পর্তুগালে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদকে সংবর্ধনা
প্রবাসী সংগঠন ‘কাজা দো বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে লিসবনে এক মতবিনিময় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রবাসীদের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (HRPB)-এর প্রেসিডেন্ট ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ। তার পর্তুগাল আগমনকে ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। এ উপলক্ষে প্রবাসী সংগঠন ‘কাজা দো বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে লিসবনে এক মতবিনিময় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
গত মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) রাত ১০টায় রাজধানী লিসবনের দিজাজ রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কাজা দো বাংলাদেশের সভাপতি রনি হোসাইন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শহীদ আহমদ প্রিন্স। প্রধান অতিথি ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা রানা তাসলিম উদ্দীন, আব্দুল হাকিম মিনহাজ, মাসুম আহমদ, ইকবাল আহমদ কাঞ্চন, হাফিজ আল আসাদ, শাহিন সাঈদ, পর্তুগাল বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি রনি মোহাম্মদ, ডাল্টন জহির, জামিল আকবর শামীম, জামাল আহমদ, শামিম আহমদ, আশরাফ আহমদসহ প্রবাসী সমাজের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে জনস্বার্থমূলক মামলা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। নদী, খাল, পাহাড়, বনভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় তার নিরলস সংগ্রাম দেশ-বিদেশে প্রশংসিত। প্রবাসীরা আশা প্রকাশ করেন, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের অধিকার রক্ষায়ও তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ তার বক্তব্যে প্রবাসীদের উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “প্রবাসীরা দেশের রেমিট্যান্স নির্ভর অর্থনীতিকে সচল রাখছেন। দেশের বাইরে থেকেও তারা বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছেন। তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।”
তিনি আরও যোগ করেন, প্রবাসীদের অবদানকে রাষ্ট্রকে মূল্যায়ন করতে হবে এবং তাদের সমস্যার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
অনুষ্ঠান শেষে কাজা দো বাংলাদেশ ও উপস্থিত প্রবাসীরা সম্মিলিতভাবে প্রবাসী সমাজকে আরও সুসংগঠিত করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং বাংলাদেশ ও প্রবাসীদের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। শেষে সকলকে নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয়।













