শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মির্জা ফখরুল

রাষ্ট্রীয় অর্থের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩১ পিএম
রাষ্ট্রীয় অর্থের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে

শুধু জনপ্রিয়তা অর্জন বা চোখে পড়ার মতো অবকাঠামো নির্মাণের উদ্দেশ্যে নয়, বরং মানুষের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণ ও জীবনমানের বাস্তব উন্নয়ন নিশ্চিত করবে-এমন প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে জনস্বার্থ, জবাবদিহি, দক্ষতা এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। জনগণের অর্থ অত্যন্ত মূল্যবান উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় অর্থের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি।

বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চলমান এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত অননুমোদিত নতুন প্রকল্প পর্যালোচনাসংক্রান্ত সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

সভায় স্থানীয় সরকার এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন প্রকল্পগুলো সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ও কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পুনর্বিন্যাসের বিষয়েও আলোচনা করা হয়। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।

সভায় দুই বিভাগের ২০২৫-২৬ ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির সার্বিক চিত্র তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি, বাস্তবায়ন পরিস্থিতি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন ও পুনর্বিন্যাসের সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়েও আলোচনা হয়।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, উন্নয়ন পরিকল্পনায় শুধু দৃশ্যমান স্থাপনা নির্মাণের বিষয় বিবেচনা করলে হবে না, দেখতে হবে এসব প্রকল্প মানুষের জীবনযাত্রায় কতটা ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে। আগামী পাঁচ, ১০ কিংবা ৫০ বছর পর দেশের উন্নয়নের লক্ষ্য কী হবে, সেই দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা মাথায় রেখে প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও ফলাফলভিত্তিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রয়োজনে নতুন প্রকল্প গ্রহণের পাশাপাশি চলমান প্রকল্প সংশোধন, পুনর্বিন্যাস অথবা একই ধরনের প্রকল্প একীভূত করে কাজের গতি বাড়াতে হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে সময়ানুবর্তিতা, কাজের মান, ব্যয় ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

তিনি বলেন, দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপদ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার শক্তিশালীকরণ, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ দায়িত্ব পালনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরও দক্ষতা, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়তে টেকসই এবং সময়োপযোগী প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। এসব প্রকল্প কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে হবে।

দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে প্রশিক্ষণ ও গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ এমন হতে হবে, যা আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে নারী উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে সরকারের উদ্যোগগুলো আরও ব্যাপকভাবে জনগণের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নিয়মিত পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ও কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকল্প সংশোধন ও পুনর্বিন্যাস করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রকল্পগুলোকে বিষয়ভিত্তিক ক্লাস্টারে অন্তর্ভুক্ত করা হলে তদারকি, মূল্যায়ন ও ফলাফল পরিমাপ আরও সহজ হবে। পৃথক প্রকল্পের পরিবর্তে সমন্বিত কর্মসূচির মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

পল্লী উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, গ্রামের মানুষকে দেশের মূল অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করতে পারলেই টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।

তিনি জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি ও মান বাড়াতে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ, তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রকল্প পরিচালক নীতিমালা প্রণয়নে সরকার কাজ করছে।

সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরী, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক