ঈদের ছুটির প্রথম দিনেই ঘরমুখো মানুষের ঢল, চাপ বেড়েছে রেল-সড়কপথে
ঈদের ছুটির প্রথম দিনেই রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন হাজারো মানুষ। পবিত্র ঈদুল ফিতর পরিবারের সঙ্গে উদযাপন করতে ভোর থেকেই ঢাকা ছাড়ছেন ঘরমুখো যাত্রীরা। ভিড় ও ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই আগেভাগেই বাড়ির পথে রওনা হয়েছেন।
ছুটির শুরুর দিনেই রেল ও সড়কপথে দেখা গেছে মানুষের ব্যাপক চাপ। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন-এ গত কয়েকদিনের তুলনায় যাত্রীর সংখ্যা বেড়েছে। প্ল্যাটফর্মে প্রবেশে রাখা হয়েছে কড়াকড়ি ব্যবস্থা।
সকাল ৮টা পর্যন্ত কমলাপুর স্টেশন থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে গেছে ১১টি ট্রেন—এর মধ্যে ৯টি আন্তঃনগর ও ২টি কমিউটার ট্রেন।
এদিকে সড়কপথেও চাপ বেড়েছে। গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে সকাল থেকেই বাসে করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন যাত্রীরা। টানা ছুটি থাকায় এবারের ঈদযাত্রা তুলনামূলক স্বস্তির হবে—এমন প্রত্যাশা অনেকের।
ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২১ মার্চ ঈদের দিন সাধারণ ছুটি। এছাড়া ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ২২ ও ২৩ মার্চ—ঈদের আগে ও পরে মোট চার দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছিল। ফলে ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটি আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল।
তবে মাঝখানে ১৮ মার্চ অফিস খোলা থাকায় যাতায়াত সহজ করতে ওই দিনও ছুটি দেওয়ার দাবি ওঠে। পরবর্তীতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয় এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
এর ফলে ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা সাত দিনের ছুটি পাচ্ছেন।
এই ছুটির সময়ে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসা সেবা, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, টেলিযোগাযোগ ও ডাক সেবাসহ জরুরি সেবাগুলো স্বাভাবিকভাবে চালু থাকবে।











