারসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

এ ছাড়া কবি বোরহান মাহমুদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান, সাধারণ আলেম সমাজের সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন, জুলাইয়ে চোখ হারানো যোদ্ধা আব্দুল্লাহ আল শাফিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ এবং জেডিপির আহ্বায়ক নাঈম আহমদসহ অনেকে সভায় বক্তব্য দেন।

সভায় অংশ নেওয়া নেতৃবৃন্দ কর্মসূচির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সর্বস্তরের মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

 

জামদানি শাড়িতে মায়াবী লুক, অপরূপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ করলেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১০ পিএম
জামদানি শাড়িতে মায়াবী লুক, অপরূপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ করলেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা

চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ও চিরসবুজ চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা আবারও নিজের নতুন লুক দিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের হৃদয়ে ঝড় তুললেন। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের কিছু ছবি শেয়ার করে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন এই তারকা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের অফিসিয়াল পেজে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছেন পূর্ণিমা, যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে গেছে। ছবিগুলোতে তাকে একটি অভিজাত সবুজ রঙের জামদানি শাড়িতে দেখা গেছে। সঙ্গে মানানসই গহনা, চমৎকার হেয়ার স্টাইল এবং স্নিগ্ধ মেকওভারে তাকে লাগছে একেবারেই রাজকীয়।

ছবিগুলোর ক্যাপশনে পূর্ণিমা লিখেছেন— “Jamdani vibes and timeless elegance” (জামদানির আমেজ এবং চিরন্তন আভিজাত্য)। তার এই রূপ ও সাজসজ্জা যেন বলে দিচ্ছে, বয়স বাড়লেও তার রূপের জৌলুস বিন্দুমাত্র কমেনি, বরং দিন দিন আরও পরিপক্ব ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এদিকে চিরচেনা রূপের এই স্নিগ্ধতা দেখে সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসার বন্যায় ভাসিয়েছেন ভক্তরা। মন্তব্যের ঘরে অনেকেই তাকে ‘বাংলা সিনেমার রানি’ ও ‘চিরতরুণী’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় এই নায়িকার ফ্যাশন সেন্স ও মার্জিত লুক বরাবরই ভক্তদের নজর কাড়ে, যার প্রমাণ মিলল তার এই সাম্প্রতিক জামদানি লুকের মাধ্যমে।

আদালতে অনুপস্থিতির দায়ে প্রায় ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫২ পিএম
আদালতে অনুপস্থিতির দায়ে প্রায় ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

চট্টগ্রামের বিভিন্ন আদালতে চলমান বিচারকাজে দিনের পর দিন অনুপস্থিত থাকায় চট্টগ্রাম নগর পুলিশের (সিএমপি) বর্তমান ও দেশের অন্যান্য ইউনিটে বদলি হওয়া প্রায় ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বিচারিক প্রক্রিয়ায় বারবার সমন জারি করার পরও তা উপেক্ষা করায় আদালত বাধ্য হয়ে এ ধরনের চরম সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

চিঠিপত্র ও আদালত সূত্রে জানা যায়, সিএমপির উপকমিশনার (সদর) দপ্তর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের ১৮টি পৃথক স্মারকে জরুরি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিগুলোতে সংশ্লিষ্ট ইউনিটের প্রধানদের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তারা তাঁদের আওতাধীন অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের নির্ধারিত দিনে সকাল ৯টায় আদালতে উপস্থিতি নিশ্চিত করেন। অতীতে সমন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে জামিন অযোগ্য পরোয়ানা সত্ত্বেও তাঁরা আদালতে হাজির হননি। বিষয়টিকে বিচারকাজের দীর্ঘসূত্রতার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কোনো পুলিশ সদস্য ভবিষ্যতে আবারও অনুপস্থিত থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫(ক) ধারা অনুসরণে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

যেসব সাক্ষীকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে, তাঁদের পদমর্যাদা কনস্টেবল থেকে শুরু করে পরিদর্শক পর্যন্ত বিস্তৃত। অনেকে চট্টগ্রাম জেলা ছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কক্সবাজার, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, সিলেট, চাঁদপুর, সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও ঢাকাসহ দেশের নানা স্থানে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি সিআইডি, পিবিআই, নৌ পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও বিশেষায়িত গোয়েন্দা সংস্থা এসবির সদস্যরাও এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত। তাঁদের অধিকাংশ পূর্বে সিএমপির পতেঙ্গা, কোতোয়ালি, খুলশী, সদরঘাট, হালিশহর, চকবাজার, কর্ণফুলী, ডবলমুরিং, বায়েজিদ, চান্দগাঁও, আকবরশাহ, বাকলিয়া, পাঁচলাইশ, পাহাড়তলী ও ইপিজেড থানায় দায়িত্বরত ছিলেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বিচারাধীন এসব মামলা বর্তমানে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত, জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন বিশেষ আদালত এবং শিশু আদালতে ঝুলন্ত অবস্থায় আছে।

গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রেও একই পরিস্থিতি দেখা গেছে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালের একটি হত্যা মামলায় সিএমপি কমিশনারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আদেশ দেন অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ৩য় আদালত। আদালতে অভিযোগ গঠনের পর রাষ্ট্রপক্ষ বারবার চেষ্টা করেও সাক্ষীদের হাজির করতে ব্যর্থ হওয়ায় মামলার বিচারকাজ এগোচ্ছে না। আদেশে স্পষ্ট জানানো হয়, নির্ধারিত তারিখে সাক্ষীকে উপস্থিত রাখতে না পারলে ১৭১(২) ধারা অনুযায়ী সম্ভাব্য আইনি জটিলতার সব দায়ভার পুলিশ কর্তৃপক্ষের ওপরই বর্তাবে।

আদালতসংশ্লিষ্টরা জানান, কর্মস্থল পরিবর্তন কিংবা বদলির পর সমন যথাযথ স্থানে পৌঁছাতে প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়। এছাড়া অনেক সময় সমন পৌঁছালেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র মিলতে বিলম্ব হয়।

শুধু চট্টগ্রামই নয়, নোয়াখালী জেলাতেও পুলিশ সাক্ষীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। নোয়াখালী পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে ১২১ জন পুলিশ সদস্যকে আদালতে উপস্থিত থাকার কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো সদস্য যৌক্তিক কারণ দর্শানো ছাড়া অনুপস্থিত থাকলে বিভাগীয় আইনি শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে জানানো হয়েছে এবং এই প্রতিবেদন রেঞ্জ ডিআইজি ও পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এর আগেও সিএমপির পক্ষ থেকে শত শত পুলিশ সাক্ষীকে আদালতে পাঠাতে চিঠি জারি করা হয়েছিল। তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে, অভিযুক্ত সাক্ষীদের একটি অংশ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় চট্টগ্রামে দায়িত্বরত ছিলেন। নানা প্রতিকূলতা ও নিরাপত্তার ভয়েও অনেকে আদালতে আসতে অনীহা প্রকাশ করছেন।

আইনজীবীদের মতে, একজন দায়িত্বশীল পুলিশ সদস্যের অনুপস্থিতি বিচারপ্রার্থী ও রাষ্ট্র উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর। আইন বিশেষজ্ঞ ও সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতা দূর করে সাক্ষীদের সুরক্ষা ও যাতায়াত নিশ্চিত করার পাশাপাশি আদালতের নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় জবাবদিহিতা বাস্তবায়ন করা এখন সময়ের দাবি।

 

২২ অক্টোবর ছুটির অনুমোদন, টানা ৫ দিন বন্ধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৬ পিএম
২২ অক্টোবর ছুটির অনুমোদন, টানা ৫ দিন বন্ধ

দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) একদিন ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর ফলে দুর্গাপূজার ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে এবার টানা পাঁচ দিনের ছুটি থাকছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ ও ২১ অক্টোবর সরকারি ছুটি নির্ধারিত ছিল। এরপর ২২ অক্টোবর অফিস খোলার কথা ছিল। পরের দুই দিন ২৩ ও ২৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার হওয়ায় সাপ্তাহিক ছুটি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

২২ অক্টোবর ছুটি অনুমোদন হওয়ায় ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ছুটি কাটাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

চলতি বছর মহালয়া হবে ১০ অক্টোবর। এরপর ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী, ১৮ অক্টোবর মহাসপ্তমী, ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমী, ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী পালিত হবে।

১৭ অক্টোবর সরকারি অফিস খোলা

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর ছুটি থাকবে। পাশাপাশি আগামী ১৭ অক্টোবর (শনিবার) সরকারি অফিস খোলা থাকবে।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক