সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ওসমান হাদির জানাজা সম্পন্ন: শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখো মানুষের ঢল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৩:২০ পিএম
ওসমান হাদির জানাজা সম্পন্ন: শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখো মানুষের ঢল

লাখো মানুষের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে এ জানাজা সম্পন্ন হয়।

জানাজায় অংশ নেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ ছাড়া প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আলী রীয়াজ, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ উপদেষ্টা পরিষদের অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

জানাজার আগে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন মরহুমের সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত পাঠ করেন। এরপর বক্তব্য দেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। পরে বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সর্বশেষ বক্তব্য দেন হাদির বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বক্তব্যে আবু বকর সিদ্দিক বলেন, শরিফ ওসমান হাদি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার বিষয়ে জনগণের কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা রেখে গেছেন। তিনি জানান, হাদির একটি আট মাস বয়সী সন্তান রয়েছে। সন্তানের জন্মের সময় নামকরণের বিষয়ে হাদি তার কাছে বিপ্লবী চেতনা ও সাহসের প্রতিফলন ঘটবে—এমন নাম বাছাইয়ের কথা বলেছিলেন। এ বক্তব্যের সময় জানাজায় উপস্থিত অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

এরপর আবু বকর সিদ্দিক জানাজার নামাজে ইমামতি করেন। জানাজা শেষে মরদেহ নিয়ে শাহবাগের দিকে রওনা দেওয়া হয়।

জানাজায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামানও। ঢাকার বাইরে থেকে আসা বিপুলসংখ্যক মানুষ জানাজায় যোগ দেন।

শনিবার সকাল থেকেই রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় মানুষের ভিড় জমতে শুরু করে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা মুসল্লিদের অংশগ্রহণে সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। আসাদগেট, ফার্মগেট ও খামারবাড়ি এলাকায় মানুষের ঢল নামে।

নগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে দলবদ্ধভাবে মানুষ জানাজাস্থলে আসেন। এ সময় ‘আমরা সবাই হাদি হবো, যুগে যুগে লড়ে যাবো’ এবং ‘হাদি ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না’—এমন স্লোগান দিতে দেখা যায়। অনেকের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা।

সকাল ১১টা ২০ মিনিটে সংসদ ভবনের প্রধান গেট খুলে দেওয়া হয়। তার আগে থেকেই সংসদ ভবনের সামনের সড়কে মানুষ সারিবদ্ধভাবে অবস্থান নেন। জানাজা উপলক্ষে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।

এদিকে, শাহবাগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে শরিফ ওসমান হাদির দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। শনিবার দুপুরের দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশের কাজী নজরুল ইসলাম স্কয়ারে কবর খোঁড়ার কাজ শুরু হয়।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে রিকশায় চলার সময় ওসমান হাদির ওপর হামলা হয়। মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি খুব কাছ থেকে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। সেখানেই বৃহস্পতিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মালয়েশিয়ার পেনাং রাজ্যে হাইকমিশনের বিশেষ কনস্যুলার সেবা প্রদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৪ এম
মালয়েশিয়ার পেনাং রাজ্যে হাইকমিশনের বিশেষ কনস্যুলার সেবা প্রদান

প্রবাসী বাংলাদেশিদের দোরগোড়ায় কনস্যুলার সেবা পৌঁছে দিতে মালয়েশিয়ার পেনাং রাজ্যে বিশেষ কনস্যুলার ক্যাম্প পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন, কুয়ালালামপুর। দুই দিনব্যাপী এ কার্যক্রমে পাসপোর্ট এনরোলমেন্ট, পাসপোর্ট বিতরণসহ বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হয়।

২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর পেনাংয়ের জর্জ টাউনের লিগা মুসলিম কমিউনিটি হলে এ বিশেষ কনস্যুলার ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ হাইকমিশন, কুয়ালালামপুরের একটি প্রতিনিধি দল ক্যাম্প পরিচালনা করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

দূরবর্তী এলাকা থেকে কুয়ালালামপুরে না গিয়ে স্থানীয় পর্যায়েই প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সেবা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় প্রবাসীদের মধ্যে এ উদ্যোগে আগ্রহ দেখা যায়। বিশেষ করে পাসপোর্ট-সংক্রান্ত সেবার জন্য কর্মব্যস্ত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার প্রয়োজন কমেছে।

ক্যাম্পে নতুন পাসপোর্টের জন্য এনরোলমেন্ট এবং প্রস্তুত পাসপোর্ট বিতরণের পাশাপাশি প্রবাসীদের বিভিন্ন কনস্যুলার বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরামর্শ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রবাসীদের কনস্যুলার সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করার আহ্বান জানান।

এ সময় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য বা বক্তব্য প্রকাশ, শেয়ার কিংবা প্রচারের আগে এর সত্যতা ও সম্ভাব্য প্রভাব যাচাই করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে অনলাইনভিত্তিক প্রতারণা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে সতর্ক থাকার জন্যও প্রবাসীদের সচেতন করা হয়।

হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা আরও সহজলভ্য করতে বিভিন্ন রাজ্যে এ ধরনের বিশেষ সেবা কার্যক্রম আয়োজনের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

হাইকমিশনের এমন উদ্যোগের ফলে কুয়ালালামপুরের বাইরে বসবাসরত প্রবাসীদের জন্য কনস্যুলার সেবা গ্রহণের সুযোগ আরও বিস্তৃত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত কনস্যুলার সেবার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ বা বিশেষ ক্যাম্প আয়োজন অব্যাহত থাকলে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপকৃত হবেন।

মালয়েশিয়ায় মতবিনিময় সভায়-জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ এম
মালয়েশিয়ায় মতবিনিময় সভায়-জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। শুধু রেমিট্যান্স নয়, প্রবাসীদের মেধা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও বিনিয়োগও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। এ জন্য ‘ব্রেইন ড্রেইন’ নয়, বাংলাদেশ এখন ‘রিভার্স ড্রেইন’ চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

তিনি বলেন, দেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। সরকারের নতুন যাত্রায় বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি সুদৃঢ় করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারী এবং প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, সফল উদ্যোক্তা ও নতুন বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

শনিবার কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়া বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ইসমাইল জবিউল্লাহ।

জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, মালয়েশিয়াভিত্তিক শক্তিশালী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী সমাজ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের দেশের নতুন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। মালয়েশিয়ায় ১৫ লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন। তাদের মধ্যে অদক্ষ শ্রমিকের পাশাপাশি শিক্ষাবিদ, প্রযুক্তিবিদ, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী রয়েছেন। তাদের অর্জিত জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বাংলাদেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ প্রবাসীদের দেশে ফিরে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই রিভার্স ড্রেইন। দেশের মেধাবী ও দক্ষ মানুষ বিদেশে কাজ করে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করছেন, তা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে।’

ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে মধ্যপ্রাচ্যে দক্ষ জনশক্তি প্রেরণের মাধ্যমে বাংলাদেশে জনশক্তি রপ্তানির যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এক কোটিরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মরত। তাদের কঠোর পরিশ্রম এবং পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, ‘প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ আমাদের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের শ্রম ও ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন এবং কল্যাণ নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।’

প্রবাসীদের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাসহ তাদের কল্যাণে বিভিন্ন জনহিতকর উদ্যোগ নেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও প্রাতিষ্ঠানিক করতে ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। কার্ডটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে।

তিনি বলেন, বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি কমিয়ে তাদের জন্য সহজ, নিরাপদ ও সম্মানজনক সেবা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রবাসী কার্ডধারীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চেক-ইন ও বোর্ডিং এবং বলাকা লাউঞ্জ ব্যবহারের সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রবাসীদের জন্য পৃথক আবাসন ও বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টির উদ্যোগের কথা জানিয়ে ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, সিলেট থেকে এ কার্যক্রম শুরু করে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার আধুনিক, দক্ষ ও জনবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে। প্রবাসীদের বিনিয়োগ সহজতর করার পাশাপাশি তরুণদের জন্য দেশে বিশ্বমানের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের ভিশন রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। এ লক্ষ্য অর্জনে প্রবাসীদের বিনিয়োগ, মেধা ও অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মতবিনিময় সভায় মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত একাডেমিয়া, গবেষক, প্রযুক্তিবিদ ও নারী উদ্যোক্তাসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।

তারা মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান ও কর্মপরিবেশ উন্নয়ন, পাসপোর্ট ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা সহজীকরণ এবং প্রবাসীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

সভায় মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী, মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার বাদলুর রহমান বাদল, সিনিয়র সহসভাপতি মাহবুব আলম শাহ, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, সহসভাপতি তালহা মাহমুদসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রতিনিধি, নারী উদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ ও ছাত্র প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

এ ছাড়া দূতাবাসের কর্মকর্তারা, মালয়েশিয়া বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।

ভারতে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিহত অন্তত ৫৬

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ পিএম
ভারতে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে নিহত অন্তত ৫৬

ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য উত্তর প্রদেশে টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণে বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে রাজ্যজুড়ে এক হাজারের বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৪ কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস উত্তর প্রদেশে। এটি ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য। প্রতিবছর জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষা মৌসুমে রাজ্যটিতে ভারী বৃষ্টি, বজ্রঝড় ও অতিবৃষ্টির ঘটনা ঘটে।

রাজ্যের ত্রাণ কমিশনারের কার্যালয় জানিয়েছে, উত্তর প্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় রেকর্ড পরিমাণ ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যা ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ৫৬ জন নিহত এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি নিম্নচাপ স্থলভাগে প্রবেশের পর অঞ্চলটিতে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এতে এক হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ভারতের আবহাওয়া অফিস গত কয়েক বছর ধরে দেশটিতে তীব্র বজ্রঝড় ও বজ্রপাতসহ বিভিন্ন ধরনের চরম আবহাওয়ার ঘটনা বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করে আসছে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে এ ধরনের চরম আবহাওয়ার সম্পর্ক রয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত উত্তর প্রদেশে গড়ে ৬৬ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময়ে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের গড় যেখানে ৭ দশমিক ৬ মিলিমিটার, সেখানে কয়েক গুণ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক