জেরুজালেমে বাসস্টপে গুলির্বষণ: নিহত ৫, আহত ১১
ইসরায়েলি পুলিশ জানায়, রামোট জংশনে একটি বাস স্টপের দিকে দুই বন্দুকধারী গুলি চালিয়েছে।
ইসরায়েলের জেরুজালেমে ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীদের গুলিতে পাঁচজন নিহত এবং অন্তত সাতজন গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ ও জরুরি সেবাদানকারী সংস্থা।
ইসরায়েলের অ্যাম্বুলেন্স সেবা সংস্থা মাগেন ডেভিড আদম জানায়, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন তিনজন ত্রিশোর্ধ্ব পুরুষ, এক নারী (৫০) এবং আরেকজন পুরুষ (৫০)। এছাড়া নয়জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং আরও তিনজন ভাঙা কাচে আহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি পুলিশের বরাতে জানা যায়, দুইজন সশস্ত্র ব্যক্তি একটি গাড়িতে এসে জেরুজালেমের উত্তরের রামোট জংশনের একটি বাসস্টপে গুলি চালায়। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও এক বেসামরিক নাগরিক পাল্টা গুলি চালিয়ে হামলাকারীদের “নিষ্ক্রিয়” করেন।
হামলার দায় এখনো কোনো গোষ্ঠী স্বীকার না করলেও, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠন হামাস ঘটনাটিকে “নায়কোচিত ও অসাধারণ অভিযান” আখ্যা দিয়ে সমর্থন জানিয়েছে। তারা বলেছে, “অধিকারের (ইসরায়েলি) অপরাধ ও ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চালানো গণহত্যার স্বাভাবিক জবাব এটি।”
পুলিশ জানিয়েছে, বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তা সদস্য এলাকা ঘিরে রেখেছে। বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থল পরীক্ষা করছে এবং ফরেনসিক টিম প্রমাণ সংগ্রহ করছে। ইসরায়েলি সেনারা পুলিশকে সহযোগিতা করছে এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের খুঁজে বের করার জন্য তল্লাশি চালাচ্ছে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যম বলছে, হামলাকারীরা সম্ভবত পশ্চিম তীরের আল-কুবেইবা ও কাটান্না গ্রাম থেকে এসেছিল, যা রামোট জংশন থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে।
ইসরায়েলি পুলিশ কর্মকর্তা শ্লোমি বাখার স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি কীভাবে তারা এখানে এলো, কে তাদের সহায়তা করেছে। খুব দ্রুত আমরা সংশ্লিষ্ট সবাইকে শনাক্ত করব।”
এদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নিরাপত্তা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন।
ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভাডেফুল এক বিবৃতিতে বলেন, “এই কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলায় আমি গভীরভাবে মর্মাহত। নিহতদের পরিবারের প্রতি আমি সমবেদনা জানাই।”










