প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যরা
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ ও প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতে আবরারের বাবা মো. বরকত উল্লাহ মামলার বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে রায় কার্যকরের অনুরোধ জানান। জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, বিষয়টি দেশের সর্বোচ্চ বিচারালয়ে বিচারাধীন রয়েছে এবং সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া কুষ্টিয়ার গড়াই নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের দাবি মেনে নিয়ে এর নাম ‘আবরার ফাহাদ সেতু’ নামকরণের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি আবরারের কবর পাকাকরণ, মসজিদের অসমাপ্ত কাজ শেষ করা এবং কারাগার থেকে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন তিনি।
আবরারের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজের দাবির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বুয়েট ক্যাম্পাসে আবরার ফাহাদের নামে একটি নতুন আবাসিক হল নির্মাণের জন্য শিক্ষা সচিবকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন। এছাড়া ক্যাম্পাসে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতের ওপর জোর দেন আবরারের মা রোকেয়া খাতুন।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের নির্মম নির্যাতনে প্রাণ হারান আবরার ফাহাদ। এই হত্যা মামলায় বিচারিক আদালত ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন, যা হাইকোর্টেও বহাল রয়েছে। বর্তমানে মামলাটির চূড়ান্ত বিচারিক প্রক্রিয়া আপিল বিভাগে বিচারাধীন।











অনুষ্ঠানে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন আবু আদনান মহিবুর রহমান, মোশাররফ হোসেন, আব্দুল আজিজ তরফদার, আব্দুর রহমান মোতালেব ও মিসবাহুল হক মেরাজী। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় লেখক পরিষদের সভাপতি সৈয়দ শামসুল হুদা, দৈনিক আমার দেশের সহকারী সম্পাদক আলী হাসান তৈয়ব, সাইফুর রহমান ও তাসদিদ বিন আব্দুল ওয়াদুদ। কৃতী শিক্ষার্থীদের পক্ষে অনুভূতি প্রকাশ করেন মুহাম্মাদ মাসুম বিল্লাহ ও মাহবুবুল আলম।



