রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

একুশের চেতনায় মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

প্রবাহ বাংলা ডেস্ক ঢাকা, বাংলাদেশ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:২৭ পিএম
একুশের চেতনায় মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল ভাষাভাষী জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। শুক্রবার এক বিশেষ বাণীতে তিনি এ শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান করেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী ১৯৫২ সালের ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “একুশের চেতনাকে ধারণ করে আমরা একটি স্বনির্ভর ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করছি।” তিনি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে বলেন, “১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় যারা রাজপথে বুক পেতে দিয়েছিলেন, তাদের ত্যাগের ফলে আজ আমরা আমাদের মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছি।”

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে আরও বলেন, “একুশে ফেব্রুয়ারির আন্দোলন কেবল ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠাই করেনি, বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত্তিকে শক্তিশালী করেছে। একুশের সেই রক্তাক্ত পথ ধরেই ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি।”

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তিনি আরও বলেন, “বাংলা ভাষা শুধু আমাদের আত্মপরিচয়ের বাহন নয়, এটি আমাদের জাতির গৌরবের প্রতীক। মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য আমাদের সংগ্রাম বিশ্বব্যাপী প্রতিটি ভাষার মর্যাদা রক্ষার আন্দোলনে রূপ নিয়েছে, যা প্রতিটি জাতির জন্য গৌরবের বিষয়।”

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বর্তমান সরকারের লক্ষ্য ও রাজনৈতিক দর্শনের প্রতিফলন ঘটিয়ে বলেন, “একুশের মূল চেতনা ছিল গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠা। সেই চেতনাকে ধারণ করে আমরা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছি।”

তিনি যোগ করেন, “আমরা ৫২-এর ভাষা শহীদ, ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রামের সকল শহীদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে চাই।”

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বিশ্বব্যাপী সকল জাতিগোষ্ঠীর ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য সবাইকে উদাত্ত আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আসুন, আমরা আমাদের দেশের ভাষিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণ করি এবং বাংলা ভাষার প্রমিত ব্যবহার ও সঠিক চর্চা নিশ্চিত করি।”

বাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, “এমনভাবে একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি শোষণমুক্ত সমাজ গড়া আমাদের সরকারের প্রধান লক্ষ্য।”

চাঁদা না পেয়ে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৮ এম
চাঁদা না পেয়ে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর

রাজধানীর ইসিবি চত্বরে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাতে প্রায় এক থেকে দেড় শ লোক স্টুডিওতে ঢুকে ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে বলে স্টুডিওর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এ সময় সালমান মুক্তাদির রাজধানীতে ছিলেন না। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষয়ক্ষতি দেখেন তিনি।

 

ঘটনার পর নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে স্টুডিওর ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেন সালমান মুক্তাদির। পরে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় হামলার সম্ভাব্য কারণ নিয়েও কথা বলেন তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

 

চাঁদা চাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সালমান মুক্তাদির বলেন, আমাকে জানানো হয়েছে যে চাঁদা দেয়নি, এ জন্য হামলা করা হয়েছে। এখন চাঁদা দেয়নি এটা তো…আমার কাছে চায়ওনি, চাইলে আমি ডেফিনেটলি দিতাম, যদি আমার পোষাত অবশ্যই দিতাম। কিন্তু উনারা কেন দেয়নি, কত টাকা দেয়নি, এ ব্যাপারে আমার আইডিয়া নেই। এই তথ্য আমি পুলিশের কাছে শুনলাম, বাইরের লোকজনের কাছে শুনলাম।

 

সালমান বলেন, ওরা মূলত ভবনের মালিকের কাছে চাঁদা চেয়েছিল। টার্গেট করেছিল মালিককে। আমি মাঝখানে পড়ে গিয়েছি। ওরা হয়তো জানতো না এটা আমার স্টুডিও।

 

তিনি আরও বলেন, যে কারণেই হোক না কেন, হয়েছে তো বাংলাদেশে। এটা স্বীকার করতে হবে, এটাই বাংলাদেশ। আমি ভেবেছি আমার প্রতি শত্রুতা, পরে দেখি পুরো প্রজেক্টেই হামলা চালানো হয়েছে। প্রজেক্ট নিয়ে কিছু হয়েছে, এটাই আমি নিশ্চিত হয়েছি। এ সময় এসব হওয়ার কথা ছিল না, এমনটা হবে বলে ভাবেননি। তবে এসব ঘটনা চলতেই থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে সালমান বলেন, তিনি এ ঘটনায় কোনো পদক্ষেপ নিতে চান না এবং আইনের প্রতি তার কোনো বিশ্বাস নেই। আইনের ব্যাপারে তিনি ‘নাস্তিক’ বলেও মন্তব্য করেন।

 

ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে সালমান জানান, তার স্টুডিওতে নিয়মিত অনেক শুটিং হয় এবং সেখানে অনেক মানুষের কাজ থাকে। তবে ভাঙচুরে আর্থিকভাবে কতটা ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বলতে পারছেন না। এ বিষয়ে আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান তিনি। তবে দেশে কিংবা বিদেশে থেকে নিজের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন সালমান।

 

স্টুডিওর এক কর্মকর্তা জানান, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রায় এক থেকে দেড় শ লোক হঠাৎ স্টুডিওতে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করে। তাদের কয়েকজনের হাতে চাপাতি ও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

 

পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক দেখে স্টুডিওতে থাকা কর্মকর্তারা টয়লেটে গিয়ে আত্মগোপন করেন। হামলাকারীরা সেখানে গিয়েও অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্টুডিওতে থাকা বিভিন্ন প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

 

তবে হামলায় স্টুডিওতে থাকা কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী আহত হননি বলে জানা গেছে।

 

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, রিয়েল এস্টেট প্রকল্পটির জমির মালিকের কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। তিনি চাঁদা না দেওয়ায় হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়দের দাবি।

 

এর আগে ফেসবুক লাইভে সালমান মুক্তাদির বলেন, হামলায় তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও সৃজনশীল কাজের জায়গাটি ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে এ ঘটনায় তিনি থেমে যাবেন না বলেও জানান।

 

সালমান মুক্তাদির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদকে উদ্দেশ করে বলেন, এই ভিডিওটা বিশেষভাবে বানানো আমাদের যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ, উনার জন্য। আপনি প্লিজ কোনো টেনশন নেবেন না। দিস ইজ নরমাল ইন বাংলাদেশ (এটা বাংলাদেশে স্বাভাবিক ঘটনা)।

 

অন্য এক ভিডিওতে বিএনপির কর্মীদের উদ্দেশ করে সালমানকে বলতে শোনা যায়, ‘চাঁদাবাজি করো আর যাই করো, তোমাদের অবস্থান এটুকুই থাকবে। এর চেয়ে বেশি কিছু করার সাধ্য তোমাদের নাই।’

 

এ বিষয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন জানান, জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে ইসিবি চত্বরের একটি অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৪৩২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১১ পিএম
ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৪৩২

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৪৩২ জন। শনিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে এ পর্যন্ত ২১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ৭১ হাজার ৫৩৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুজন ঢাকা বিভাগে এবং একজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার বাসিন্দা। মৃতদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন নারী রয়েছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১০৬৪

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৯ পিএম
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১০৬৪

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৬৪ জন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শনিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৭ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ১০১ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯৮৬ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা, খুলনা ও কুমিল্লা জেলায় একজন করে মারা গেছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এদিকে একই সময়ে ৮৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৯৯ জনে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯৮০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। ফলে এ পর্যন্ত দেশে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮১৩ জনে।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক