রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলাদেশিসহ ১০৫ যাত্রী নিয়ে ভূমধ্যসাগরে ডুবে গেল ইউরোপগামী নৌযান, নিখোঁজ ৭০

প্রবাহ বাংলা ডেস্ক ঢাকা, বাংলাদেশ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২:১২ পিএম
বাংলাদেশিসহ ১০৫ যাত্রী নিয়ে ভূমধ্যসাগরে ডুবে গেল ইউরোপগামী নৌযান, নিখোঁজ ৭০

ইউরোপগামী অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌযান ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় ডুবে গেছে। এতে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর এখনো বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

ইতালির কোস্টগার্ড বাহিনী উদ্ধার অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত ৩২ জনকে জীবিত এবং ২ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেছে। তবে এখনও প্রায় ৭০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম The New York Times-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও মিসরের নাগরিক রয়েছেন। জীবিতদের সবাই পুরুষ বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

উদ্ধারপ্রাপ্তদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিকূল আবহাওয়া ও উত্তাল সমুদ্রের কারণে নৌযানটি ডুবে যায়। দুর্ঘটনার সময় বড় ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করতে না পেরে নৌকাটি উল্টে যায়।

ইতালীয় এনজিও Mediterranea Saving Humans জানিয়েছে, নৌযানটি লিবিয়ার উপকূলীয় শহর তাজাউরা থেকে ছেড়ে আসে এবং এতে মোট ১০৫ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনাটি ঘটে লিবিয়ার নিয়ন্ত্রিত সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ জোনে।

ডুবে যাওয়া নৌযানটি থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের ইতালির দ্বীপ ল্যাম্পেদুসা-তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে জার্মান সংস্থা Sea-Watch আকাশপথে নজরদারি চালিয়ে উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তা করেছে। তাদের তোলা ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, উল্টে যাওয়া নৌকার ওপর আশ্রয় নিয়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছেন কয়েকজন অভিবাসনপ্রত্যাশী।

সংস্থাগুলো নিখোঁজদের জন্য শোক প্রকাশের পাশাপাশি ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছে নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, ইউরোপে প্রবেশের জন্য ভূমধ্যসাগর রুটটি দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় প্রতি বছর বহু অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রাণ হারান বা নিখোঁজ হন। জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরেও শত শত মানুষ এই পথে যাত্রাকালে নিখোঁজ হয়েছেন।

ভারতে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিহত অন্তত ৫৬

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ পিএম
ভারতে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিহত অন্তত ৫৬

ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য উত্তর প্রদেশে টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণে বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে রাজ্যজুড়ে এক হাজারের বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৪ কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস উত্তর প্রদেশে। এটি ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য। প্রতিবছর জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষা মৌসুমে রাজ্যটিতে ভারী বৃষ্টি, বজ্রঝড় ও অতিবৃষ্টির ঘটনা ঘটে।

রাজ্যের ত্রাণ কমিশনারের কার্যালয় জানিয়েছে, উত্তর প্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় রেকর্ড পরিমাণ ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যা ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ৫৬ জন নিহত এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি নিম্নচাপ স্থলভাগে প্রবেশের পর অঞ্চলটিতে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এতে এক হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ভারতের আবহাওয়া অফিস গত কয়েক বছর ধরে দেশটিতে তীব্র বজ্রঝড় ও বজ্রপাতসহ বিভিন্ন ধরনের চরম আবহাওয়ার ঘটনা বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করে আসছে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে এ ধরনের চরম আবহাওয়ার সম্পর্ক রয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত উত্তর প্রদেশে গড়ে ৬৬ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময়ে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের গড় যেখানে ৭ দশমিক ৬ মিলিমিটার, সেখানে কয়েক গুণ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে।

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ১৫৮ জন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৫ পিএম
ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ১৫৮ জন

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ১৫৮ জন ডেঙ্গু রোগী।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, নতুন ৬ জনের মৃত্যু নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২০ জনে। এর মধ্যে আগস্টে ৪৩ জন, সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৬ দিনে ১২৮ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন এবং মে মাসে একজন মারা গেছেন। এছাড়া জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বুলেটিনে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ২ হাজার ১৫৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৬৯৪ জনে।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড় পেয়েছেন ১ হাজার ৭৫৫ জন। সব মিলিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৮ হাজার ৬ জন।

নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৬৬৪ জন ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৪৫ জন, খুলনায় ৩২৯ জন, বরিশালে ২২৭ জন, রাজশাহীতে ১৭৬ জন, ময়মনসিংহে ১৩২ জন এবং রংপুর বিভাগে ৭৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

হাম উপসর্গে একদিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৪ পিএম
হাম উপসর্গে একদিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত হাম রোগী মিলিয়ে নতুন করে এক হাজার ৩৪১ জন শনাক্ত হয়েছেন।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ২২৮ জন। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৮৮ হাজার ২৮ জন। একই সময়ে নতুন করে ১১৩ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ২১২ জনে পৌঁছেছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৬৬ হাজার ৩১০ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক লাখ ৫৯ হাজার ৫১৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ৯৯৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম আক্রান্ত কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। এ পর্যন্ত গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক