মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সুদানে নামাজের সময় ভয়াবহ ড্রোন হামলা, নিহত ৭৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৬:২৪ পিএম
সুদানে নামাজের সময় ভয়াবহ ড্রোন হামলা, নিহত ৭৮

আরএসএফ তাদের দখলে থাকা এলাকায় আরব নয় এমন সম্প্রদায়গুলোকে নিশ্চিহ্ন করার নীতি বাস্তবায়ন করছে বলে জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার নথিতে আভাস মিলেছে। ছবি: রয়টার্স

সুদানের দারফুর অঞ্চলে এক ভয়াবহ ড্রোন হামলায় অন্তত ৭৮ জন নিহত হয়েছেন। নর্থ দারফুরের রাজধানী আল-ফাশির শহরে শুক্রবার ফজরের নামাজের সময় মসজিদে এ হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় চিকিৎসা সূত্র এবং সুদানের সামরিক কাউন্সিল হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, হামলার জন্য প্যারামিলিটারি গোষ্ঠী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স (আরএসএফ)-কে দায়ী করা হচ্ছে। তবে এখনো পর্যন্ত তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দায় স্বীকার করেনি।

চিকিৎসা সংক্রান্ত এক সূত্র বলছে, নিহতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৭৮-এ পৌঁছেছে, আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ ও আহতদের উদ্ধারের কাজ চলছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে মসজিদের পাশে কফিন ও কম্বলে মোড়ানো ৩০টির বেশি মৃতদেহ দেখা গেছে। ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেছে বিবিসি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে সুদানে সেনাবাহিনী ও আরএসএফ-এর মধ্যে সংঘাত চলছে। সম্প্রতি আরএসএফ আল-ফাশির শহর দখলের উদ্দেশ্যে নতুন অভিযান শুরু করেছে। শহরটি বর্তমানে দারফুরে সেনাবাহিনীর শেষ শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তিন লাখেরও বেশি সাধারণ মানুষ এ সংঘাতের মধ্যে আটকা পড়েছে।

উপগ্রহচিত্রে দেখা গেছে, আরএসএফ ইতোমধ্যেই শহরের আশপাশের শরণার্থী শিবির এবং জয়েন্ট ফোর্সেসের সদরদপ্তরের অংশবিশেষ দখল করেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, আল-ফাশির বিমানবন্দর ও সেনা সদরদপ্তর এখন তাদের হামলার আওতার মধ্যে পড়ে গেছে।

হিউম্যানিটারিয়ান রিসার্চ ল্যাব (এইচআরএল) সতর্ক করে জানিয়েছে, দ্রুত সেনা সহায়তা না পেলে শিগগিরই আল-ফাশিরের পতন ঘটতে পারে। শহরটি হারালে সুদানের পুরো পশ্চিমাঞ্চল আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে। এতে দেশটি কার্যত দু’ভাগে বিভক্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে—উত্তর ও পূর্বাঞ্চল সেনাবাহিনীর, আর পশ্চিমাঞ্চল আরএসএফের দখলে।

এছাড়া আন্তর্জাতিক মহল আশঙ্কা করছে, শহরটি দখলের পর আরএসএফ স্থানীয় জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর দমন-নিপীড়ন চালাতে পারে। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন সংস্থা এরই মধ্যে জানিয়েছে, আরএসএফ তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় অনারব সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে জাতিগত নিধনের নীতি বাস্তবায়ন করছে।

চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আরএসএফ সেনারা প্রকাশ্যে আল-ফাশির থেকে অনারব জনগোষ্ঠীকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা বলছে। যদিও গোষ্ঠীটি এর আগে জাতিগত সংঘাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

মিশরে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত আল-আজহারে কাঁঠালগাছ রোপণ

আফছার হোসাইন, মিশর প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৯ এম
মিশরে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত আল-আজহারে কাঁঠালগাছ রোপণ

মিশরের ঐতিহ্যবাহী আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক আবাসিক ছাত্রাবাস ‘ইসলামিক মিশন সিটি’ পরিদর্শন করেছেন মিশরে নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত গৌতম কুমার দে। এ সময় বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে দেশ থেকে নিয়ে যাওয়া জাতীয় ফল কাঁঠালের দুটি চারা রোপণ করেন তিনি। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর মাধ্যমে মিশরের মাটিতে প্রথমবারের মতো কাঁঠালগাছ রোপণ করা হলো।
​রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় কায়রোতে অবস্থিত ইসলামিক মিশন সিটিতে পৌঁছালে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ড. ঈসাম কাজি।
​এ সময় উপস্থিত ছিলেন আল-আজহার শরিফের সহকারী মহাপরিচালক মোস্তফা, প্রেস সচিব ওমর ফাতেহি, মিশরে বাংলাদেশি ছাত্র সংগঠন ইত্তেহাদের সহসভাপতি দেলোয়ার মাহমুদ খান মিল্কি, পিএইচডি গবেষক আব্দুর রহিম, কিশোরগঞ্জের মাসুদ হাসান ও ভিসা-সংক্রান্ত প্রতিনিধি মুয়াজ বিন মাহবুবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা।
​সাক্ষাতকালে আল-আজহারে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি বৃদ্ধি, ইসলামিক মিশন সিটিতে আবাসিক আসন বাড়ানো এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। আল-আজহার কর্তৃপক্ষ বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেয়।মিশন সিটির পরিচালক ড. ঈসাম কাজি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রশংসা করে বলেন, “কয়েক বছর ধরে আল-আজহারে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারীদের মধ্যে বাংলাদেশিরা উল্লেখযোগ্য অবস্থান ধরে রেখেছেন। তারা মেধাবী, পরিশ্রমী ও বিনয়ী।
​সাক্ষাতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত গৌতম কুমার দে বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি তুলে ধরেন। তিনি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে দেশের ঐতিহ্য পরিচয়ের স্মারক হিসেবে মিশন সিটিকে একটি কাঠের রিকশার মডেল উপহার দেন।
​শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সুন্দর পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা নিয়ে তারা দেশে ফিরে সমৃদ্ধি আনবেন-এটাই প্রত্যাশা।পরে তিনি ড. ঈসাম কাজিকে সঙ্গে নিয়ে মিশন সিটির পাবলিক লাইব্রেরি, জিমনেশিয়াম, টেনিস ও বিলিয়ার্ড হলসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ঘুরে দেখেন। ১০৩টি দেশের শিক্ষার্থীরা যেখানে বসবাস করেন, সেখানে কাঁঠালগাছ রোপণকে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের একটি প্রতীকী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।পরিদর্শন শেষে ড. ঈসাম কাজি আল-আজহারের পাঠ্যক্রম-সম্পর্কিত কিছু বই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের হাতে তুলে দেন। রাষ্ট্রদূতও শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণে দূতাবাসের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় জানান।

রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপি গাজী নজরুল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০১ পিএম
রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপি গাজী নজরুল

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় দ্বিতীয় দফার রিমান্ড শেষে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার দ্বিতীয় দফায় চার দিনের রিমান্ড শেষে গাজী নজরুল ইসলামকে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে তার জামিনের আবেদন করা হলে আদালত তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম জানান, আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে গাজী নজরুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের পাশের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও মরিয়মের মামা ও ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন।

মামলার পর গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন এবং মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। প্রথম দফার রিমান্ড শেষে মাকছুদা বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ২৪ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় দফায় আরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত

এ মামলার আরেক আসামি ওবায়দুর রহমানকেও গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

নতুন আন্দোলনের ডাক দিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৭ পিএম
নতুন আন্দোলনের ডাক দিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’

মুম্বাইয়ে প্রস্তাবিত বিক্ষোভ কর্মসূচির অনুমতি না পাওয়ার পর আগামী ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীর দিনে ‘জেল ভরো আন্দোলন’ বা গণগ্রেপ্তার কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ভারতের ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘোষণা দিয়েছেন।

সিজেপি আগে ২ অক্টোবর মুম্বাই থেকে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরুর ঘোষণা দিয়েছিল। দলটির কর্মসূচির অন্যতম বিষয় ছিল ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমে পরিবর্তনের দাবি। মুম্বাই পুলিশ প্রস্তাবিত বিক্ষোভের অনুমতি না দেওয়ার পর ডিপকে ‘জেল ভরো আন্দোলন’-এর ঘোষণা দেন।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ডিপকে বলেন, বিক্ষোভের অনুমতি না দেওয়া নাগরিকদের কণ্ঠস্বর দমনের প্রচেষ্টা। তিনি জানান, প্রতিবাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হলে ২ অক্টোবর মুম্বাইয়ে জেল ভরো আন্দোলন শুরু করবে সিজেপি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এদিকে আসামেও সিজেপির নেতা-কর্মীদের আটককে কেন্দ্র করে দলটির সঙ্গে রাজ্য কর্তৃপক্ষের বিরোধ তৈরি হয়েছে। রোববার গুয়াহাটিতে সংগঠনটির আঞ্চলিক স্বেচ্ছাসেবক সভার আগে সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কাসহ বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীকে পুলিশ আটক করে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে আটক ব্যক্তির সংখ্যা ৩০ থেকে ৪০ জনের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ স্বেচ্ছাসেবক সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় রাঙ্কাসহ নেতা-কর্মীদের আটক করা হয়। রাঙ্কা অভিযোগ করেন, আসামের স্কুল, কাজিরাঙা ও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সংগঠনটির কর্মসূচির কারণে তাদের আটক করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্যও বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাওয়া গেছে, তবে দলটির অভিযোগের সবগুলো দাবি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি।

সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে রাঙ্কা ও অন্যদের মুক্তি না দিলে আসামে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। পরে আটক নেতা-কর্মীদের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয় বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

অন্যদিকে, মুম্বাইয়ের প্রস্তাবিত বিক্ষোভের অনুমতি না দেওয়ার বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, শিবাজি পার্কে সমাবেশের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশনা ও সরকারি আদেশসহ সংশ্লিষ্ট বিধিনিষেধ রয়েছে।

 

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক