রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

হালিশহরে গ্যাস বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৯ জনকে আনা হচ্ছে ঢাকায়

প্রবাহ বাংলা ডেস্ক ঢাকা, বাংলাদেশ প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৩৬ পিএম
হালিশহরে গ্যাস বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৯ জনকে আনা হচ্ছে ঢাকায়

চট্টগ্রামের হালিশহরের একটি বাসায় জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে।

সোমবার ভোর ৫টার দিকে হালিশহর এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামে একটি ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। চিকিৎসকরা জানান, দগ্ধদের মধ্যে চারজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান চিকিৎসক রফিক উদ্দিন আহমেদ বলেন, দগ্ধদের সবারই শ্বাসতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হয়েছে। যে কোনো সময় আইসিইউ প্রয়োজন হতে পারে বিধায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বার্ন ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, আহতদের মধ্যে ৩ জনের শরীর শতভাগ দগ্ধ হয়েছে। এছাড়া একজনের ৮০ শতাংশ, দুজনের ৪৫ শতাংশ এবং তিন শিশুর শরীর ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত পুড়ে গেছে। দগ্ধদের মধ্যে ৪৬ বছর বয়সী শাখাওয়াত হোসেনসহ নারী ও শিশু মিলিয়ে ৯ জন রয়েছেন। বর্তমানে স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাঁদের ঢাকা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসছেন।

বিস্ফোরণে ভবনটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্বিতীয় তলা থেকে পঞ্চম তলা পর্যন্ত প্রতিটি ইউনিটের দরজা ভেঙে গেছে এবং ভবনের লিফট ছিঁড়ে নিচে পড়ে গেছে। স্থানীয়রা দগ্ধদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী আলমগীর হোসেন জানান, ওই বাসায় এলপিজি সিলিন্ডার ছিল না, বরং কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির লাইন সংযোগ ছিল। কোনো কারণে চুলা থেকে গ্যাস লিক হয়ে রান্নাঘরে জমে যায়। সেই গ্যাস থেকেই ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ভারতে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিহত অন্তত ৫৬

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ পিএম
ভারতে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিহত অন্তত ৫৬

ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য উত্তর প্রদেশে টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণে বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে রাজ্যজুড়ে এক হাজারের বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৪ কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস উত্তর প্রদেশে। এটি ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য। প্রতিবছর জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষা মৌসুমে রাজ্যটিতে ভারী বৃষ্টি, বজ্রঝড় ও অতিবৃষ্টির ঘটনা ঘটে।

রাজ্যের ত্রাণ কমিশনারের কার্যালয় জানিয়েছে, উত্তর প্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় রেকর্ড পরিমাণ ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যা ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ৫৬ জন নিহত এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি নিম্নচাপ স্থলভাগে প্রবেশের পর অঞ্চলটিতে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এতে এক হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ভারতের আবহাওয়া অফিস গত কয়েক বছর ধরে দেশটিতে তীব্র বজ্রঝড় ও বজ্রপাতসহ বিভিন্ন ধরনের চরম আবহাওয়ার ঘটনা বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করে আসছে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে এ ধরনের চরম আবহাওয়ার সম্পর্ক রয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত উত্তর প্রদেশে গড়ে ৬৬ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময়ে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের গড় যেখানে ৭ দশমিক ৬ মিলিমিটার, সেখানে কয়েক গুণ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে।

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ১৫৮ জন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৫ পিএম
ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ১৫৮ জন

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ১৫৮ জন ডেঙ্গু রোগী।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, নতুন ৬ জনের মৃত্যু নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২০ জনে। এর মধ্যে আগস্টে ৪৩ জন, সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৬ দিনে ১২৮ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন এবং মে মাসে একজন মারা গেছেন। এছাড়া জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বুলেটিনে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ২ হাজার ১৫৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৬৯৪ জনে।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড় পেয়েছেন ১ হাজার ৭৫৫ জন। সব মিলিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৮ হাজার ৬ জন।

নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৬৬৪ জন ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৪৫ জন, খুলনায় ৩২৯ জন, বরিশালে ২২৭ জন, রাজশাহীতে ১৭৬ জন, ময়মনসিংহে ১৩২ জন এবং রংপুর বিভাগে ৭৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

হাম উপসর্গে একদিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৪ পিএম
হাম উপসর্গে একদিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত হাম রোগী মিলিয়ে নতুন করে এক হাজার ৩৪১ জন শনাক্ত হয়েছেন।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ২২৮ জন। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৮৮ হাজার ২৮ জন। একই সময়ে নতুন করে ১১৩ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ২১২ জনে পৌঁছেছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৬৬ হাজার ৩১০ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক লাখ ৫৯ হাজার ৫১৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ৯৯৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম আক্রান্ত কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। এ পর্যন্ত গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক