বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

রবীন্দ্রনাথের ছবি পায়ের নিচে রেখে পোস্ট, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৮ এম
রবীন্দ্রনাথের ছবি পায়ের নিচে রেখে পোস্ট, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি পায়ের নিচে রেখে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার ঘটনায় নোয়াখালীর বাঁধের হাট আব্দুল মালেক উকিল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হাসিবুল ইসলাম মারুফকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করেছে জেলা ছাত্রদল। বহিষ্কারের পর সংগঠনটিকে ‘ভারতীয় দালাল দল’ আখ্যা দিয়ে ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।

 

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. মহসিন রিয়াজ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়। এতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মারুফকে পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান রাহান এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

 

দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (১১ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি পায়ের নিচে রেখে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন মারুফ। এ ঘটনার পরদিন সোমবার (১২ অক্টোবর) তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় জেলা ছাত্রদল। পরে মঙ্গলবার তাঁকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

 

বহিষ্কারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় জেলা ছাত্রদলকে ‘ভারতীয় দালাল দল’ বলে আখ্যা দেন মারুফ। তাঁর দাবি, চাঁদাবাজি, অনৈতিক কর্মকাণ্ড বা মাদকাসক্তির কারণে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়নি; বরং ভারতীয় আধিপত্যের বিরোধিতা এবং রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

‘বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে’, আন্দোলন নিয়ে নেহা বোরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১১ পিএম
‘বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে’, আন্দোলন নিয়ে নেহা বোরা

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলন মূলত বাংলাদেশ থেকেই অনুপ্রেরণা পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির ছাত্র সংগঠন ‘অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন’ (আইসা)-এর সর্বভারতীয় সভাপতি নেহা বোরা।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশের প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ৬ষ্ঠ কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ও সাধারণ সম্মেলন উপলক্ষে দেওয়া এক ভিডিও বার্তা এ কথা বলেন তিনি।

নেহা বোরা বলেন, ‘ভারতজুড়ে এখন যে জেন-জি আন্দোলন চলছে, তা মূলত শুরু হয়েছে বাংলাদেশকে দেখে। আমাদেরকে পথ দেখানোর জন্য ও ভারতের তরুণ সমাজের প্রতি সমর্থন জুগিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। আমরা জানি, বাংলাদেশে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল তা ছিল, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার লড়াই। বর্তমানে ভারতে যে বিক্ষোভ চলছে, তার উদ্দেশ্যেও এক’।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংগ্রামের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর ক্রমবর্ধমান হুমকি এবং সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনাকে স্তব্ধ করে দেওয়ার চেষ্টার সাথে ভারতের শিক্ষাঙ্গনে চলা উগ্রবাদী প্রভাবের গভীর মিল রয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার তরুণদের যৌথভাবে উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব করে নেহা আরও বলেন, ‘আমরা আপনাদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি। আপনাদের কাছ থেকে আমরা অনুপ্রেরণা পেয়েছি ও আপনাদের করা আন্দোলন থেকে শিখতে পেরেছি। আশা করি, আপনারা ও আমরা মিলে একটি ভালো দক্ষিণ এশিয়া গড়তে পারবো’।

উল্লেখ্য, ২৯ বছর বয়সী নেহা বোরা ভারতের সাম্প্রতিক ছাত্র-যুব আন্দোলনের পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন। তিনি জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি শিক্ষার্থী এবং এআইএসএর সর্বভারতীয় সভাপতি। নাট্যচর্চার মধ্য দিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে তার আগ্রহ তৈরি হয়। পরে ২০১৯-২০২০ সালে নাগরিকত্ব আইনবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে তার রাজনৈতিক সক্রিয়তা আরও বিস্তৃত হয়।

বিহারে গঙ্গা নদীতে নৌকা উল্টে ১৩ শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০৯ পিএম
বিহারে গঙ্গা নদীতে নৌকা উল্টে ১৩ শিশুর মৃত্যু

ভারতের বিহারে গঙ্গা নদীতে নৌকা উল্টে ১৩ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে নৌকাটিতে করে শিশুরা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একটি উৎসবে যাচ্ছিল। তবে এতে অতিরিক্ত যাত্রী ছিল। পরে নৌকাটি উল্টে গেলে শিশুগুলো প্রাণ হারায়।

নৌকা উল্টে যাওয়ার পর পর সেখানে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন স্থানীয়রা। তারা মোবাইলের টর্চের আলো জ্বালিয়ে নদীতে পড়ে যাওয়া শিশুদের তোলার চেষ্টা করেন। এরমধ্যে ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তবে দুজনের অবস্থা গুরুতর। আর মৃত অবস্থায় নদী থেকে পাওয়া যায় ১৩ শিশুর নিথর দেহ।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নৌ দুর্ঘটনায় নিহতদের জন্য শোক প্রকাশ করেছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে বিহারের পূর্বাঞ্চলের বৈশালী জেলায় নৌকা উল্টে যাওয়ার ঘটনাটি ঘটে।

রামলক্ষণ নামে এক গ্রামবাসী বলেছেন, নৌকাটি ছিল ছোট এবং এটির অবস্থা ছিল খারাপ। তা সত্ত্বেও এটিতে ঠাসাঠাসি করে ওঠেছিলেন অনেকে।

স্থানীয় চিকিৎসক নির্মল কুমার জানিয়েছেন, যে ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে তাদের মধ্যে দুজন শিশু আছে। এ দুজনের অবস্থাই খারাপ। তাদের সবাইকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বৈশালীর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বার্তাসংস্থা এএফপিকে নিশ্চিত করেছেন, নদী থেকে ১৩ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার শোকবার্তায় বলেছেন, “বিহারের বৈশালীতে নৌকা উল্টে প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।” তিনি নিহত ও আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, এএফপি

নিখোঁজের চার দিন পর ধানক্ষেতে শিশুর মরদেহ, নেই মাথা ও অঙ্গের কিছু অংশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০৬ পিএম
নিখোঁজের চার দিন পর ধানক্ষেতে শিশুর মরদেহ, নেই মাথা ও অঙ্গের কিছু অংশ

বগুড়ার সোনাতলায় নিখোঁজের চার দিন পর ইউসুফ আলী (৫) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহের মাথা, হাত ও পায়ের কিছু অংশ পাওয়া যায়নি। ভারী কোনো বস্তুর আঘাতে শিশুটিকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার বালুয়াহাট গ্রামে বাড়ির পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে বাড়ি থেকে খেলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় ইউসুফ। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে সোমবার স্বজনেরা সোনাতলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বুধবার দুপুরে বাড়ির পাশের ধানক্ষেত থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন সেখানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা শিশুটির মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

বগুড়ার সহকারী পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম জানান, ভারী কোনো বস্তুর আঘাতে শিশুটিকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। মরদেহের মাথা, হাত ও পায়ের কিছু অংশ পাওয়া যায়নি। মরদেহের বাকি অংশ উদ্ধারে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কাজ করছে। শিশুটিকে হত্যার কারণ এবং এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক