রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ঝিনাইদহে যুবক নিহতের ঘটনায় উত্তেজনা, পেট্রোল পাম্পে ভাঙচুর ও বাসে অগ্নিসংযোগ

প্রবাহ বাংলা ডেস্ক ঢাকা, বাংলাদেশ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ১:১৮ পিএম
ঝিনাইদহে যুবক নিহতের ঘটনায় উত্তেজনা, পেট্রোল পাম্পে ভাঙচুর ও বাসে অগ্নিসংযোগ

ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহে ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে এক যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় শহরজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে উত্তেজিত জনতা পাম্প মালিকের কয়েকটি স্থাপনায় ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি বাসে আগুন দিয়েছে।

শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকার তাজ ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম নিরব হোসেন। তিনি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার বাদুরগাছি গ্রামের বাসিন্দা এবং আলিমুর বিশ্বাসের ছেলে।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—পোড়াহাটি ইউনিয়নের বাড়ইখালি গ্রামের নাসিম হোসেন, আড়ুয়াকান্দি গ্রামের রমিজুল ইসলাম এবং সুরাট ইউনিয়নের কাষ্টোসাগরা গ্রামের দাউদ হোসেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে মোটরসাইকেলে তেল নিতে তাজ ফিলিং স্টেশনে যান নিরব হোসেন। সে সময় পাম্পের কর্মচারীরা তাকে তেল দিতে অপারগতা জানান। কিছুক্ষণ পর তিনি আবার পাম্পে ফিরে এসে অন্য এক ব্যক্তিকে বোতলে তেল দিতে দেখে প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে পাম্পের কর্মচারীরা তাকে লাঠি দিয়ে মারধর করেন। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় নিরবকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে শহরে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে উত্তেজিত জনতা শহরের আরাপপুর এলাকায় অবস্থিত পাম্প মালিকের আরেকটি প্রতিষ্ঠান সৃজনী পেট্রোল পাম্পে ভাঙচুর চালায়।

এ ছাড়া রাত প্রায় ৩টার দিকে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা ঢাকাগামী তিনটি বাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এর আগে সৃজনী এনজিওর মালিক ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদের বাড়ি এবং ইউনিলিভার ডিপোতেও হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

সৃজনী পেট্রোল পাম্পের ক্যাশিয়ার আলামিন শেখ জানান, শনিবার গভীর রাতে ২০ থেকে ৩০ জনের একটি দল পাম্পে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তারা পাম্পের তিনটি মেশিন ভেঙে ফেলে।

ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার তানভীর হাসান বলেন, রাত সাড়ে ৩টার দিকে বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি যানবাহনে আগুন দেওয়ার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

নিহত নিরবের খালাতো ভাই সোহেল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, তেল নেওয়া নিয়ে সামান্য কথা কাটাকাটির জেরে পাম্পের কর্মচারীরা লাঠিসোটা দিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ হোসেন বলেন, তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পাম্পের কর্মচারীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে নিরবকে মারধর করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পাম্পের তিন কর্মীকে আটক করা হয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে

হাম উপসর্গে একদিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৪ পিএম
হাম উপসর্গে একদিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত হাম রোগী মিলিয়ে নতুন করে এক হাজার ৩৪১ জন শনাক্ত হয়েছেন।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ২২৮ জন। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৮৮ হাজার ২৮ জন। একই সময়ে নতুন করে ১১৩ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ২১২ জনে পৌঁছেছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৬৬ হাজার ৩১০ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক লাখ ৫৯ হাজার ৫১৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ৯৯৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম আক্রান্ত কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। এ পর্যন্ত গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রাড্ডায় ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৯ পিএম
রাড্ডায় ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজধানীর শাহ আলী এলাকায় রাড্ডা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অভিযুক্ত ওসির বিরুদ্ধে শিগগিরই বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হামলাকারীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনায় নেওয়া হবে না। অপরাধী যেই হোক, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেবে সরকার।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে শাহ আলী থানার অধীন রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি প্রাচীর টপকে প্রবেশ করে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। হামলাকারীরা সেখানে থাকা দুই নৈশপ্রহরীকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে আটকে রাখে। পরে হ্যামার ও ভেকু দিয়ে সীমানাপ্রাচীরসহ প্রতিষ্ঠানের একাধিক সেবা কক্ষ ভেঙে ফেলে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, হামলাকারীরা ক্লিনিকে থাকা ওষুধপত্র, আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন, জেনারেটর, কম্পিউটার, এসি ও ফ্রিজসহ প্রায় ৬০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ছাড়া ভবন ও আসবাবপত্র ভাঙচুরের কারণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আরও প্রায় ২৯ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার রায় নভেম্বরে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০০ পিএম
মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার রায় নভেম্বরে

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর গণহত্যার অভিযোগে গাম্বিয়ার করা মামলার রায় আগামী অক্টোবরের শেষ দিকে অথবা নভেম্বরের শুরুতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল ও বিচারমন্ত্রী দাউদা এ. জালো।

বেসরকারি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ২৪-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান।

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় অপরাধ প্রমাণে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) বিপুল পরিমাণ সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করেছে গাম্বিয়া।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর ব্যাপক হত্যাযজ্ঞের পরও অনেক প্রভাবশালী দেশ কার্যকরভাবে এগিয়ে না আসায় মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিক আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর উদ্যোগ নেয় পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া।

জেনোসাইড কনভেনশন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০১৯ সালে নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করে ওআইসির সদস্য দেশ গাম্বিয়া। দীর্ঘদিন ধরে চলা মামলাটির মূল শুনানি চলতি বছরের জানুয়ারিতে শেষ হয়েছে।

গাম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল ও বিচারমন্ত্রী দাউদা এ. জালো জানান, মামলার শুনানিতে রোহিঙ্গা ভুক্তভোগীদের আদালতে হাজির করে তাদের ওপর ঘটে যাওয়া ঘটনার সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্যাটেলাইট ছবি, জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিবেদন, এনজিওর রিপোর্ট ও বিশেষজ্ঞদের সাক্ষ্যসহ নানা ধরনের প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আমরা যে প্রমাণ উপস্থাপন করেছি, তার পরিমাণ অনেক। রোহিঙ্গা ভুক্তভোগীদের আন্তর্জাতিক আদালতে হাজির করে তাদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ছবি, প্রতিবেদন ও এনজিওর রিপোর্টসহ নানা ধরনের প্রমাণ সংগ্রহ করে আদালতের সামনে পেশ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা মামলার মূল শুনানি গত জানুয়ারিতে শেষ হয়েছে উল্লেখ করে গাম্বিয়ার বিচারমন্ত্রী জানান, চলতি বছর শেষ হওয়ার আগেই মামলাটির রায় ঘোষণা হতে পারে বলে তারা ধারণা করছেন। তার মতে, রায় অক্টোবরের শেষ দিকে অথবা নভেম্বরের শুরুর দিকে ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, রায়ে মিয়ানমারকে গণহত্যার জন্য দায়ী রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করা হতে পারে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়া এবং গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের মিয়ানমারের নিজস্ব আইনের আওতায় বিচারের নির্দেশও আদালত দিতে পারেন বলে তিনি মনে করেন।

দাউদা এ. জালো বলেন, আদালতে বিপুল পরিমাণ প্রমাণ উপস্থাপন করায় আমরা আশাবাদী যে আদালত গাম্বিয়ার সঙ্গে একমত হবে এবং মিয়ানমারকে গণহত্যার জন্য দায়ী সাব্যস্ত করবে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের জন্য বিভিন্ন প্রতিকারের দাবিও জানিয়েছে দেশটি।

এসব দাবির মধ্যে রয়েছে রোহিঙ্গাদের মৌলিক অধিকার ও নাগরিকত্বের স্বীকৃতি, নিজ নিজ ভিটেমাটিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার, হারানো সম্পত্তির ক্ষতিপূরণ বা পুনর্বাসনের সুযোগ এবং শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের অধিকার।

মিয়ানমার আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের রায় না মানলে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে আইসিজের রায়কে শক্তিশালী আইনি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে বলেও মত দিয়েছেন গাম্বিয়ার বিচারমন্ত্রী।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক