রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকারি চাকরিতে ৫ বছরের বেশি থাকা উচিত নয়: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

প্রবাহ বাংলা ডেস্ক ঢাকা, বাংলাদেশ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৮ পিএম
সরকারি চাকরিতে ৫ বছরের বেশি থাকা উচিত নয়: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, সবার জন্য চাকরি নিশ্চিত করার ধারণা বাস্তবসম্মত নয়; বরং এটি এক ধরনের দাসপ্রথার মতো। তিনি মনে করেন, তরুণদের চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হতে উৎসাহিত করতে হবে এবং সরকারকে এ ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখতে হবে।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো–২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশের রাজনীতিতে জুলাই আন্দোলন যেমন নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছিল, তেমনি এই ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো তথ্যপ্রযুক্তি খাতেও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণরাই ভবিষ্যতে বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে।

ড. ইউনূস বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত জনগণের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি করেছিল। সেই ক্ষোভের ফলেই এক শক্তিশালী সরকারের পতন ঘটে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে ডিজিটাল খাতই মূল চালিকাশক্তি, কারণ এই খাত থেকেই অন্যান্য সব খাতে পরিবর্তনের প্রভাব পড়বে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

জালিয়াতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে জালিয়াতির কারণে আন্তর্জাতিকভাবে নেতিবাচক পরিচিতি পেয়েছে, যা দেশের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। প্রযুক্তিতে এগিয়ে যেতে হলে এই জালিয়াতির সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশকে নিয়ে মাথা উঁচু করে চলার সক্ষমতা আমাদের রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারি প্রশাসন প্রসঙ্গে ড. ইউনূস বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের পাঁচ বছরের বেশি একই চাকরিতে থাকা উচিত নয়। এতে তাদের মানসিকতা স্থবির হয়ে পড়ে এবং সৃজনশীলতা নষ্ট হয়। তিনি মত দেন, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ১০ বছর পর পর নতুন করে গড়ে তোলা প্রয়োজন। কারণ সময়ের সঙ্গে লক্ষ্য পরিবর্তন হলেও মানুষরা পুরোনো চিন্তাভাবনা নিয়েই প্রতিষ্ঠানে বসে থাকে।

ভারতে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিহত অন্তত ৫৬

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ পিএম
ভারতে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিহত অন্তত ৫৬

ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য উত্তর প্রদেশে টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণে বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে রাজ্যজুড়ে এক হাজারের বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৪ কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস উত্তর প্রদেশে। এটি ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য। প্রতিবছর জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষা মৌসুমে রাজ্যটিতে ভারী বৃষ্টি, বজ্রঝড় ও অতিবৃষ্টির ঘটনা ঘটে।

রাজ্যের ত্রাণ কমিশনারের কার্যালয় জানিয়েছে, উত্তর প্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় রেকর্ড পরিমাণ ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যা ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ৫৬ জন নিহত এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি নিম্নচাপ স্থলভাগে প্রবেশের পর অঞ্চলটিতে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এতে এক হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ভারতের আবহাওয়া অফিস গত কয়েক বছর ধরে দেশটিতে তীব্র বজ্রঝড় ও বজ্রপাতসহ বিভিন্ন ধরনের চরম আবহাওয়ার ঘটনা বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করে আসছে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে এ ধরনের চরম আবহাওয়ার সম্পর্ক রয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত উত্তর প্রদেশে গড়ে ৬৬ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময়ে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের গড় যেখানে ৭ দশমিক ৬ মিলিমিটার, সেখানে কয়েক গুণ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে।

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ১৫৮ জন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৫ পিএম
ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ১৫৮ জন

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ১৫৮ জন ডেঙ্গু রোগী।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, নতুন ৬ জনের মৃত্যু নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২০ জনে। এর মধ্যে আগস্টে ৪৩ জন, সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৬ দিনে ১২৮ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন এবং মে মাসে একজন মারা গেছেন। এছাড়া জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বুলেটিনে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ২ হাজার ১৫৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৬৯৪ জনে।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড় পেয়েছেন ১ হাজার ৭৫৫ জন। সব মিলিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৮ হাজার ৬ জন।

নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৬৬৪ জন ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৪৫ জন, খুলনায় ৩২৯ জন, বরিশালে ২২৭ জন, রাজশাহীতে ১৭৬ জন, ময়মনসিংহে ১৩২ জন এবং রংপুর বিভাগে ৭৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

হাম উপসর্গে একদিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৪ পিএম
হাম উপসর্গে একদিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত হাম রোগী মিলিয়ে নতুন করে এক হাজার ৩৪১ জন শনাক্ত হয়েছেন।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ২২৮ জন। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৮৮ হাজার ২৮ জন। একই সময়ে নতুন করে ১১৩ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ২১২ জনে পৌঁছেছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৬৬ হাজার ৩১০ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক লাখ ৫৯ হাজার ৫১৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ৯৯৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম আক্রান্ত কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। এ পর্যন্ত গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক