শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রী

যুদ্ধটা অনেক বড়, টিকে থাকতে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৩ পিএম
যুদ্ধটা অনেক বড়, টিকে থাকতে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি বলেন, ‘এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়। এখানে টিকে থাকতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে দেশের সমতল এলাকায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে গেছে। প্রতিবছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো। এভাবে অর্থপাচার না হলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।’

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পর্যায়ক্রমে সমাধানযোগ্য বিষয়গুলো সমাধানের চেষ্টা করছে। দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বিভিন্ন সমস্যার বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

সভায় প্রধানমন্ত্রী সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে, যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্য থাকবে না।

তিনি বলেন, ‘সবার প্রত্যাশার বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। কাউকে আলাদা মনে করি না।’

সভায় এলজিআরডিমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রথম সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতিকর্মী সঞ্জীব দ্রংসহ ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নেতারা পৃথক ভূমি কমিশন গঠন, সমতলের অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কনভেনশন আয়োজন, ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ শব্দের পরিবর্তে জাতিভিত্তিক পরিচয়ের স্বীকৃতি, আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, ভূমির আইনগত মালিকানা প্রতিষ্ঠা, কেন্দ্রীয় কালচারাল সেন্টার স্থাপন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণসুবিধা এবং বিভিন্ন প্রকল্প বা রিজার্ভ ফরেস্টের নামে বসতি উচ্ছেদ বন্ধের দাবি জানান।

প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস দেন।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ওরা একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে।’ তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যাত্রা শুরু হয় এবং ৩১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পরে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ে তা ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়।

তিনি জানান, বর্তমান সরকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে আরও উন্নত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে হাসপাতালগুলো ১০১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আগের সরকার ইউনিয়নভিত্তিক কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করলেও সেগুলোর কার্যক্রম কার্যকরভাবে চলছে না।

এ সময় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, কিডনি ডায়ালাইসিস ও হার্টের রিংসহ জরুরি চিকিৎসাসামগ্রীর ওপর আরোপিত কর কমানোর বিষয়েও তিনি আলোচনা করেন।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক