শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর নিন্দা, সরকারের হস্তক্ষেপের আহ্বান

রোহিঙ্গাদের বহিষ্কারের দাবিতে সাড়ে চার লাখ স্বাক্ষর, ঘৃণাপ্রচারণা নিয়ে উদ্বেগ

আহমাদুল কবির মালয়েশিয়া প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:০৩ এম
রোহিঙ্গাদের বহিষ্কারের দাবিতে সাড়ে চার লাখ স্বাক্ষর, ঘৃণাপ্রচারণা নিয়ে উদ্বেগ

মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিরুদ্ধে নতুন করে বিদ্বেষমূলক প্রচারণা শুরু হয়েছে। “আকু আনাক মালয়েশিয়া” ছদ্মনামে চেঞ্জ ডট অর্গে চালু হওয়া একটি অনলাইন পিটিশনে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের কাছে রোহিঙ্গাদের দেশ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানানো হয়। মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পিটিশনটিতে প্রায় সাড়ে চার লাখ স্বাক্ষর জমা পড়ে। পরে একাধিক অভিযোগ পাওয়ার পর চেঞ্জ ডট অর্গ পিটিশনটি পর্যালোচনার আওতায় এনে স্থগিত করে।

দেশটির প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক নিউ স্ট্রেইটস টাইমস জানিয়েছে, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় নিবন্ধিত শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা ২ লাখ ১৫ হাজার ৬০০। এর মধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ২৬ হাজার ১৪৪, যা নিবন্ধিত শরণার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, পেনাংভিত্তিক একটি বেসরকারি সংগঠন দেশের বিভিন্ন এলাকায় রোহিঙ্গাদের ক্রমবর্ধমান ব্যবসায়িক উপস্থিতি ও আর্থিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এসব বক্তব্য জনমনে অস্বস্তি ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ফোরটিফাই রাইটস উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের উচিত শরণার্থী ও অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ঘৃণাপ্রচারণা, হয়রানি ও হুমকির বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া। সংস্থাটির পরিচালক পুত্তানি কাংকুন বলেন, “অনলাইনের ঘৃণা খুব দ্রুতই অফলাইনের সহিংসতায় রূপ নিতে পারে।”

ফোরটিফাই রাইটস সরকার ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন রোহিঙ্গা ও অন্যান্য শরণার্থীদের বিরুদ্ধে সব ধরনের ঘৃণামূলক প্রচারণার প্রকাশ্যে নিন্দা জানান এবং সহিংসতায় উসকানিমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করেন।

মালয়েশিয়ার মানবাধিকার কমিশন সুহাকামও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কমিশন জানায়, পিটিশনটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ও বৈষম্যমূলক আচরণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সুহাকামের মতে, রোহিঙ্গাদের মানবতাবিরোধী ভাষায় উপস্থাপনের প্রবণতা সামাজিক সংহতি ও মানবিক মর্যাদার ভিত্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

কমিশন নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, মিয়ানমারে দীর্ঘদিনের নিপীড়ন ও সহিংসতার মুখে পালিয়ে আসা শরণার্থী এবং সাধারণ অর্থনৈতিক অভিবাসীদের মধ্যে পার্থক্য বোঝা জরুরি।

অন্যদিকে মানবাধিকার সংগঠন পুসাৎ কোমাস জানিয়েছে, রোহিঙ্গারা মালয়েশিয়ার মোট জনসংখ্যার মাত্র শূন্য দশমিক চার শতাংশ। ফলে দেশের সম্পদের ওপর তারা বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে—এমন দাবি তথ্যভিত্তিক নয়। সংগঠনটির মতে, বিদ্বেষমূলক প্রচারণাগুলো পরিকল্পিতভাবে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে কেবল “ভোক্তা” হিসেবে উপস্থাপন করছে, অথচ বাস্তবে তাদের অনেকেই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও মালয়েশিয়ার অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন।

পুসাৎ কোমাস সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, জনমনে উদ্বেগ মোকাবিলায় ভয়, গুজব ও ভুল তথ্যের পরিবর্তে প্রমাণভিত্তিক নীতি গ্রহণ করা উচিত।

বিশ্লেষকদের মতে, মালয়েশিয়ায় শরণার্থীদের অবস্থান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই একটি জটিল বাস্তবতা বিদ্যমান। দেশটি জাতিসংঘের ১৯৫১ সালের শরণার্থী কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী নয় এবং সেখানে শরণার্থী সুরক্ষার জন্য আলাদা কোনো আইনি কাঠামোও নেই। ফলে রোহিঙ্গাসহ সব শরণার্থী দেশটির অভিবাসন আইনে “অবৈধ প্রবেশকারী” হিসেবে বিবেচিত হন। এই বাস্তবতা দীর্ঘদিন ধরে তাদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক জনমত তৈরিতে ভূমিকা রেখে আসছে।

ফোরটিফাই রাইটস আরও অভিযোগ করেছে, সরকার সম্প্রতি যে নতুন শরণার্থী নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে, তাতে বায়োমেট্রিকসহ ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার রোধ এবং নির্বিচার গ্রেপ্তার বা জোরপূর্বক প্রত্যাবাসন ঠেকানোর জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।

উল্লেখ্য, মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গাবিরোধী প্রচারণা এবারই প্রথম নয়। ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারির সময়ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ঘৃণাপ্রচারণা ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় রোহিঙ্গারা মালয়েশিয়ার নাগরিকত্ব দাবি করছেন—এমন ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করে তাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ও সহিংসতার আহ্বান জানানো হয়েছিল। মানবাধিকারকর্মীদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি সেই পুরনো প্রবণতারই পুনরাবৃত্তি, যা সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধের জন্য নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক